ব্যুরোক্রেসি
(আমলাতন্ত্র)
আজ
বাংলাদেশের
সবচেয়ে
বড়
সমস্যা
উল্লেখ
করে
মোস্তফা
কামাল
বলেন,
‘এই
ব্যুরোক্রেসি
এখন
এমন
জায়গায়
পৌঁছেছে
যে
তারা
কার্যত
রেগুলেটর
নয়—তারা
রাজা
আর
আমরা
প্রজা।
তহসিলদার
থেকে
শুরু
করে
সচিব
পর্যন্ত
এই
মানসিকতা
বিস্তৃত।
আমাদের
সম্পদ
আছে,
মানুষ
আছে,
উদ্যোক্তারা
অত্যন্ত
অ্যাগ্রেসিভ
ও
উদ্যমী।
সমস্যা
একটাই—আমাদের
কাজ
করতে
দেওয়া
হয়
না।
এ
জন্য
আল্লাহর
ওয়াস্তে
অনুরোধ
করছি,
যাঁরাই
ক্ষমতায়
আসবেন,
ব্যুরোক্রেসিকে
নিয়ন্ত্রণে
আনুন,
আইন–কানুন
সংক্ষিপ্ত
ও
সহজ
করুন,
পারমিশনের
জট
কমান।’
ব্যবসায়ীদের
চলাফেরা
ও
মতপ্রকাশের
স্বাধীনতা
নিশ্চিত
করার
কথা
বলেন
বিসিআই
সভাপতি
আনোয়ার
উল
আলম
চৌধুরী
পারভেজ।
তিনি
বলেন,
‘আমরা
সবাই
এ
দেশের
নাগরিক।
আমরা
যেখানে
খুশি
যেতে
পারি,
কথা
বলতে
পারি,
মতপ্রকাশ
করতে
পারি।
কিন্তু
কেন
আমি
কোথায়
গেলাম,
কোথায়
গেলাম
না—এই
প্রশ্নে
আমাকে
প্রশ্নবিদ্ধ
করা
হবে,
এই
ভয়টা
কাজ
করে।
এটা
কোনো
স্বাধীনতার
লক্ষণ
হতে
পারে
না।
আমাকে
কথা
বলার
সুযোগ
দিতে
হবে।
এই
সুযোগ,
এই
স্বাধীনতা,
এই
নিরাপত্তা—আমরা
সবাই
আমাদের
রাজনীতিবিদদের
কাছ
থেকে
আশা
করি।
ব্যবসা
করতে
হলে
আগে
এই
স্বস্তিবোধ,
সুরক্ষা
ও
সম্মান
নিশ্চিত
করতে
হবে।’
নিট
পোশাক
মালিকদের
সংগঠন
বিকেএমইএর
সাবেক
সভাপতি
ফজলুল
হক
বলেন,
দেশে
সরকারি
সহায়তা
আছে,
কিন্তু
সেটি
বেশির
ভাগ
ক্ষেত্রেই
নিয়ন্ত্রণমূলক;
প্রতিযোগিতাবান্ধব
নয়।
যদি
সত্যিকার
অর্থেই
আমলাতান্ত্রিক
জটিলতা
বা
‘রেড
টেপ’
ভাঙা
যায়,
তাহলে
শুধু
গার্মেন্ট
খাত
নয়,
পুরো
শিল্প
খাত
অনেক
দূর
এগিয়ে
যাবে।
বাংলাদেশ
ওষুধশিল্প
সমিতির
মহাসচিব
মোহাম্মদ
জাকির
হোসেন
বলেন,
ব্যবসায়ীদের
জনগণের
শত্রু
নয়,
উন্নয়নের
অংশীদার
হিসেবে
দেখতে
হবে।
নীতিমালা
প্রণয়নে
ব্যবসায়ীদের
যুক্ত
করা
প্রয়োজন।
ওষুধশিল্পে
ব্যবসা
করতে
৪৭টি
লাইসেন্স
ও
নিয়মিত
নবায়ন
বড়
বাধা।
আমলাতান্ত্রিক
দুর্নীতি
ও
হয়রানির
কারণে
উদ্যোক্তারা
ক্ষতিগ্রস্ত
হচ্ছেন।
এডমিন 



















