এ
বিষয়ে
তাকাইচি
বলেছেন,
চলতি
বছর
দুই
দেশের
পররাষ্ট্র
ও
প্রতিরক্ষামন্ত্রীদের
একটি
বৈঠক
আয়োজনের
বিষয়ে
সম্মত
হয়েছেন
তাঁরা।
ব্রিটিশ
প্রধানমন্ত্রীর
সঙ্গে
নৈশভোজে
স্বাধীন
ও
উন্মুক্ত
ইন্দো-প্যাসিফিক
গড়ে
তোলা,
মধ্যপ্রাচ্য
পরিস্থিতি
এবং
ইউক্রেনের
পরিস্থিতি
নিয়ে
আলোচনা
হওয়ার
কথা
রয়েছে।
চার
দিনের
চীন
সফর
শেষে
গতকাল
এক
দিনের
সফরে
টোকিও
পৌঁছান
স্টারমার।
এর
আগে
ফ্রান্স,
কানাডা
ও
ফিনল্যান্ডের
নেতারা
বেইজিং
সফর
করেন।
মূলত
ডোনাল্ড
ট্রাম্পের
গ্রিনল্যান্ড
দখলে
নেওয়া
ইচ্ছা
ও
এর
বিরোধিতাকারী
ন্যাটো
মিত্রদের
বিরুদ্ধে
তাঁর
শুল্ক
আরোপের
হুমকিতে
হতাশ
হয়ে
তারা
চীনের
দিকে
ঝুঁকছেন।
সর্বশেষ
স্টারমারের
চীন
সফর
নিয়ে
বৃহস্পতিবার
ট্রাম্প
সতর্ক
করে
বলেন,
চীনের
সঙ্গে
যুক্তরাজ্যের
সম্পর্ক
রাখা
অত্যন্ত
বিপজ্জনক।
এডমিন 



















