১০:১৪ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ১২ জানুয়ারী ২০২৬, ২৯ পৌষ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

যুক্তরাষ্ট্রের সম্ভাব্য হস্তক্ষেপ নিয়ে ইরানের হুঁশিয়ারি

  • এডমিন
  • আপডেট সময়ঃ ১২:০১:১৫ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ১২ জানুয়ারী ২০২৬
  • 4

‘দাঙ্গাবাজদের’
সমাজ
অস্থিতিশীল
করার
সুযোগ
দেওয়া
উচিত
নয়
বলে
মনে
করেন
ইরানের
প্রেসিডেন্ট
মাসুদ
পেজেশকিয়ান।
‘প্রতিবাদ
জনগণের
অধিকার’
উল্লেখ
করে
গতকাল
তিনি
বলেছেন,
‘জনগণকে
এটা
বিশ্বাস
করা
উচিত
যে
আমরা
(সরকার)
ন্যায়
প্রতিষ্ঠা
করতে
চাই।’

২০২২
সালের
পর
সবচেয়ে
বড়
সরকারবিরোধী
বিক্ষোভের
মুখে
পড়েছে
ইরান।
মূল্যস্ফীতি

আর্থিক
দুরবস্থার
প্রতিবাদে

বিক্ষোভ
শুরু
হলেও
দ্রুত
তা
রাজনৈতিক
রূপ
নেয়।
গত
২৮
ডিসেম্বর
শুরু
হওয়া
বিক্ষোভ
এরই
মধ্যে
দেশটির
বড়
অংশজুড়ে
ছড়িয়ে
পড়েছে।
বিক্ষোভকারীরা
বর্তমান
শাসনের
অবসান
দাবি
করছেন।
ইরানের
বিভিন্ন
শহরে
বিক্ষোভ
অব্যাহত
রয়েছে।

চলমান

বিক্ষোভকে
কেন্দ্র
করে
গত
কয়েক
দিনে
যুক্তরাষ্ট্রের
প্রেসিডেন্ট
ডোনাল্ড
ট্রাম্প
একাধিকবার
ইরানে
‘হস্তক্ষেপের’
হুমকি
দিয়েছেন।
ইরানি
নেতৃত্বকে
বিক্ষোভকারীদের
বিরুদ্ধে
শক্তি
প্রয়োগ
না
করার
বিষয়ে
সতর্ক
করে
দিয়েছেন
তিনি।
গত
শনিবারও
ট্রাম্প
বলেছেন,
যুক্তরাষ্ট্র
বিক্ষোভকারীদের
‘সহায়তা
দিতে
প্রস্তুত’।

এর
পরদিন
গতকাল
ইরানের
পার্লামেন্টে
স্পিকার
মোহাম্মদ
বাকের
কালিবাফ
যুক্তরাষ্ট্রকে
‘ভুল
হিসাব’
না
করার
বিষয়ে
হুঁশিয়ারি
দেন।
ইরানের
অভিজাত
বাহিনী
ইসলামিক
রেভল্যুশনারি
গার্ড
কোরের
(আইআরজিসি)
সাবেক
এই
কমান্ডার
বলেন,
‘স্পষ্ট
করে
বলে
দিতে
চাই,
ইরানে
হামলা
হলে
দখলকৃত
ভূখণ্ড
(ইসরায়েল)
এবং
যুক্তরাষ্ট্রের
সব
ঘাঁটি

জাহাজ
আমাদের
বৈধ
লক্ষ্য
হবে।’

ইরানি
কর্তৃপক্ষ
দেশটিতে
চলমান
অস্থিরতার
জন্য
যুক্তরাষ্ট্র

ইসরায়েলকে
দায়ী
করে
আসছে।

ট্যাগঃ
জনপ্রিয় খবর

যুক্তরাষ্ট্রের সম্ভাব্য হস্তক্ষেপ নিয়ে ইরানের হুঁশিয়ারি

আপডেট সময়ঃ ১২:০১:১৫ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ১২ জানুয়ারী ২০২৬

‘দাঙ্গাবাজদের’
সমাজ
অস্থিতিশীল
করার
সুযোগ
দেওয়া
উচিত
নয়
বলে
মনে
করেন
ইরানের
প্রেসিডেন্ট
মাসুদ
পেজেশকিয়ান।
‘প্রতিবাদ
জনগণের
অধিকার’
উল্লেখ
করে
গতকাল
তিনি
বলেছেন,
‘জনগণকে
এটা
বিশ্বাস
করা
উচিত
যে
আমরা
(সরকার)
ন্যায়
প্রতিষ্ঠা
করতে
চাই।’

২০২২
সালের
পর
সবচেয়ে
বড়
সরকারবিরোধী
বিক্ষোভের
মুখে
পড়েছে
ইরান।
মূল্যস্ফীতি

আর্থিক
দুরবস্থার
প্রতিবাদে

বিক্ষোভ
শুরু
হলেও
দ্রুত
তা
রাজনৈতিক
রূপ
নেয়।
গত
২৮
ডিসেম্বর
শুরু
হওয়া
বিক্ষোভ
এরই
মধ্যে
দেশটির
বড়
অংশজুড়ে
ছড়িয়ে
পড়েছে।
বিক্ষোভকারীরা
বর্তমান
শাসনের
অবসান
দাবি
করছেন।
ইরানের
বিভিন্ন
শহরে
বিক্ষোভ
অব্যাহত
রয়েছে।

চলমান

বিক্ষোভকে
কেন্দ্র
করে
গত
কয়েক
দিনে
যুক্তরাষ্ট্রের
প্রেসিডেন্ট
ডোনাল্ড
ট্রাম্প
একাধিকবার
ইরানে
‘হস্তক্ষেপের’
হুমকি
দিয়েছেন।
ইরানি
নেতৃত্বকে
বিক্ষোভকারীদের
বিরুদ্ধে
শক্তি
প্রয়োগ
না
করার
বিষয়ে
সতর্ক
করে
দিয়েছেন
তিনি।
গত
শনিবারও
ট্রাম্প
বলেছেন,
যুক্তরাষ্ট্র
বিক্ষোভকারীদের
‘সহায়তা
দিতে
প্রস্তুত’।

এর
পরদিন
গতকাল
ইরানের
পার্লামেন্টে
স্পিকার
মোহাম্মদ
বাকের
কালিবাফ
যুক্তরাষ্ট্রকে
‘ভুল
হিসাব’
না
করার
বিষয়ে
হুঁশিয়ারি
দেন।
ইরানের
অভিজাত
বাহিনী
ইসলামিক
রেভল্যুশনারি
গার্ড
কোরের
(আইআরজিসি)
সাবেক
এই
কমান্ডার
বলেন,
‘স্পষ্ট
করে
বলে
দিতে
চাই,
ইরানে
হামলা
হলে
দখলকৃত
ভূখণ্ড
(ইসরায়েল)
এবং
যুক্তরাষ্ট্রের
সব
ঘাঁটি

জাহাজ
আমাদের
বৈধ
লক্ষ্য
হবে।’

ইরানি
কর্তৃপক্ষ
দেশটিতে
চলমান
অস্থিরতার
জন্য
যুক্তরাষ্ট্র

ইসরায়েলকে
দায়ী
করে
আসছে।