১২:১৭ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১০ জানুয়ারী ২০২৬, ২৬ পৌষ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

রজব মাসে রোজার বিধান

  • এডমিন
  • আপডেট সময়ঃ ১২:০২:৫১ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৮ জানুয়ারী ২০২৬
  • 5

রজব
মাসের
রোজা
নিয়ে
হাদিসের
কিতাবগুলোতে
দুই
ধরনের
বর্ণনা
পাওয়া
যায়:

সাইদ
ইবনে
জোবাইর
(রহ.)-এর
বর্ণনা
থেকে
জানা
যায়,
ইবনে
আব্বাস
(রা.)
বলেছেন,
নবীজি
(সা.)
রজব
মাসে
কখনো
এত
বেশি
রোজা
রাখতেন
যে
মনে
হতো
তিনি
আর
রোজা
ভাঙবেন
না।
আবার
কখনো
এত
বেশি
বিরতি
দিতেন
যে
মনে
হতো
তিনি
আর
রোজা
রাখবেন
না।

ইমাম
নববী
(রহ.)
এই
হাদিসের
ব্যাখ্যায়
বলেছেন,
এর
অর্থ
হলো,
রজব
মাসের
রোজার
ব্যাপারে
আলাদা
কোনো
বিশেষ
নির্দেশ
বা
নিষেধ
নেই।
এটি
অন্য
সাধারণ
মাসগুলোর
মতোই।


ছাড়া
দ্বিতীয়
খলিফা
হজরত
ওমর
(রা.)
তাদের
হাত
ধরে
টেনে
খাবারের
দস্তরখানে
বসিয়ে
দিতেন
যারা
কেবল
রজব
মাসকেই
রোজার
জন্য
নির্দিষ্ট
করে
নিত।
তিনি
বলতেন,
“এটি
এমন
এক
মাস
যাকে
জাহেলি
যুগে
সম্মান
করা
হতো।”
(ইবনে
তাইমিয়া,

মাজমুউল
ফাতাওয়া
,
২৫/২৯১)

ওমর
(রা.)-এর
উদ্দেশ্য
ছিল
মানুষকে
এটি
বোঝানো
যে,
রজব
মাসকে
যেন
কেউ
রমজানের
মতো
গুরুত্ব
না
দেয়।

ট্যাগঃ
জনপ্রিয় খবর

রজব মাসে রোজার বিধান

আপডেট সময়ঃ ১২:০২:৫১ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৮ জানুয়ারী ২০২৬

রজব
মাসের
রোজা
নিয়ে
হাদিসের
কিতাবগুলোতে
দুই
ধরনের
বর্ণনা
পাওয়া
যায়:

সাইদ
ইবনে
জোবাইর
(রহ.)-এর
বর্ণনা
থেকে
জানা
যায়,
ইবনে
আব্বাস
(রা.)
বলেছেন,
নবীজি
(সা.)
রজব
মাসে
কখনো
এত
বেশি
রোজা
রাখতেন
যে
মনে
হতো
তিনি
আর
রোজা
ভাঙবেন
না।
আবার
কখনো
এত
বেশি
বিরতি
দিতেন
যে
মনে
হতো
তিনি
আর
রোজা
রাখবেন
না।

ইমাম
নববী
(রহ.)
এই
হাদিসের
ব্যাখ্যায়
বলেছেন,
এর
অর্থ
হলো,
রজব
মাসের
রোজার
ব্যাপারে
আলাদা
কোনো
বিশেষ
নির্দেশ
বা
নিষেধ
নেই।
এটি
অন্য
সাধারণ
মাসগুলোর
মতোই।


ছাড়া
দ্বিতীয়
খলিফা
হজরত
ওমর
(রা.)
তাদের
হাত
ধরে
টেনে
খাবারের
দস্তরখানে
বসিয়ে
দিতেন
যারা
কেবল
রজব
মাসকেই
রোজার
জন্য
নির্দিষ্ট
করে
নিত।
তিনি
বলতেন,
“এটি
এমন
এক
মাস
যাকে
জাহেলি
যুগে
সম্মান
করা
হতো।”
(ইবনে
তাইমিয়া,

মাজমুউল
ফাতাওয়া
,
২৫/২৯১)

ওমর
(রা.)-এর
উদ্দেশ্য
ছিল
মানুষকে
এটি
বোঝানো
যে,
রজব
মাসকে
যেন
কেউ
রমজানের
মতো
গুরুত্ব
না
দেয়।