০৬:৫১ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ১৩ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ১ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

সরকারের শেষ সময়ে র‍্যাবের জন্য ১৬৩ গাড়ি কেনার সিদ্ধান্ত

  • এডমিন
  • আপডেট সময়ঃ ১২:০৩:২৭ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২৮ জানুয়ারী ২০২৬
  • 5

খোঁজ
নিয়ে
জানা
গেছে,
চলতি
২০২৫-২৬
অর্থবছরের
বাজেট
থেকে
এসব
গাড়ি
কেনার
খরচ
বহন
করা
হবে।
‘র‍্যাব
ফোর্সেসের
আভিযানিক
সক্ষমতা
বৃদ্ধি
(প্রথম
সংশোধিত)’
শীর্ষক
প্রকল্পের
আওতায়
কেনা
হবে
এসব
গাড়ি।
উন্মুক্ত
ক্রয়
পদ্ধতিতে
কেনার
কথা
থাকলেও
এখন
এগুলো
কেনা
হবে
সরাসরি
ক্রয়
পদ্ধতিতে।

কোনো
কিছু
সরাসরি
ক্রয়
পদ্ধতিতে
কিনতে
গেলে
অর্থনৈতিক
বিষয়-সংক্রান্ত
উপদেষ্টা
পরিষদ
কমিটির
নীতিগত
অনুমোদন
নেওয়া
বাধ্যতামূলক।
গতকাল
সেই
অনুমোদন
নেওয়া
হয়েছে।
এখন
বিষয়টি
উপস্থাপন
করা
হবে
সরকারি
ক্রয়-সংক্রান্ত
উপদেষ্টা
পরিষদ
কমিটির
বৈঠকে।

প্রকল্পটি
নেওয়া
হয়েছিল
বিগত
আওয়ামী
লীগ
সরকারের
সময়,
২০১৮
সালে।
তখন
প্রকল্প
মেয়াদে
ব্যয়
ধরা
হয়েছিল

হাজার
৩৪
কোটি
টাকা।
পরে
২০৭
কোটি
টাকা
কাটছাঁট
করে
২০২৬
সাল
পর্যন্ত
প্রকল্পের
মেয়াদ
বাড়ানো
হয়
এবং
সংশোধিত
ব্যয়
দাঁড়ায়
৮২৭
কোটি
টাকা।

প্রকল্পটির
আওতায়
মোট

হাজার
৫৭০টি
বিভিন্ন
ধরনের
যানবাহন
এবং
১৩১টি
সরঞ্জাম
কেনার
লক্ষ্যমাত্রা
রয়েছে।
ইতিমধ্যে
৮০৯টি
যানবাহন

১০১টি
সরঞ্জাম
কেনাও
হয়েছে।
স্বরাষ্ট্র
মন্ত্রণালয়
সূত্রে
জানা
গেছে,
প্রতিটি
জিপ
হবে

হাজার
৫০০
সিসির।
একেকটির
বাজারমূল্য
হতে
পারে
দেড়
কোটি
টাকার
মতো।
আর
পেট্রল
জিপের
বর্তমান
বাজারমূল্য
৬৪
লাখ
টাকা
এবং
মাইক্রোবাসের
বাজারমূল্য
৪৮
লাখ
টাকা।

ট্যাগঃ
জনপ্রিয় খবর

সরকারের শেষ সময়ে র‍্যাবের জন্য ১৬৩ গাড়ি কেনার সিদ্ধান্ত

আপডেট সময়ঃ ১২:০৩:২৭ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২৮ জানুয়ারী ২০২৬

খোঁজ
নিয়ে
জানা
গেছে,
চলতি
২০২৫-২৬
অর্থবছরের
বাজেট
থেকে
এসব
গাড়ি
কেনার
খরচ
বহন
করা
হবে।
‘র‍্যাব
ফোর্সেসের
আভিযানিক
সক্ষমতা
বৃদ্ধি
(প্রথম
সংশোধিত)’
শীর্ষক
প্রকল্পের
আওতায়
কেনা
হবে
এসব
গাড়ি।
উন্মুক্ত
ক্রয়
পদ্ধতিতে
কেনার
কথা
থাকলেও
এখন
এগুলো
কেনা
হবে
সরাসরি
ক্রয়
পদ্ধতিতে।

কোনো
কিছু
সরাসরি
ক্রয়
পদ্ধতিতে
কিনতে
গেলে
অর্থনৈতিক
বিষয়-সংক্রান্ত
উপদেষ্টা
পরিষদ
কমিটির
নীতিগত
অনুমোদন
নেওয়া
বাধ্যতামূলক।
গতকাল
সেই
অনুমোদন
নেওয়া
হয়েছে।
এখন
বিষয়টি
উপস্থাপন
করা
হবে
সরকারি
ক্রয়-সংক্রান্ত
উপদেষ্টা
পরিষদ
কমিটির
বৈঠকে।

প্রকল্পটি
নেওয়া
হয়েছিল
বিগত
আওয়ামী
লীগ
সরকারের
সময়,
২০১৮
সালে।
তখন
প্রকল্প
মেয়াদে
ব্যয়
ধরা
হয়েছিল

হাজার
৩৪
কোটি
টাকা।
পরে
২০৭
কোটি
টাকা
কাটছাঁট
করে
২০২৬
সাল
পর্যন্ত
প্রকল্পের
মেয়াদ
বাড়ানো
হয়
এবং
সংশোধিত
ব্যয়
দাঁড়ায়
৮২৭
কোটি
টাকা।

প্রকল্পটির
আওতায়
মোট

হাজার
৫৭০টি
বিভিন্ন
ধরনের
যানবাহন
এবং
১৩১টি
সরঞ্জাম
কেনার
লক্ষ্যমাত্রা
রয়েছে।
ইতিমধ্যে
৮০৯টি
যানবাহন

১০১টি
সরঞ্জাম
কেনাও
হয়েছে।
স্বরাষ্ট্র
মন্ত্রণালয়
সূত্রে
জানা
গেছে,
প্রতিটি
জিপ
হবে

হাজার
৫০০
সিসির।
একেকটির
বাজারমূল্য
হতে
পারে
দেড়
কোটি
টাকার
মতো।
আর
পেট্রল
জিপের
বর্তমান
বাজারমূল্য
৬৪
লাখ
টাকা
এবং
মাইক্রোবাসের
বাজারমূল্য
৪৮
লাখ
টাকা।