উপদেষ্টা
বলেন,
যেকোনো
দেশের
নাগরিককে
পাসপোর্ট
দেওয়া
যায়
এবং
এটার
উদাহরণ
প্রচুর
আছে
পৃথিবীতে।
অন্য
দেশের
নাগরিককেও
আপনি
পাসপোর্ট
দিতে
পারেন।
আমাদের
মূল
বিষয়
হলো,
এই
মানুষগুলো
মিয়ানমার
থেকে
এসেছে।
তারা
এথনিসিটি
নিয়ে
গবেষণা
করতেই
থাকুক,
সেটা
হলো
অন্য
জিনিস।
কিন্তু
বর্তমানে
এখানে
থাকা
১৩
লাখ
মানুষের
পূর্বপুরুষেরা
শত
শত
বছর
ধরে
সেখানে
বসবাস
করে
আসছিলেন।
কাজেই
তাদের
ফেরত
নিতে
হবে।
তৌহিদ
হোসেন
বলেন,
‘সারা
পৃথিবীই
স্বীকার
করে
যে
রোহিঙ্গারা
একটি
জনগোষ্ঠী,
যারা
মিয়ানমারের
আরাকানের
অধিবাসী।
আমাদের
সেই
দৃষ্টিভঙ্গি
থেকেই
বিষয়টি
মোকাবিলা
করতে
হবে।
ছোটখাটো
কারিগরি
ইস্যুর
কারণে
এটি
আটকে
থাকবে
না।
যদি
তাদের
ফেরত
পাঠানোর
মতো
পরিবেশ
সৃষ্টি
করা
যায়,
সেটার
জন্য
আমাদের
আরও
অনেক
কাজ
করতে
হবে।’
এডমিন 



















