এবার
নির্বাচনে
বিএনপি
দেশের
দক্ষিণ,
মধ্য,
পূর্ব
এবং
উত্তর-পূর্বাঞ্চলে
বিপুল
সংখ্যাগরিষ্ঠতা
পেয়েছে।
তবে
উত্তরবঙ্গ
ও
দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলে
জামায়াতে
ইসলামীর
তুলনায়
কম
আসন
পেয়েছে
দলটি।
ফলাফল
বিশ্লেষণে
দেখা
গেছে,
কুড়িগ্রাম,
নীলফামারী,
গাইবান্ধা,
রংপুর,
চাঁপাইনবাবগঞ্জ,
মেহেরপুর,
সাতক্ষীরা
ও
চুয়াডাঙ্গা—এই
আট
জেলায়
কোনো
আসনই
পায়নি
বিএনপি।
জেলাগুলোতে
মোট
আসনসংখ্যা
৩০।
এর
মধ্যে
চাঁপাইনবাবগঞ্জ,
মেহেরপুর
ও
চুয়াডাঙ্গায়
অতীতের
বিভিন্ন
নির্বাচনে
বিএনপি
জয়
পেয়েছিল।
চাঁপাইনবাবগঞ্জে
বিএনপির
চেয়ারম্যানের
উপদেষ্টা
পরিষদের
সদস্য
হারুন
অর
রশিদ
জামায়াতের
প্রার্থীর
কাছে
হেরে
গেছেন।
তিনি
বিএনপির
হয়ে
চারবার
সংসদ
সদস্য
হয়েছিলেন।
এর
মধ্যে
২০১৮
সালের
বিপর্যয়কর
নির্বাচনেও
তিনি
আওয়ামী
লীগের
প্রার্থীকে
পরাজিত
করেছিলেন।
’৯৬
সালে
আওয়ামী
লীগ
সরকার
গঠন
করলেও
হারুন
অর
রশিদ
বিএনপির
প্রার্থী
হিসেবে
চাঁপাইনবাবগঞ্জ
থেকে
জয়ী
হন।
এ
ছাড়া
চাঁপাইনবাবগঞ্জের
আরেকটি
আসনে
শাহজাহান
মিঞা
তিনবারের
সংসদ
সদস্য
ছিলেন।
এবার
তিনি
হেরে
গেছেন।
একইভাবে
চুয়াডাঙ্গা
ও
মেহেরপুর
জেলার
দুটি
করে
চারটি
আসনে
বিএনপির
প্রার্থীরা
অতীতে
একাধিকবার
জয়ী
হয়েছিলেন।
এবার
এই
দুই
জেলার
চারটি
আসন
জামায়াতের
দখলে
গেছে।
রংপুর
ও
কুড়িগ্রামে
বিএনপি
বরাবর
দুর্বল
হলেও
এবার
জাতীয়
পার্টির
দুরবস্থার
সুযোগ
নিতে
পারেনি
দলটি।
এডমিন 














