০৩:৩৬ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ০৩ জানুয়ারী ২০২৬, ১৯ পৌষ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

সিলেটের উত্তাল গ্যালারি চুপ করিয়ে জিতলো রংপুর

  • এডমিন
  • আপডেট সময়ঃ ০৬:০৩:৪৩ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২ জানুয়ারী ২০২৬
  • 4

সাপ্তাহিক ছুটির দিন শুক্রবার, শীতটাও গত কয়েকদিনের চেয়ে কিছুটা কম। এর সঙ্গে ঘরের দল সিলেট টাইটান্সের ম্যাচ। সবমিলিয়ে সিলেট আন্তর্জাতিক স্টেডিয়ামের গ্যালারি ছিল দর্শকে ঠাসা। এমন ম্যাচে অবশ্য সিলেটের ব্যাটাররা জ্বলে উঠতে পারেননি, তাতে দল পেয়েছে মাঝারি সংগ্রহ। এরপর সিলেটের বোলাররা লড়াই করলেও শেষ দিকে মাহমুদউল্লাহ রিয়াদের ক্যামিওতে জয় পায় রংপুর রাইডার্স।

সিলেট আন্তর্জাতিক ক্রিকেট স্টেডিয়ামে শুক্রবার বিপিএলে দিনের দ্বিতীয় খেলায় সিলেটকে ৬ উইকেটে হারিয়েছে রংপুর। আগে ব্যাটিং করে ১৪৪ রান করে সিলেট। জবাবে ৪ উইকেট হারিয়ে জয় পায় রংপুর। ১৬ বলে ৩৪ রানে অপরাজিত থাকেন রিয়াদ। ৩ ম্যাচে এটা রংপুরের দ্বিতীয় জয়। আর ৪ ম্যাচে এটা সিলেটের দ্বিতীয় হার।

লক্ষ্য তাড়ায় ২১ রানে ডেভিড মালানকে হারায় রংপুর।
। পাওয়ার প্লেতে লিটন কুমার দাস ও তাওহীদ হৃদয় জুটি গড়ার চেষ্টা করলেও রানের গতি ছিলো কম। ৬ ওভারের পাওয়ার প্লেতে স্কোরবোর্ডে জমা হয় ৩১ রান। অষ্টম ওভারে লিটনের দুই ক্যাচ ফেলেন নাসুম আহমেদ। তবে একই ওভারে হৃদয়কে তুলে নেন এই বাহাতি স্পিনার।

এরপর কাইল মায়ার্সকে নিয়ে এগোতে থাকেন লিটন। ১০ ওভারে ২ উইকেট হারিয়ে রংপুরের সংগ্রহ দাঁড়ায় ৫৭ রান। ১৩তম ওভারে লিটনকে ফেরান সাইয়ুম আইয়ুব। লং অনে দুর্দান্ত ক্যাচ নেন আফিফ হোসেন ধ্রুব। ফেরার আগে ২৬ বলে ৩৫ রান করেন লিটন৷ ৭৮ রানে তৃতীয় উইকেট হারায় রংপুর। দুই ওভার পর কাইল মায়ার্সকেও হারায় তারা। ২৯ বলে ৩২ রান করা এই বাহাতিকে ফেরান ইথান ব্রুকস।

১৫ ওভার শেষে রংপুরের সংগ্রহ দাঁড়ায় ৪ উইকেট হারিয়ে ৮৬ রান। শেষ ৫ ওভারে প্রয়োজন ছিল ৪৯ রান। ১৬তম ওভারে তিন চার ও এক ছক্কা রের জয়ের পথ সহজ করেন মাহমুদউল্লাহ রিয়াদ। ওই ওভারে আসে ১৯ রান। পরের ওভারে আসে আরও ৯ রান। ১৮তম ওভারে ১৩ রান আসলে জয় প্রায় নিশ্চিত হয়ে যায় রংপুরের। পরের ওভারেই জয়ের বন্দরে পৌছে যায় তারা।

