০৯:২৭ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ১০ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ২৮ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

জামাতে নফল নামাজ: কখন পড়া যাবে, কখন নয়

  • এডমিন
  • আপডেট সময়ঃ ১২:০৩:৫১ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ১০ ফেব্রুয়ারী ২০২৬
  • 2

শরিয়তে
এমন
কিছু
নফল
বা
সুন্নাত
নামাজ
রয়েছে,
যা
জামাতে
পড়ার
নির্দেশ
দেওয়া
হয়েছে
এবং
আল্লাহর
রাসুল
(সা.)

তাঁর
সাহাবিগণ
নিয়মিত
তা
জামাতে
আদায়
করেছেন।
এই
নামাজগুলো
হলো:

১.

ঈদের
নামাজ:

যদিও
এর
বিধান
নিয়ে
ফকিহদের
মাঝে
মতভেদ
আছে
(ওয়াজিব
নাকি
সুন্নাহ),
তবে
এটি
জামাতে
আদায়
করা
আল্লাহর
রাসুলের
সর্বদা
পালনীয়
সুন্নত।
(সহিহ
মুসলিম,
হাদিস:
৮৮৯)

২.

তারাবিহ:

রমজান
মাসে
জামাতের
সঙ্গে
তারাবিহ
পড়া
সুন্নতে
মুয়াক্কাদা।
আল্লাহর
রাসুল
(সা.)
কয়েক
রাত
সাহাবিদের
নিয়ে
জামাতে
এই
নামাজ
পড়েছেন
এবং
পরবর্তীকালে
ওমর
(রা.)-এর
যুগে
এটি
পুনরায়
জামাতে
সুসংগঠিত
হয়।
(সহিহ
মুসলিম,
হাদিস:
৭৬১)

৩.

সূর্যগ্রহণের
নামাজ:

সূর্যগ্রহণের
সময়
আল্লাহর
রাসুল
(সা.)
সাহাবিদের
নিয়ে
দীর্ঘ
জামাতে
নামাজ
পড়েছেন
বলে
একাধিক
বিশুদ্ধ
হাদিস
রয়েছে।
(সহিহ
বুখারি,
হাদিস:
১০৬৪)

৪.

বৃষ্টির
নামাজ:

অনাবৃষ্টির
সময়
ময়দানে
গিয়ে
জামাতে
দুই
রাকাত
নামাজ
আদায়
করা
সুন্নত।
(সহিহ
মুসলিম,
হাদিস:
৮৯৪)

ট্যাগঃ
জনপ্রিয় খবর

জামাতে নফল নামাজ: কখন পড়া যাবে, কখন নয়

আপডেট সময়ঃ ১২:০৩:৫১ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ১০ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

শরিয়তে
এমন
কিছু
নফল
বা
সুন্নাত
নামাজ
রয়েছে,
যা
জামাতে
পড়ার
নির্দেশ
দেওয়া
হয়েছে
এবং
আল্লাহর
রাসুল
(সা.)

তাঁর
সাহাবিগণ
নিয়মিত
তা
জামাতে
আদায়
করেছেন।
এই
নামাজগুলো
হলো:

১.

ঈদের
নামাজ:

যদিও
এর
বিধান
নিয়ে
ফকিহদের
মাঝে
মতভেদ
আছে
(ওয়াজিব
নাকি
সুন্নাহ),
তবে
এটি
জামাতে
আদায়
করা
আল্লাহর
রাসুলের
সর্বদা
পালনীয়
সুন্নত।
(সহিহ
মুসলিম,
হাদিস:
৮৮৯)

২.

তারাবিহ:

রমজান
মাসে
জামাতের
সঙ্গে
তারাবিহ
পড়া
সুন্নতে
মুয়াক্কাদা।
আল্লাহর
রাসুল
(সা.)
কয়েক
রাত
সাহাবিদের
নিয়ে
জামাতে
এই
নামাজ
পড়েছেন
এবং
পরবর্তীকালে
ওমর
(রা.)-এর
যুগে
এটি
পুনরায়
জামাতে
সুসংগঠিত
হয়।
(সহিহ
মুসলিম,
হাদিস:
৭৬১)

৩.

সূর্যগ্রহণের
নামাজ:

সূর্যগ্রহণের
সময়
আল্লাহর
রাসুল
(সা.)
সাহাবিদের
নিয়ে
দীর্ঘ
জামাতে
নামাজ
পড়েছেন
বলে
একাধিক
বিশুদ্ধ
হাদিস
রয়েছে।
(সহিহ
বুখারি,
হাদিস:
১০৬৪)

৪.

বৃষ্টির
নামাজ:

অনাবৃষ্টির
সময়
ময়দানে
গিয়ে
জামাতে
দুই
রাকাত
নামাজ
আদায়
করা
সুন্নত।
(সহিহ
মুসলিম,
হাদিস:
৮৯৪)