দুটি
ভিডিওতেই
বক্তব্য
বিকৃত
বা
প্রযুক্তিগতভাবে
কোনো
পরিবর্তন
(ডিপফেক)
করা
হয়নি।
তবে
মূল
ভিডিওর
পূর্ণ
বক্তব্যের
এমন
অংশ
বেছে
নেওয়া
হয়েছে,
যেন
বক্তব্যের
অর্থ
ভিন্নভাবে
উপস্থাপিত
হয়।
বিশেষজ্ঞরা
বলছেন,
কোনো
বক্তব্য
বাস্তব
হলেও
তা
ভিন্ন
প্রেক্ষাপটে
খণ্ডিতভাবে
উপস্থাপন
করার
কৌশল
হলো
‘ডিকনটেক্সচুয়ালাইজেশন’
বা
প্রেক্ষাপট
বিচ্ছিন্নকরণ।
এতে
বক্তব্যের
অর্থ
ও
উদ্দেশ্য
বদলে
যায়।
নির্বাচনের
আগে
এ
ধরনের
ভিডিও
ছড়ানোয়
শুধু
প্রার্থীদের
ভাবমূর্তিই
ক্ষুণ্ণ
হচ্ছে
না,
একই
সঙ্গে
ভোটারদের
সঙ্গেও
প্রতারণা
করা
হচ্ছে
বলে
মনে
করেন
ইউনিভার্সিটি
অব
লিবারেল
আর্টসের
গণমাধ্যম
অধ্যয়ন
ও
সাংবাদিকতা
বিভাগের
অধ্যাপক
সুমন
রহমান।
তিনি
বলেন,
‘স্বাধীনভাবে
ভোট
দান
করাটা
একজন
ভোটারের
অধিকার।
আমি
ভালোভাবে
জেনে
ভোট
দেব।
আপনি
যখন
আমাকে
ভুল
তথ্য
দিচ্ছেন,
তখন
আমি
একজন
প্রার্থীকে
সেই
ভিত্তিতে
খারাপ
জানলাম।
তখন
এটা
আমার
ভোটকে
প্রভাবিত
করবে।’
এডমিন 














