০৯:১৮ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১১ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ২৯ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

গণতন্ত্রের গভীর সমস্যাকে সামনে এনেছে বাংলাদেশ

  • এডমিন
  • আপডেট সময়ঃ ১২:০৩:৪০ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১১ ফেব্রুয়ারী ২০২৬
  • 3

সংকট
কাটিয়ে
ওঠার
সময়
আসার
বদলে
শেখ
হাসিনার
পতনের
পর
থেকে
চলছে
ক্রমাগত
সহিংসতা,
আমলাতান্ত্রিক

শিল্প
খাতে
ধর্মঘট,
বিঘ্ন
সৃষ্টি
করে,
এমন
প্রতিবাদ–বিক্ষোভ
এবং
রাজনৈতিক
অনিশ্চয়তা।
এই
অভিজ্ঞতা
একটি
কঠিন
সত্য
সামনে
এনেছে।
এই
সত্যের
প্রভাব
উন্নয়নশীল
বিশ্ব
থেকে
শুরু
করে
প্রেসিডেন্ট
ডোনাল্ড
ট্রাম্পের
যুক্তরাষ্ট্র
পর্যন্ত
বিস্তৃত।
এই
সত্যিটা
হলো—যেসব
রাষ্ট্রীয়
প্রতিষ্ঠানের
ওপর
গণতন্ত্র
নির্ভর
করে,
সেগুলো
যদি
ভেতর
থেকে
অন্তঃসারশূন্য
হয়ে
যায়,
তবে
গণতান্ত্রিক
পুনর্জাগরণ
অধরাই
থেকে
যায়।
বাংলাদেশ
এখন
এর
একটি
উদাহরণে
পরিণত
হয়েছে।

নব্বইয়ের
দশকের
শুরু
থেকে
দেশের
রাজনীতি
আবর্তিত
হয়েছে
শেখ
হাসিনার
নেতৃত্বাধীন
আওয়ামী
লীগ
এবং
খালেদা
জিয়ার
নেতৃত্বাধীন
বিএনপির
তীব্র
প্রতিদ্বন্দ্বিতাকে
কেন্দ্র
করে।
মতাদর্শ

নীতিগতভাবে
সামান্য
পার্থক্য
থাকা
সত্ত্বেও
এই
দুই
নেত্রী
এবং
তাঁদের
দল
বছরের
পর
বছর
ধরে
নির্বাচনে
তিক্ত
লড়াইয়ে
লিপ্ত
ছিলেন।

তবু
একসময়
ক্ষমতার
হাতবদল
মোটামুটি
শান্তিপূর্ণভাবে
হতো।

জন্য
নির্দলীয়
তত্ত্বাবধায়ক
সরকারকে
ধন্যবাদ
দিতেই
হয়।
এই
সরকার
সাময়িক
সময়ের
জন্য
দায়িত্ব
গ্রহণ
করে
নির্বাচন
পরিচালনা
করত
এবং
এক
সরকারের
কাছ
থেকে
অন্য
সরকারের
কাছে
ক্ষমতা
হস্তান্তরের
বিষয়টি
তদারক
করত।
শেখ
হাসিনার
ক্রমবর্ধমান
কর্তৃত্ববাদী
শাসনের
অধীনে
২০১১
সালে
এই
ব্যবস্থা
বাতিল
করা
হয়।
এর
মধ্য
দিয়ে
নির্বাচনী
অনিয়ম
এবং
অবৈধ
নির্বাচনের
এক
যুগের
শুরু
হয়েছিল।
স্বজনপ্রীতি

লুটপাটতন্ত্র
গভীর
হয়েছিল।
বিরোধীদের
ভয়ভীতি
দেখানোর
জন্য
আদালত,
পুলিশ

অন্যান্য
রাষ্ট্রীয়
সংস্থাকে
ব্যবহার
করেছিল
তাঁর
সরকার।

ট্যাগঃ
জনপ্রিয় খবর

সেনাপ্রধানের সঙ্গে কমনওয়েলথ পর্যবেক্ষক প্রতিনিধিদলের সাক্ষাৎ

গণতন্ত্রের গভীর সমস্যাকে সামনে এনেছে বাংলাদেশ

আপডেট সময়ঃ ১২:০৩:৪০ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১১ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

