ভিডিও
এবং
গণমাধ্যমে
প্রকাশিত
তথ্যের
বরাত
দিয়ে
বিজ্ঞপ্তিতে
এমএসএফ
বলছে,
ঢাকা
বিশ্ববিদ্যালয়
কেন্দ্রীয়
ছাত্র
সংসদের
(ডাকসু)
একজন
সদস্য
লাঠি
হাতে
দাঁড়িয়ে
একাধিক
কিশোর
ও
তরুণকে
সারিবদ্ধভাবে
শারীরিক
ও
মানসিকভাবে
অপমানজনক
শাস্তি
পালন
করতে
বাধ্য
করেন।
এটি
কোনোভাবেই
গ্রহণযোগ্য
নয়
এবং
এটি
সুস্পষ্ট
মানবাধিকার
লঙ্ঘনের
ঘটনা।
সংবিধানের
উদাহরণ
টেনে
এমএসএফ
বলছে,
কোনো
ব্যক্তি,
জনপ্রতিনিধি
বা
ছাত্রনেতার
আইন
নিজের
হাতে
তুলে
নেওয়ার
এখতিয়ার
নেই।
বাংলাদেশের
সংবিধানের
৩৫
অনুচ্ছেদ
অনুযায়ী,
কোনো
নাগরিককে
আইনসম্মত
বিচারপ্রক্রিয়া
ছাড়া
দণ্ড
দেওয়া
যাবে
না
এবং
কাউকে
নিষ্ঠুর,
অমানবিক
কিংবা
অবমাননাকর
আচরণের
শিকার
করা
সম্পূর্ণ
নিষিদ্ধ।
প্রকাশ্যে
কান
ধরিয়ে
ওঠবস
করানো
মধ্যযুগীয়
শাস্তিরই
একটি
রূপ,
যা
সংবিধান
ও
আন্তর্জাতিক
মানবাধিকার
মানদণ্ডের
সরাসরি
লঙ্ঘন।
এডমিন 



















