পৃথিবীর
উন্নত
দেশগুলোতে
কাউকে
বিনা
বিচারে
দীর্ঘ
সময়
কারাবন্দী
রাখা
হয়
না।
উচ্চ
আদালতসমূহের
সর্বজনীন
বিধান
হচ্ছে,
‘এভরি
কাস্টডি
ডে
ইজ
আ
গুড
গ্রাউন্ড
ফর
বেইল’,
অর্থাৎ
প্রতিদিনের
কারারুদ্ধ
থাকাই
জামিনের
একটি
ভালো
কারণ
হিসেবে
বিবেচিত
হবে।
এ
দেশের
প্রায়
সব
পর্যায়ের
আদালতে
কিছু
প্রথা
চলমান।
হাজতবাসের
মেয়াদ
দীর্ঘ
না
হলে
জামিন
শুনানি
ও
জামিন
প্রদান
করা
হয়
না।
অর্থাৎ
মামলার
মেরিট
বা
গুণাগুণ
নয়,
প্রথাই
প্রাধান্য
পাচ্ছে।
জুলাইয়ের
মামলাগুলোতে
জামিন
না
দেওয়ার
ক্ষেত্রে
সব
আদালতই
কমবেশি
একই
নীতি
অনুসরণ
করেছে।
আগেও
গায়েবি
মামলায়
এ
ধরনের
বিড়ম্বনা
দেখা
গেছে।
রাষ্ট্রের
সর্বোচ্চ
আইন
কর্মকর্তারা
হাইকোর্ট
বিভাগের
একাধিক
আদালতে
উপস্থিত
হয়ে
বিভিন্ন
ধরনের,
বিশেষত
জুলাই
আন্দোলন–সংক্রান্ত
মামলাগুলোর
জামিন
শুনানি
ও
জামিন
প্রদান
করা
যাবে
না
মর্মে
চাপ
প্রয়োগ
করতে
দেখা
যায়।
অনেক
আদালত
এসব
জামিনের
আবেদন
গ্রহণই
করছেন
না।
এ
অবস্থা
আজকে
নতুন
নয়,
আগের
ধারাবাহিকতা।
এখন
প্রশ্ন
দাঁড়ায়,
ন্যায়বিচার
বা
আইনের
শাসন
বলতে
আমরা
কী
বুঝব?
অথবা
স্বাধীন
বিচারব্যবস্থা
কি
আদৌ
স্বাধীনভাবে
কাজ
করতে
পারছে?
বাংলাদেশের
সাবেক
প্রধান
বিচারপতি
খায়রুল
হকের
বিরুদ্ধে
হত্যা
মামলার
অভিযোগে
ম্যাজিস্ট্রেট
আদালত
কর্তৃক
রিমান্ডে
নেওয়ার
নজির
অভূতপূর্ব।
এ
মামলায়
খায়রুল
হকের
জামিন
শুনানিতে
হাইকোর্ট
বিভাগ
অপারগতা
প্রকাশ
করেন।
এটা
কি
স্বাধীন
বিচার
বিভাগ
ও
আইনের
শাসনের
বাস্তব
রূপ?
এডমিন 









