জাতিসংঘ
বিশেষজ্ঞরা
বলেন,
সাংবাদিকদের
পাশাপাশি
মানবাধিকারকর্মী,
নাগরিক
সমাজের
পর্যবেক্ষক,
নারী
অধিকারকর্মী
এবং
সংখ্যালঘু
গোষ্ঠীগুলোকে
সুরক্ষা
দিতে
সরকারের
প্রয়োজনীয়
পদক্ষেপ
নেওয়ার
সময়
এখনো
ফুরিয়ে
যায়নি।
সংবাদ
বিজ্ঞপ্তিতে
আরও
বলা
হয়,
কর্তৃপক্ষকে
সন্ত্রাসবিরোধী
আইনের
মতো
দমনমূলক
আইনের
অধীনে
গ্রেপ্তার
বন্ধ
করতে
হবে
এবং
নির্বিচার
আটক,
ভয়ভীতি
প্রদর্শন
বা
প্রতিশোধমূলক
ব্যবস্থা
থেকে
বিরত
থাকতে
হবে।
এ
ছাড়া
রাজনৈতিক
দল
ও
প্রার্থীদের
প্রতি
অপপ্রচার
চালানো
বা
নারী
ও
সংখ্যালঘুদের
বিরুদ্ধে
বৈরিতা,
বৈষম্য
বা
সহিংসতা
উসকে
দেওয়া,
মানবাধিকারকর্মীদের
বিরুদ্ধে
কুৎসা
রটানো
এবং
নির্বাচনী
প্রক্রিয়ার
ওপর
অনাস্থা
তৈরির
চেষ্টা
থেকে
বিরত
থাকার
আহ্বান
জানিয়েছেন
জাতিসংঘ
বিশেষজ্ঞরা।
জাতিসংঘ
বিশেষজ্ঞরা
বলেন,
একটি
স্বৈরাচারী
সরকারকে
ক্ষমতাচ্যুত
করা
গণ-অভ্যুত্থানের
মধ্য
দিয়ে
পাওয়া
এই
নির্বাচন
শুধু
পরবর্তী
সরকার
কে
গঠন
করবে
শুধু
তা
নিয়ে
নয়,
এটি
মানবাধিকার
ও
আইনের
শাসনের
ওপর
ভিত্তি
করে
একটি
সমাজ
গঠনের
বিষয়ও
বটে।
এডমিন 