এর আগে শুরুতেই ব্যাকফুটে চলে যায় সিলেট। ৩৫ রানের মধ্যেই সাইম আইয়ুব (১১), অধিনায়ক মেহেদী হাসান মিরাজ (৪) ও রনি তালুকদারের (১৯) উইকেট উইকেট হারায় সিলেট। ভালো ফর্মে থাকা পারভেজ হোসেন ইমন ১৯ বলে ১৫ রান করে বোল্ড হলে ৬৩ রানে হারায় ৪ উইকেট। সেখান থেকে প্রতিরোধ গড়ে তোলেন আফিফ হোসেন ধ্রুব ও ইথান ব্রুকস। দুজনে মিলে গড়েন ৬৬ রানের জুটি। এই জুটিই দিয়েছে সিলেটকে লড়াকু পুঁজি।

৪টি চার ও এক ছক্কায় ৩১ বলে ৪৬ রান করে আফিফ আউট হলে ভাঙে জুটি। মোস্তাফিজ ভাঙেন জুটি। আগের ম্যাচের নায়ক আজমতউল্লাহ ওমরজাই পারেননি ভালো কিছু করতে। ৬ রান করে সাজঘরে ফেরেন ফাহিম আশরাফের বলে। একই ওভারে ৩০ বলে ৩২ রান করা ব্রুকসকেও ফেরান ফাহিম। ফলে ১৩৭ রানে সিলেটের পতন হয় ৭ উইকেটের।

খালেদ আহমেদ মোস্তাফিজের তৃতীয় শিকারে পরিণত হন ইনিংসের ১৯.৫ বলে। ১৪২ বলে ৮ উইকেট হারানো সিলেটের হয়ে শেষ বলে ২ রান নেন মোহাম্মদ আমির। এতে সিলেটের সংগ্রহ দাঁড়ায় ১৪৪।

রংপুরের হয়ে মোস্তাফিজ ও ফাহিম সমান ৩টি করে উইকেট পেয়েছেন। সমান একটি করে আলিস আল ইসলাম ও মৃত্যুঞ্জয়ের।

এসকেডি/এমআইএইচএস/

পাঠকপ্রিয় অনলাইন নিউজ পোর্টাল জাগোনিউজ২৪.কমে লিখতে পারেন আপনিও। লেখার বিষয় ফিচার, ভ্রমণ, লাইফস্টাইল, ক্যারিয়ার, তথ্যপ্রযুক্তি, ধর্ম, কৃষি ও প্রকৃতি। আজই আপনার লেখাটি পাঠিয়ে দিন [email protected] ঠিকানায়।

ট্যাগঃ

সিলেটের উত্তাল গ্যালারি চুপ করিয়ে জিতলো রংপুর

আপডেট সময়ঃ ০৬:০৩:৪৩ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২ জানুয়ারী ২০২৬

সাপ্তাহিক ছুটির দিন শুক্রবার, শীতটাও গত কয়েকদিনের চেয়ে কিছুটা কম। এর সঙ্গে ঘরের দল সিলেট টাইটান্সের ম্যাচ। সবমিলিয়ে সিলেট আন্তর্জাতিক স্টেডিয়ামের গ্যালারি ছিল দর্শকে ঠাসা। এমন ম্যাচে অবশ্য সিলেটের ব্যাটাররা জ্বলে উঠতে পারেননি, তাতে দল পেয়েছে মাঝারি সংগ্রহ। এরপর সিলেটের বোলাররা লড়াই করলেও শেষ দিকে মাহমুদউল্লাহ রিয়াদের ক্যামিওতে জয় পায় রংপুর রাইডার্স।

সিলেট আন্তর্জাতিক ক্রিকেট স্টেডিয়ামে শুক্রবার বিপিএলে দিনের দ্বিতীয় খেলায় সিলেটকে ৬ উইকেটে হারিয়েছে রংপুর। আগে ব্যাটিং করে ১৪৪ রান করে সিলেট। জবাবে ৪ উইকেট হারিয়ে জয় পায় রংপুর। ১৬ বলে ৩৪ রানে অপরাজিত থাকেন রিয়াদ। ৩ ম্যাচে এটা রংপুরের দ্বিতীয় জয়। আর ৪ ম্যাচে এটা সিলেটের দ্বিতীয় হার।

লক্ষ্য তাড়ায় ২১ রানে ডেভিড মালানকে হারায় রংপুর।
। পাওয়ার প্লেতে লিটন কুমার দাস ও তাওহীদ হৃদয় জুটি গড়ার চেষ্টা করলেও রানের গতি ছিলো কম। ৬ ওভারের পাওয়ার প্লেতে স্কোরবোর্ডে জমা হয় ৩১ রান। অষ্টম ওভারে লিটনের দুই ক্যাচ ফেলেন নাসুম আহমেদ। তবে একই ওভারে হৃদয়কে তুলে নেন এই বাহাতি স্পিনার।

