চট্টগ্রাম
থেকে
প্রথম
আলোর
নিজস্ব
প্রতিবেদক
জানান,
নগরের
বিপণিবিতান,
মিমি
সুপারমার্কেট,
দেওয়ান
বাজার,
হাজারি
লেনসহ
বিভিন্ন
এলাকার
জুয়েলারি
দোকানে
গতকাল
বিকেলে
ঘুরে
ক্রেতা
দেখা
যায়নি।
অধিকাংশ
দোকানের
কর্মী
অলস
সময়
কাটাচ্ছিলেন।
তিন
মাস
ধরে
এমন
অবস্থা
চললে
বলে
জানান
ব্যবসায়ীরা।
সিইপিজেড
এলাকায়
প্রিয়তমা
জুয়েলার্সের
স্বত্বাধিকারী
মিথুন
ধর
বলেন,
বিত্তশালীরা
আগে
বিয়ের
অলংকার
তৈরি
করাতেন
পাঁচ
ভরির।
এখন
দু-তিন
ভরি
দিয়ে
সারছেন।
অন্যদিকে
নিম্নবিত্তদের
অধিকাংশই
নাকফুল
দিয়ে
সেরে
ফেলছেন।
সে
কারণে
ব্যবসা
লোকসানে
চলে
গেছে।
প্রথম
আলোর
সিলেট
প্রতিনিধি
জানান,
নগরের
জিন্দাবাজার
এলাকার
নেহার
মার্কেট
সোনা
ব্যবসায়ীদের
অন্যতম
একটি
বিপণিবিতান।
ওই
বিপণিবিতানে
গতকাল
বেলা
সাড়ে
১১টা
থেকে
এক
ঘণ্টা
অবস্থান
করে
ক্রেতাদের
দেখা
মেলেনি।
এ
সময়
দোকানের
কর্মীদের
অনেককে
পরিচ্ছন্নতা
কাজে
ব্যস্ত
থাকতে
দেখা
গেছে।
রনি
জুয়েলার্সের
স্বত্বাধিকারী
রনি
চক্রবর্তী
বলেন,
সকালে
এসে
দোকান
খোলেন,
আর
রাতে
দোকান
বন্ধ
করে
বাড়ি
ফেরেন।
প্রায়ই
দিনই
কোনো
কেনাবেচা
থাকে
না।
যার
কারণে
দোকানভাড়া
ও
কর্মীদের
বেতন
দিতে
হিমশিম
খাচ্ছেন।
সিলেটের
মহাজনপট্টির
সোনার
ব্যবসায়ী
বিজয়
কর্মকার
বলেন,
সোনার
দাম
বেড়ে
যাওয়ায়
গয়নার
কারিগরেরা
বেকায়দায়
রয়েছেন।
প্রায়
এক
মাস
ধরে
তাঁদের
কাছে
নতুন
কোনো
ক্রয়াদেশ
নেই
বললেই
চলে।
সোনার
পাশাপাশি
রুপার
দামও
বেড়ে
যাওয়ায়
পরিস্থিতি
আরও
জটিল
আকার
ধারণ
করেছে।
এডমিন 














