আর্টিকেল
নাইনটিন
বলেছে,
খসড়া
অধ্যাদেশের
কাঠামো,
কমিশনারদের
দায়িত্ব
এবং
এর
প্রশাসনিক
ও
আর্থিক
ব্যবস্থাপনা—সব
দিক
থেকে
গণমাধ্যম
কমিশনটিকে
সরাসরি
সরকারি
নিয়ন্ত্রণে
রাখার
প্রস্তাব
করা
হয়েছে।
আর
এতে
আমলাতন্ত্রের
প্রভাব
বা
কর্তৃত্ব
হবে
ব্যাপক।
এ
ধরনের
কাঠামো
সংস্থাটিকে
রাজনৈতিক
হস্তক্ষেপের
ঝুঁকিতে
ফেলবে।
এ
ছাড়া
আন্তর্জাতিক
মানবাধিকারের
যে
মানদণ্ড,
এতে
তার
অনেক
ঘাটতি
রয়েছে।
কাঠামোগত
স্বাধীনতার
প্রশ্ন
ছাড়াও
অধ্যাদেশে
কিছু
মারাত্মক
ঘাটতি
রয়েছে
বলে
মনে
করে
আর্টিকেল
নাইনটিন।
বিশেষভাবে
‘সাংবাদিক’-এর
সংজ্ঞা
থেকে
ফ্রিল্যান্স
সাংবাদিকদের
বাদ
দেওয়ার
বিষয়টি
তুলে
ধরেছে
তারা।
সংস্থাটির
বিবৃতিতে
বলা
হয়েছে,
এর
ফলে
গণমাধ্যম
অঙ্গনে
কাজ
করা
একটি
বড়
অংশ
আইনি
সুরক্ষা,
স্বীকৃতি
ও
নিরাপত্তার
সুযোগ
থেকে
বঞ্চিত
হবে।
এতে
নাজুক
গণমাধ্যম
পরিবেশ
আরও
নাজুক
হতে
পারে।
এডমিন 














