মির্জা
ফখরুল
বলেন,
‘প্রশাসন,
পুলিশ,
মিলিটারি—তারা
একটা
নিরপেক্ষ
ভোট
চায়,
সবাই
চায়।
তাহলে
আমাদের
একটা
সুযোগ
আসছে।
এই
সুযোগে
আমরা
সঠিকভাবে
প্রত্যেকেই
আমরা
ভোটটা
দিতে
পারব।
এবার
কিন্তু
একটা
নতুন
ব্যাপার
আছে,
এবার
নৌকাটা
নাই।
নৌকাটা
পালায়
গেছে।
ওই
দিল্লিতে
গিয়ে
বসে
আছে।
তাদের
বহুবার
বলছিলাম,
ভাই
এত
খারাপ
কাজ
করিয়েন
না,
তাহলে
পালাবারও
পথ
পাবেন
না।
ঠিকই
হেলিকপ্টারে
চড়ে
পালায়
গেল।
আর
মাঝখান
থেকে
ওদের
যত
লোকজন
ছিল,
কর্মী
ছিল,
নেতা
ছিল
সবই
বিপদে
পড়ল।
এমন
নেতা
আমরা
চাই
না,
যে
কর্মীকে
বিপদে
ফেলে
পালায়
যায়।’
দীর্ঘ
রাজনৈতিক
জীবনে
কখনো
অনিয়ম,
দুর্নীতির
পথে
হাঁটেননি
উল্লেখ
করে
মির্জা
ফখরুল
বলেন,
‘আমার
বয়স
হইছে
আটাত্তর,
চুলগুলা
সব
পাকে
গেইছে।
৩৫
বছর
ধরে
আপনাদের
সঙ্গে
আছি।
ভোটে
হেরেছি,
কিন্তু
চলে
যাই
নাই।
তাঁকে
কি
আপনি
পছন্দ
করবেন,
যাঁকে
এর
আগে
দেখেনই
নাই।
এখানে
একটা
লোক
কি
বলতে
পারবেন
যে
মির্জা
আলমগীর
একটা
কাজ
করে
পাঁচটা
টাকা
খাইছে,
উল্টো
আমরা
বাবার
সম্পত্তি
বেচে
রাজনীতি
করছি।
বুক
ফুলিয়ে
বলতে
পারি
যে
আমি
চুরি
করি
নাই,
চুরি
করি
নাই।
এ
কারণে
বুকটা
টান
করে
আপনাদের
সামনে
আসছি।
এই
কারণে
আপনাদের
কাছে
আমার
একটা
দাবিও
আছে।
আমরা
আপনাদের
কাছে
একটা
ভোট
চাইতে
পারি
না?
পারি
কি
না?’
এডমিন 



















