০৪:৫৮ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১২ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ২৯ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

ইসরায়েলি সেনাদের নিহতের ঘটনায় বাইডেন প্রশাসনকে দুষলেন নেতানিয়াহু

  • এডমিন
  • আপডেট সময়ঃ ১২:০৪:০৮ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৮ জানুয়ারী ২০২৬
  • 22

গাজায় যুদ্ধে মার্কিন সাবেক প্রেসিডেন্ট জো বাইডেনের আমলে আরোপিত অস্ত্র সরবরাহে নিষেধাজ্ঞার কারণে কিছু ইসরায়েলি সেনা প্রাণ হারিয়েছেন বলে মন্তব্য করেছেন বেঞ্জামিন নেতানিয়াহু।

তিনি দাবি করেন, ওই সময় অস্ত্র ও গোলাবারুদের ঘাটতি তৈরি হয়েছিল, যার ফলে সেনাদের জীবন ঝুঁকিতে পড়ে। তবে তিনি কতজন সেনা এ কারণে মারা গেছেন বা ঠিক কখন তা ঘটেছে, সে বিষয়ে কোনো নির্দিষ্ট তথ্য দেননি।

নেতানিয়াহু সরাসরি বাইডেন প্রশাসনের নাম উল্লেখ না করে বলেন, ডোনাল্ড ট্রাম্প প্রেসিডেন্ট হওয়ার পর এই নিষেধাজ্ঞা শেষ হয়।

তিনি আগেও বহুবার অভিযোগ করেছেন যে, ২০২৪ সালের জুনে বাইডেন প্রশাসন ইসরায়েলের কাছে অস্ত্র সরবরাহে বাধা দেয়। তবে বাইডেন দাবি করেছেন, গাজার রাফাহ শহরে ব্যবহারের আশঙ্কায় কেবল কিছু ভারী বোমার চালান আটকে রাখা হয়েছিল, পুরোপুরি অস্ত্র বন্ধ করা হয়নি।

নেতানিয়াহু বলেন, এই যুদ্ধে ইসরায়েলকে খুব বড় মূল্য দিতে হয়েছে, বিশেষ করে সেনাদের প্রাণহানির মাধ্যমে।

তিনি বলেন, যুদ্ধের সময় কিছু ক্ষতি স্বাভাবিক। কিন্তু একটি পর্যায়ে আমাদের কাছে পর্যাপ্ত গোলাবারুদ ছিল না, সেটাও মৃত্যুর একটি কারণ।

তিনি দাবি করেন, প্রয়োজনীয় গোলাবারুদ না থাকায় অনেক সেনা নিহত হয়েছেন এবং এর পেছনে অস্ত্র নিষেধাজ্ঞার ভূমিকা ছিল।

ভবিষ্যতে যেন এমন পরিস্থিতি না হয়, সে জন্য ইসরায়েলের নিজস্ব ও শক্তিশালী অস্ত্র শিল্প গড়ে তোলার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন বলে জানান নেতানিয়াহু।

তিনি বলেন, আগামী দশ বছরে যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক সহায়তার ওপর নির্ভরতা কমাতে চান তিনি।

তার লক্ষ্য, ইসরায়েল ও যুক্তরাষ্ট্রের অস্ত্র সম্পর্ককে সহায়তা থেকে অংশীদারিত্বে রূপান্তর করা, যেখানে যৌথ উৎপাদন ও গবেষণা থাকবে। এই অংশীদারিত্ব ভারত ও জার্মানির মতো দেশগুলোর সঙ্গেও হতে পারে বলে তিনি জানান।

নেতানিয়াহু বলেন, আমরা সর্বোচ্চ স্বাধীনতার জন্য শক্তিশালী দেশীয় অস্ত্র শিল্প গড়ে তুলছি, যাতে কখনো অস্ত্রের ঘাটতি না হয়।

সূত্র: দ্য টাইমস অব ইসরায়েল

এমএসএম

পাঠকপ্রিয় অনলাইন নিউজ পোর্টাল জাগোনিউজ২৪.কমে লিখতে পারেন আপনিও। লেখার বিষয় ফিচার, ভ্রমণ, লাইফস্টাইল, ক্যারিয়ার, তথ্যপ্রযুক্তি, ধর্ম, কৃষি ও প্রকৃতি। আজই আপনার লেখাটি পাঠিয়ে দিন [email protected] ঠিকানায়।

