জেলা
পুলিশ
সূত্রে
জানা
গেছে,
ঘটনার
পর
থেকে
তুষার
পলাতক
ছিলেন।
তাঁর
পরিচয়
শনাক্তের
পর
থেকে
তাঁকে
খুঁজছিল
পুলিশ।
স্থানীয়
সোর্স
ও
তথ্যপ্রযুক্তির
মাধ্যমে
তাঁর
অবস্থান
শনাক্ত
করা
হয়।
এরপর
অভিযান
চালিয়ে
তাঁকে
গ্রেপ্তার
করা
হয়।
গ্রেপ্তারের
পর
জিজ্ঞাসাবাদে
তুষার
নিজের
হেফাজতে
থাকা
একটি
অবৈধ
পিস্তল
ও
দুটি
কার্তুজ
লুকিয়ে
রাখার
কথা
স্বীকার
করেন।
পরে
তাঁর
দেওয়া
তথ্যের
ভিত্তিতে
ভেলুপাড়া
এলাকায়
মাটি
খুঁড়ে
পলিথিনে
মোড়ানো
অবস্থায়
সেগুলো
জব্দ
করা
হয়।
জেলা
পুলিশের
গোয়েন্দা
শাখার
(ডিবি)
ভারপ্রাপ্ত
কর্মকর্তা
(ওসি)
রাশিদুল
ইসলাম
বলেন,
এ
ঘটনায়
তুষারের
বিরুদ্ধে
সকালে
ঈশ্বরদী
থানায়
অস্ত্র
আইনে
একটি
মামলা
হয়েছে।
বিকেলে
তাঁকে
আদালতের
মাধ্যমে
কারাগারে
পাঠানো
হয়।
এডমিন 




