ওষুধ
চিকিৎসকের
পরামর্শ
অনুযায়ী
ব্যাথানাশক,
অ্যান্টি-ইনফ্ল্যামেটরি
ওষুধ
বা
প্রয়োজনে
সাপ্লিমেন্ট
(যেমন
ক্যালসিয়াম
ও
ভিটামিন
ডি)
নেওয়া
যেতে
পারে।
তবে
নিজে
নিজে
ওষুধ
সেবন
করা
উচিত
নয়।
কিছু
ক্ষেত্রে
জয়েন্টে
ইনজেকশন
বা
বিশেষ
চিকিৎসাও
প্রয়োজন
হতে
পারে।
খাদ্যাভ্যাস
খাদ্যাভ্যাস
অস্থিসন্ধির
স্বাস্থ্যের
ওপর
গুরুত্বপূর্ণ
প্রভাব
ফেলে।
ক্যালসিয়াম,
ভিটামিন
ডি,
প্রোটিন
ও
ওমেগা-৩
ফ্যাটি
অ্যাসিডসমৃদ্ধ
খাবার
যেমন
দুধ,
ডিম,
ছোট
মাছ,
শাকসবজি,
ফল
ও
বাদাম
নিয়মিত
খাওয়া
উচিত।
পর্যাপ্ত
পানি
পান
করলে
জয়েন্টের
লুব্রিকেশন
বজায়
থাকে।
অতিরিক্ত
ওজন
অস্থিসন্ধির
ওপর
চাপ
বাড়ায়।
তাই
ওজন
নিয়ন্ত্রণে
রাখা
চিকিৎসার
একটি
গুরুত্বপূর্ণ
অংশ।
-
এম
ইয়াছিন
আলী,
চেয়ারম্যান
ও
চিফ
কনসালট্যান্ট,
ঢাকা
সিটি
ফিজিওথেরাপি
হাসপাতাল,
ধানমন্ডি,
ঢাকা
এডমিন 