ট্যাগঃ
জনপ্রিয় খবর

টাঙ্গাইল-৮ আসনের স্বতন্ত্র প্রার্থীর দুই কর্মীকে জরিমানা

ইসরায়েলি সেনাদের নিহতের ঘটনায় বাইডেন প্রশাসনকে দুষলেন নেতানিয়াহু

আপডেট সময়ঃ ১২:০৪:০৮ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৮ জানুয়ারী ২০২৬

গাজায় যুদ্ধে মার্কিন সাবেক প্রেসিডেন্ট জো বাইডেনের আমলে আরোপিত অস্ত্র সরবরাহে নিষেধাজ্ঞার কারণে কিছু ইসরায়েলি সেনা প্রাণ হারিয়েছেন বলে মন্তব্য করেছেন বেঞ্জামিন নেতানিয়াহু।

তিনি দাবি করেন, ওই সময় অস্ত্র ও গোলাবারুদের ঘাটতি তৈরি হয়েছিল, যার ফলে সেনাদের জীবন ঝুঁকিতে পড়ে। তবে তিনি কতজন সেনা এ কারণে মারা গেছেন বা ঠিক কখন তা ঘটেছে, সে বিষয়ে কোনো নির্দিষ্ট তথ্য দেননি।

নেতানিয়াহু সরাসরি বাইডেন প্রশাসনের নাম উল্লেখ না করে বলেন, ডোনাল্ড ট্রাম্প প্রেসিডেন্ট হওয়ার পর এই নিষেধাজ্ঞা শেষ হয়।

তিনি আগেও বহুবার অভিযোগ করেছেন যে, ২০২৪ সালের জুনে বাইডেন প্রশাসন ইসরায়েলের কাছে অস্ত্র সরবরাহে বাধা দেয়। তবে বাইডেন দাবি করেছেন, গাজার রাফাহ শহরে ব্যবহারের আশঙ্কায় কেবল কিছু ভারী বোমার চালান আটকে রাখা হয়েছিল, পুরোপুরি অস্ত্র বন্ধ করা হয়নি।

নেতানিয়াহু বলেন, এই যুদ্ধে ইসরায়েলকে খুব বড় মূল্য দিতে হয়েছে, বিশেষ করে সেনাদের প্রাণহানির মাধ্যমে।

তিনি বলেন, যুদ্ধের সময় কিছু ক্ষতি স্বাভাবিক। কিন্তু একটি পর্যায়ে আমাদের কাছে পর্যাপ্ত গোলাবারুদ ছিল না, সেটাও মৃত্যুর একটি কারণ।

তিনি দাবি করেন, প্রয়োজনীয় গোলাবারুদ না থাকায় অনেক সেনা নিহত হয়েছেন এবং এর পেছনে অস্ত্র নিষেধাজ্ঞার ভূমিকা ছিল।

ভবিষ্যতে যেন এমন পরিস্থিতি না হয়, সে জন্য ইসরায়েলের নিজস্ব ও শক্তিশালী অস্ত্র শিল্প গড়ে তোলার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন বলে জানান নেতানিয়াহু।

তিনি বলেন, আগামী দশ বছরে যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক সহায়তার ওপর নির্ভরতা কমাতে চান তিনি।

তার লক্ষ্য, ইসরায়েল ও যুক্তরাষ্ট্রের অস্ত্র সম্পর্ককে সহায়তা থেকে অংশীদারিত্বে রূপান্তর করা, যেখানে যৌথ উৎপাদন ও গবেষণা থাকবে। এই অংশীদারিত্ব ভারত ও জার্মানির মতো দেশগুলোর সঙ্গেও হতে পারে বলে তিনি জানান।

নেতানিয়াহু বলেন, আমরা সর্বোচ্চ স্বাধীনতার জন্য শক্তিশালী দেশীয় অস্ত্র শিল্প গড়ে তুলছি, যাতে কখনো অস্ত্রের ঘাটতি না হয়।

সূত্র: দ্য টাইমস অব ইসরায়েল

এমএসএম

পাঠকপ্রিয় অনলাইন নিউজ পোর্টাল জাগোনিউজ২৪.কমে লিখতে পারেন আপনিও। লেখার বিষয় ফিচার, ভ্রমণ, লাইফস্টাইল, ক্যারিয়ার, তথ্যপ্রযুক্তি, ধর্ম, কৃষি ও প্রকৃতি। আজই আপনার লেখাটি পাঠিয়ে দিন [email protected] ঠিকানায়।