সংকট
কাটিয়ে
ওঠার
সময়
আসার
বদলে
শেখ
হাসিনার
পতনের
পর
থেকে
চলছে
ক্রমাগত
সহিংসতা,
আমলাতান্ত্রিক

শিল্প
খাতে
ধর্মঘট,
বিঘ্ন
সৃষ্টি
করে,
এমন
প্রতিবাদ–বিক্ষোভ
এবং
রাজনৈতিক
অনিশ্চয়তা।
এই
অভিজ্ঞতা
একটি
কঠিন
সত্য
সামনে
এনেছে।
এই
সত্যের
প্রভাব
উন্নয়নশীল
বিশ্ব
থেকে
শুরু
করে
প্রেসিডেন্ট
ডোনাল্ড
ট্রাম্পের
যুক্তরাষ্ট্র
পর্যন্ত
বিস্তৃত।
এই
সত্যিটা
হলো—যেসব
রাষ্ট্রীয়
প্রতিষ্ঠানের
ওপর
গণতন্ত্র
নির্ভর
করে,
সেগুলো
যদি
ভেতর
থেকে
অন্তঃসারশূন্য
হয়ে
যায়,
তবে
গণতান্ত্রিক
পুনর্জাগরণ
অধরাই
থেকে
যায়।
বাংলাদেশ
এখন
এর
একটি
উদাহরণে
পরিণত
হয়েছে।

নব্বইয়ের
দশকের
শুরু
থেকে
দেশের
রাজনীতি
আবর্তিত
হয়েছে
শেখ
হাসিনার
নেতৃত্বাধীন
আওয়ামী
লীগ
এবং
খালেদা
জিয়ার
নেতৃত্বাধীন
বিএনপির
তীব্র
প্রতিদ্বন্দ্বিতাকে
কেন্দ্র
করে।
মতাদর্শ

নীতিগতভাবে
সামান্য
পার্থক্য
থাকা
সত্ত্বেও
এই
দুই
নেত্রী
এবং
তাঁদের
দল
বছরের
পর
বছর
ধরে
নির্বাচনে
তিক্ত
লড়াইয়ে
লিপ্ত
ছিলেন।

তবু
একসময়
ক্ষমতার
হাতবদল
মোটামুটি
শান্তিপূর্ণভাবে
হতো।

জন্য
নির্দলীয়
তত্ত্বাবধায়ক
সরকারকে
ধন্যবাদ
দিতেই
হয়।
এই
সরকার
সাময়িক
সময়ের
জন্য
দায়িত্ব
গ্রহণ
করে
নির্বাচন
পরিচালনা
করত
এবং
এক
সরকারের
কাছ
থেকে
অন্য
সরকারের
কাছে
ক্ষমতা
হস্তান্তরের
বিষয়টি
তদারক
করত।
শেখ
হাসিনার
ক্রমবর্ধমান
কর্তৃত্ববাদী
শাসনের
অধীনে
২০১১
সালে
এই
ব্যবস্থা
বাতিল
করা
হয়।
এর
মধ্য
দিয়ে
নির্বাচনী
অনিয়ম
এবং
অবৈধ
নির্বাচনের
এক
যুগের
শুরু
হয়েছিল।
স্বজনপ্রীতি

লুটপাটতন্ত্র
গভীর
হয়েছিল।
বিরোধীদের
ভয়ভীতি
দেখানোর
জন্য
আদালত,
পুলিশ

অন্যান্য
রাষ্ট্রীয়
সংস্থাকে
ব্যবহার
করেছিল
তাঁর
সরকার।