জুলাই
অভ্যুত্থানে
শেখ
হাসিনা
সরকারের
পতনের
পর
আওয়ামী
লীগের
কেন্দ্রীয়
কার্যালয়ে
দফায়
দফায়
আগুন
দেওয়া
হয়।
এখন
ভবনটিতে
প্রবেশের
মতো
পরিবেশ
নেই।
ভবঘুরেদের
বিচরণ,
নোংরা
আবর্জনায়
ভরা।
ধানমন্ডিতে
দলীয়
সভাপতির
একটি
কার্যালয়
আছে।
এ
ছাড়া
ধানমন্ডি
এলাকায়
আরও
কিছু
ভবনে
আওয়ামী
লীগের
নানা
কার্যক্রম
হতো।
এসব
ভবনেও
আগুন
দেওয়া
হয়।
এমনকি
জেলা
পর্যায়ের
কার্যালয়গুলোও
পোড়ানো
হয়েছে
অথবা
ভাঙচুর
করা
হয়েছে।
৮১
সদস্যের
আওয়ামী
লীগের
কেন্দ্রীয়
কমিটির
কেউ
প্রকাশ্যে
নেই।
অধিকাংশ
আত্মগোপনে,
কেউ
কেউ
কারাগারে।
কেন্দ্রীয়
নেতার
বাইরে
সাবেক,
মন্ত্রী,
সংসদ
সদস্য
ও
স্থানীয়
দলীয়
জনপ্রতিনিধিদেরও
প্রকাশ্যে
দেখা
যায়
না।
এ
পরিস্থিতিতে
দলটির
একাধিক
নেতা
ও
সাবেক
মন্ত্রী-এমপিরা
মনে
করছেন,
দলের
অধিকাংশ
কর্মী-সমর্থক
ভোট
দিতে
যাবেন
না।
তবে
কেউ
কেউ
ভয়ভীতির
কারণে,
কেউ
লোভে
পড়ে
ভোটকেন্দ্রে
যাবেন।
আবার
সমর্থকদের
মধ্যে
শিক্ষিত
মধ্যবিত্ত
শ্রেণি
দলের
অনুরোধে
তেমন
সাড়া
দেবেন
না।
সংখ্যালঘু
সম্প্রদায়ের
ভোটাররাও
নিজ
নিজ
এলাকার
পরিবেশ-পরিস্থিতি
দেখে
সিদ্ধান্ত
নেবেন।
আওয়ামী
লীগ
নেতাদের
ধারণা,
সমর্থকদের
মধ্যে
যাঁরা
ভোট
দিতে
যাবেন,
তাঁরা
গণভোটে
‘না’–এর
পক্ষে
রায়
দেবেন।
আবার
বিএনপি
ও
জামায়াতের
বাইরে
বিকল্প
প্রার্থী
বা
স্বতন্ত্র
ও
সংখ্যালঘু
প্রার্থীরা
আওয়ামী
লীগের
ভোট
বেশি
পেতে
পারেন।
এডমিন 














