দিনাজপুরের বিরামপুরে ভোটারদের মাঝে জামায়াতের ‘জিলাপি’র টোকেন বিতরণের সময় তিন ব্যক্তিকে আটক করে পুলিশে দিয়েছে এলাকাবাসী। পরে জরিমানা ও মুচলেকা নিয়ে তাদের ছেড়ে দেওয়া হয়েছে।
বুধবার (১১ ফেব্রুয়ারি) সন্ধ্যা সাড়ে ৭টায় বিরামপুর পৌরসভার ৭ নম্বর ওয়ার্ডের পলাশবাড়ি গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। পরে, বিরামপুর উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মিজ নাজিয়া নওরীনের নেতৃত্বে একটি ভ্রাম্যমাণ টিম ঘটনাস্থলে উপস্থিত হন। অভিযুক্ত তিন ব্যক্তিকে পুলিশে হস্তান্তর করেন।
আটকরা হলেন, বিরামপুর পৌর শহরের মৃত আফাজ উদ্দিনের ছেলে মুকুল সরকার (৪৭), চাঁদপুর কলেজ বাজার এলাকার লালু ব্যপারীর ছেলে শামসুল হক (৬৫) এবং শিমুলতলী এলাকার ফজর সরকারে ছেলে আ. জলিল (৬৭)।
স্থানীয়দের অভিযোগ, জামায়াতে ইসলামী মনোনিত দাঁড়িপাল্লা প্রতীকের পক্ষে ভোটারদের প্রভাবিত করতে টোকেন বিতরণ করা হচ্ছিল। এমন অভিযোগে টোকেনসহ ঘটনাস্থল থেকে তিনজনকে আটক করে থানায় দেওয়া হয়েছে।
এদিকে, এ ঘটনায় আটক তিন ব্যক্তির বিষয়ে জানতে চাইলে বিরামপুর জামায়াতের পৌর শাখার সেক্রেটারি শাহিনুর রহমান শাহীন জানান, আটক ব্যক্তিরা জামায়াতের সমর্থক। তাদের নিজ উদ্যোগে টোকেন বিতরণ করেছেন। এটা দলীয় কোনো সিদ্ধান্ত নয়।
এ বিষয়ে জানতে চাইলে উপজেলা সহকারী কমিশনার ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মিজ নাজিয়া নওরীন জানান, নির্বাচনি আচরণবিধি লঙ্ঘনের অভিযোগে তাদের জরিমানা করা হয়েছে। তারা পরবর্তীতে এমন কাজে লিপ্ত থাকবে না- এমন মুচলেকা নিয়ে ছেড়ে দেওয়া হয়েছে।
জানতে চাইলে বিরামপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সাইফুল ইসলাম জানান, তিন ব্যক্তি ভোটারদের কাছে টোকেন বিতরণের সময় স্থানীয়রা তাদের আটক করে পুলিশে দেয়। টোকেনে একটি রাস্তার ছবি ব্যবহার করা হয়েছে। সেখানে কোনো দলীয় সিল বা কোনো প্রার্থীর ছবি নেই।
ওসি জানান, আটক ব্যক্তিরা স্বীকার করেছেন তারা জামায়াতের জিলাপির টোকেন বিতরণ করছিলেন। পরে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট তাদের জরিমানা ও মুচলেকা নিয়ে ছেড়ে দেন।
মোঃ মাহাবুর রহমান/এএমএ
এডমিন 


















