প্রাণঘাতী
দমন-পীড়ন
গত
২৮
ডিসেম্বর
ইরানে
জীবনযাত্রার
ব্যয়
বৃদ্ধির
প্রতিবাদে
দেশজুড়ে
বিক্ষোভ
শুরু
হয়,
যা
পরবর্তী
সময়ে
সরকারবিরোধী
আন্দোলনে
রূপ
নেয়
এবং
৮
ও
৯
জানুয়ারি
তা
চরম
আকার
ধারণ
করে।
ইরান
কর্তৃপক্ষ
জানিয়েছে,
বিক্ষোভটি
শান্তিপূর্ণভাবে
শুরু
হলেও
পরে
তা
‘দাঙ্গায়’
রূপ
নেয়
এবং
সেখানে
হত্যাকাণ্ড
ও
ভাঙচুরের
ঘটনা
ঘটে।
এই
অস্থিরতা
তৈরির
পেছনে
যুক্তরাষ্ট্র
ও
ইসরায়েলের
সন্ত্রাসী
কার্যক্রমকে
দায়ী
করেছে
তারা।
সরকারি
হিসাবে
নিহতের
সংখ্যা
৩
হাজার
১১৭।
তবে
যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক
হিউম্যান
রাইটস
অ্যাকটিভিস্ট
নিউজ
এজেন্সি
জানিয়েছে,
তারা
৬
হাজার
৫৬৩
জনের
মৃত্যুর
খবর
নিশ্চিত
করেছে,
যার
মধ্যে
৬
হাজার
১৭০
জন
বিক্ষোভকারী
এবং
১২৪
জন
শিশু
রয়েছে।
বর্তমানে
ইরানে
বিক্ষোভ
থিতিয়ে
এসেছে।
ইরানের
প্রেসিডেন্ট
মাসুদ
পেজেশকিয়ান
গতকাল
বিক্ষোভ-পরবর্তী
জনদুর্ভোগের
দিকে
নজর
দিতে
সরকারের
প্রতি
আহ্বান
জানিয়েছেন।
রাষ্ট্রীয়
টেলিভিশনে
প্রচারিত
এক
ভাষণে
তিনি
বলেন,
‘আমাদের
জনগণের
সঙ্গে
এবং
জনগণের
জন্য
কাজ
করতে
হবে
এবং
যতটা
সম্ভব
মানুষের
সেবা
করতে
হবে।
তিনি
আরও
বলেন,
সরকার
যদি
ন্যায়বিচার
ও
অধিকারের
ভিত্তিতে
কাজ
করে,
তবে
কোনো
শক্তিই
তাকে
পঙ্গু
করতে
পারবে
না।
একই
দিন
ইরানের
সর্বোচ্চ
নেতা
আয়াতুল্লাহ
আলী
খামেনি
দক্ষিণ
তেহরানে
ইসলামি
প্রজাতন্ত্রের
প্রতিষ্ঠাতা
রুহুল্লাহ
খোমেনির
মাজার
জিয়ারত
করেন।
এডমিন 



