এরপর কাইল মায়ার্সকে নিয়ে এগোতে থাকেন লিটন। ১০ ওভারে ২ উইকেট হারিয়ে রংপুরের সংগ্রহ দাঁড়ায় ৫৭ রান। ১৩তম ওভারে লিটনকে ফেরান সাইয়ুম আইয়ুব। লং অনে দুর্দান্ত ক্যাচ নেন আফিফ হোসেন ধ্রুব। ফেরার আগে ২৬ বলে ৩৫ রান করেন লিটন৷ ৭৮ রানে তৃতীয় উইকেট হারায় রংপুর। দুই ওভার পর কাইল মায়ার্সকেও হারায় তারা। ২৯ বলে ৩২ রান করা এই বাহাতিকে ফেরান ইথান ব্রুকস।

১৫ ওভার শেষে রংপুরের সংগ্রহ দাঁড়ায় ৪ উইকেট হারিয়ে ৮৬ রান। শেষ ৫ ওভারে প্রয়োজন ছিল ৪৯ রান। ১৬তম ওভারে তিন চার ও এক ছক্কা রের জয়ের পথ সহজ করেন মাহমুদউল্লাহ রিয়াদ। ওই ওভারে আসে ১৯ রান। পরের ওভারে আসে আরও ৯ রান। ১৮তম ওভারে ১৩ রান আসলে জয় প্রায় নিশ্চিত হয়ে যায় রংপুরের। পরের ওভারেই জয়ের বন্দরে পৌছে যায় তারা।

এর আগে শুরুতেই ব্যাকফুটে চলে যায় সিলেট। ৩৫ রানের মধ্যেই সাইম আইয়ুব (১১), অধিনায়ক মেহেদী হাসান মিরাজ (৪) ও রনি তালুকদারের (১৯) উইকেট উইকেট হারায় সিলেট। ভালো ফর্মে থাকা পারভেজ হোসেন ইমন ১৯ বলে ১৫ রান করে বোল্ড হলে ৬৩ রানে হারায় ৪ উইকেট। সেখান থেকে প্রতিরোধ গড়ে তোলেন আফিফ হোসেন ধ্রুব ও ইথান ব্রুকস। দুজনে মিলে গড়েন ৬৬ রানের জুটি। এই জুটিই দিয়েছে সিলেটকে লড়াকু পুঁজি।

৪টি চার ও এক ছক্কায় ৩১ বলে ৪৬ রান করে আফিফ আউট হলে ভাঙে জুটি। মোস্তাফিজ ভাঙেন জুটি। আগের ম্যাচের নায়ক আজমতউল্লাহ ওমরজাই পারেননি ভালো কিছু করতে। ৬ রান করে সাজঘরে ফেরেন ফাহিম আশরাফের বলে। একই ওভারে ৩০ বলে ৩২ রান করা ব্রুকসকেও ফেরান ফাহিম। ফলে ১৩৭ রানে সিলেটের পতন হয় ৭ উইকেটের।

খালেদ আহমেদ মোস্তাফিজের তৃতীয় শিকারে পরিণত হন ইনিংসের ১৯.৫ বলে। ১৪২ বলে ৮ উইকেট হারানো সিলেটের হয়ে শেষ বলে ২ রান নেন মোহাম্মদ আমির। এতে সিলেটের সংগ্রহ দাঁড়ায় ১৪৪।

রংপুরের হয়ে মোস্তাফিজ ও ফাহিম সমান ৩টি করে উইকেট পেয়েছেন। সমান একটি করে আলিস আল ইসলাম ও মৃত্যুঞ্জয়ের।

এসকেডি/এমআইএইচএস/

পাঠকপ্রিয় অনলাইন নিউজ পোর্টাল জাগোনিউজ২৪.কমে লিখতে পারেন আপনিও। লেখার বিষয় ফিচার, ভ্রমণ, লাইফস্টাইল, ক্যারিয়ার, তথ্যপ্রযুক্তি, ধর্ম, কৃষি ও প্রকৃতি। আজই আপনার লেখাটি পাঠিয়ে দিন [email protected] ঠিকানায়।