১১:৩৩ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১২ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ৩০ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

জাহেলি আভিজাত্য নির্মূল করতে কোরআনের ৭ সমাধান

  • এডমিন
  • আপডেট সময়ঃ ১২:০৩:৫৯ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ৩০ জানুয়ারী ২০২৬
  • 12

সবশেষে,
কোরআন
সাম্প্রদায়িকতার
শিকড়
উৎপাটন
করেছে
মানুষের
আদি
পরিচয়
মনে
করিয়ে
দিয়ে,
“হে
মানুষ,
আমি
তোমাদের
সৃষ্টি
করেছি
এক
পুরুষ

এক
নারী
থেকে
এবং
তোমাদের
বিভক্ত
করেছি
বিভিন্ন
জাতি

গোত্রে,
যাতে
তোমরা
একে
অপরের
সাথে
পরিচিত
হতে
পারো।
তোমাদের
মধ্যে
আল্লাহর
কাছে
সেই
অধিক
মর্যাদাসম্পন্ন
যে
তোমাদের
মধ্যে
অধিক
মুত্তাকি
(খোদাভীরু)।”
(সুরা
হুজুরাত,
আয়াত:
১৩)

এই
একটি
আয়াত
বিশ্বজুড়ে
প্রচলিত
সকল
বর্ণবাদ

বংশীয়
শ্রেষ্ঠত্বের
অহংকারকে
ধূলিসাৎ
করে
দিয়েছে।

আল্লাহর
রাসুল
(সা.)
বিদায়
হজের
ভাষণেও
এই
মূলনীতি
ঘোষণা
করে
বলেছিলেন,
“হে
লোকসকল,
নিশ্চয়ই
তোমাদের
রব
একজন,
তোমাদের
পিতাও
একজন।
কোনো
আরবের
ওপর
অনারবের,
কিংবা
অনারবের
ওপর
আরবের
কোনো
শ্রেষ্ঠত্ব
নেই;
নেই
কালোর
ওপর
সাদার
কিংবা
সাদার
ওপর
কালোর
কোনো
মর্যাদা—কেবল
তাকওয়া
(আল্লাহভীতি)
ছাড়া।”
(মুসনাদে
আহমাদ,
হাদিস:
২৩৪৮৯)

কোরআনের
এই
সমাধানগুলো
কেবল
তাত্ত্বিক
আলোচনা
নয়,
বরং
একটি
সুশৃঙ্খল
রাষ্ট্র

সমাজ
গঠনের
অপরিহার্য
ভিত্তি।

যখন
একটি
জাতি
তার
শ্রেষ্ঠত্বের
মানদণ্ড
হিসেবে
বংশ
বা
বর্ণকে
বাদ
দিয়ে
‘তাকওয়া’
বা
নৈতিকতাকে
গ্রহণ
করে,
তখন
সেখানে
সাম্প্রদায়িক
ফেতনার
কোনো
স্থান
থাকে
না।
আধুনিক
বিশ্বের
অস্থিরতা
থেকে
মুক্তি
পেতে
কোরআনের
এই
কালজয়ী
সমাজতাত্ত্বিক
দর্শন
চর্চার
কোনো
বিকল্প
নেই।

ট্যাগঃ
জনপ্রিয় খবর

ভোটকেন্দ্রে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টির ঘটনায় চারজনের ২ বছর করে কারাদণ্ড

জাহেলি আভিজাত্য নির্মূল করতে কোরআনের ৭ সমাধান

আপডেট সময়ঃ ১২:০৩:৫৯ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ৩০ জানুয়ারী ২০২৬

সবশেষে,
কোরআন
সাম্প্রদায়িকতার
শিকড়
উৎপাটন
করেছে
মানুষের
আদি
পরিচয়
মনে
করিয়ে
দিয়ে,
“হে
মানুষ,
আমি
তোমাদের
সৃষ্টি
করেছি
এক
পুরুষ

এক
নারী
থেকে
এবং
তোমাদের
বিভক্ত
করেছি
বিভিন্ন
জাতি

গোত্রে,
যাতে
তোমরা
একে
অপরের
সাথে
পরিচিত
হতে
পারো।
তোমাদের
মধ্যে
আল্লাহর
কাছে
সেই
অধিক
মর্যাদাসম্পন্ন
যে
তোমাদের
মধ্যে
অধিক
মুত্তাকি
(খোদাভীরু)।”
(সুরা
হুজুরাত,
আয়াত:
১৩)

এই
একটি
আয়াত
বিশ্বজুড়ে
প্রচলিত
সকল
বর্ণবাদ

বংশীয়
শ্রেষ্ঠত্বের
অহংকারকে
ধূলিসাৎ
করে
দিয়েছে।

আল্লাহর
রাসুল
(সা.)
বিদায়
হজের
ভাষণেও
এই
মূলনীতি
ঘোষণা
করে
বলেছিলেন,
“হে
লোকসকল,
নিশ্চয়ই
তোমাদের
রব
একজন,
তোমাদের
পিতাও
একজন।
কোনো
আরবের
ওপর
অনারবের,
কিংবা
অনারবের
ওপর
আরবের
কোনো
শ্রেষ্ঠত্ব
নেই;
নেই
কালোর
ওপর
সাদার
কিংবা
সাদার
ওপর
কালোর
কোনো
মর্যাদা—কেবল
তাকওয়া
(আল্লাহভীতি)
ছাড়া।”
(মুসনাদে
আহমাদ,
হাদিস:
২৩৪৮৯)

কোরআনের
এই
সমাধানগুলো
কেবল
তাত্ত্বিক
আলোচনা
নয়,
বরং
একটি
সুশৃঙ্খল
রাষ্ট্র

সমাজ
গঠনের
অপরিহার্য
ভিত্তি।

যখন
একটি
জাতি
তার
শ্রেষ্ঠত্বের
মানদণ্ড
হিসেবে
বংশ
বা
বর্ণকে
বাদ
দিয়ে
‘তাকওয়া’
বা
নৈতিকতাকে
গ্রহণ
করে,
তখন
সেখানে
সাম্প্রদায়িক
ফেতনার
কোনো
স্থান
থাকে
না।
আধুনিক
বিশ্বের
অস্থিরতা
থেকে
মুক্তি
পেতে
কোরআনের
এই
কালজয়ী
সমাজতাত্ত্বিক
দর্শন
চর্চার
কোনো
বিকল্প
নেই।