১০:১৯ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ২ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

যুক্তরাষ্ট্রের ডলার ‘কারসাজিতেই’ কি ইরানে রক্তক্ষয়ী বিক্ষোভ, কী বলছেন মার্কিন অর্থমন্ত্রী

  • এডমিন
  • আপডেট সময়ঃ ১২:০০:৫২ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৬
  • 2

যুক্তরাষ্ট্রের
অর্থমন্ত্রী
স্কট
বেসেন্ট
বলেছেন,
ওয়াশিংটনই
কৌশল
করে
ইরানে
ডলারের
ঘাটতি
সৃষ্টি
করেছিল,
যার
ফলে
রাতারাতি
ইরানের
মুদ্রা
রিয়ালের
ব্যাপক
দরপতন
হয়।
হঠাৎ
করে
ডলারের
বিপরীতে
রিয়ালের
রেকর্ড
দরপতনের
জেরে
সৃষ্ট
আর্থিক
সংকট
গত
বছর
ডিসেম্বরের
শেষ
দিকে
তেহরানে
বিক্ষোভ
উসকে
দিয়েছিল।

রাজধানী
থেকে
সেই
বিক্ষোভ
পুরো
দেশে
ছড়িয়ে
পড়েছিল।
জানুয়ারি
মাসজুড়ে
চলা
ওই
বিক্ষোভ
এতটাই
তীব্র
রূপ
নিয়েছিল
যে
১৯৭৯
সালে
ইসলামি
বিপ্লবের
পর
দেশটিতে
সবচেয়ে
বড়

প্রাণঘাতী
বিক্ষোভে
পরিণত
হয়েছিল।

বিক্ষোভ
শুরু
হয়েছিল
২৮
ডিসেম্বর।
ইরানে
অনেক
দিন
ধরেই
মূল্যস্ফীতি
অসহনীয়
পর্যায়ে
রয়েছে।
ডিসেম্বরে
ডলারের
বিপরীতে
রিয়ালের
রেকর্ড
দরপতন
সাধারণ
ইরানিদের
ওপর
বিশাল
বড়
আঘাত
হয়ে
আসে।

প্রতিবাদ
জানাতে
তেহরানে
ব্যবসায়ী

দোকানদারেরা
সড়কে
নেমে
বিক্ষোভ
শুরু
করেন।
দ্রুত
ওই
বিক্ষোভ
ইরানজুড়ে
ছড়িয়ে
পড়ে।

বিক্ষোভের
সময়
ইরানের
প্রধান
বিচারপতি
গোলাম-হোসেইন
মোহসেন-এজেই
বলেছিলেন,
‘বিক্ষোভকারীরা
ইসলামি
প্রজাতন্ত্র
ইরানের
শত্রুদের
সঙ্গে
সমন্বয়
করে
কাজ
করছেন।
বিক্ষোভকারীরা
যুক্তরাষ্ট্র

ইসরায়েলের
হয়ে
কাজ
করছেন।’

বিক্ষোভ
দমনে
ইরান
সরকার
কঠোর
বলপ্রয়োগ
করেছিল।
পশ্চিমা
বিশ্বভিত্তিক
মানবাধিকার
সংস্থাগুলোর
দাবি,
বিক্ষোভে
ছয়
হাজারের
বেশি
মানুষ
নিহত
হয়েছেন।
নিহত
ব্যক্তিদের
মধ্যে
অন্তত
১৫০
শিশুও
রয়েছে।

ট্যাগঃ
জনপ্রিয় খবর

ফল পাল্টে দেওয়ার অভিযোগ করে ভোট পুনগণনার দাবি খেলাফত মজলিস প্রার্থীর

যুক্তরাষ্ট্রের ডলার ‘কারসাজিতেই’ কি ইরানে রক্তক্ষয়ী বিক্ষোভ, কী বলছেন মার্কিন অর্থমন্ত্রী

আপডেট সময়ঃ ১২:০০:৫২ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

যুক্তরাষ্ট্রের
অর্থমন্ত্রী
স্কট
বেসেন্ট
বলেছেন,
ওয়াশিংটনই
কৌশল
করে
ইরানে
ডলারের
ঘাটতি
সৃষ্টি
করেছিল,
যার
ফলে
রাতারাতি
ইরানের
মুদ্রা
রিয়ালের
ব্যাপক
দরপতন
হয়।
হঠাৎ
করে
ডলারের
বিপরীতে
রিয়ালের
রেকর্ড
দরপতনের
জেরে
সৃষ্ট
আর্থিক
সংকট
গত
বছর
ডিসেম্বরের
শেষ
দিকে
তেহরানে
বিক্ষোভ
উসকে
দিয়েছিল।

রাজধানী
থেকে
সেই
বিক্ষোভ
পুরো
দেশে
ছড়িয়ে
পড়েছিল।
জানুয়ারি
মাসজুড়ে
চলা
ওই
বিক্ষোভ
এতটাই
তীব্র
রূপ
নিয়েছিল
যে
১৯৭৯
সালে
ইসলামি
বিপ্লবের
পর
দেশটিতে
সবচেয়ে
বড়

প্রাণঘাতী
বিক্ষোভে
পরিণত
হয়েছিল।

বিক্ষোভ
শুরু
হয়েছিল
২৮
ডিসেম্বর।
ইরানে
অনেক
দিন
ধরেই
মূল্যস্ফীতি
অসহনীয়
পর্যায়ে
রয়েছে।
ডিসেম্বরে
ডলারের
বিপরীতে
রিয়ালের
রেকর্ড
দরপতন
সাধারণ
ইরানিদের
ওপর
বিশাল
বড়
আঘাত
হয়ে
আসে।

প্রতিবাদ
জানাতে
তেহরানে
ব্যবসায়ী

দোকানদারেরা
সড়কে
নেমে
বিক্ষোভ
শুরু
করেন।
দ্রুত
ওই
বিক্ষোভ
ইরানজুড়ে
ছড়িয়ে
পড়ে।

বিক্ষোভের
সময়
ইরানের
প্রধান
বিচারপতি
গোলাম-হোসেইন
মোহসেন-এজেই
বলেছিলেন,
‘বিক্ষোভকারীরা
ইসলামি
প্রজাতন্ত্র
ইরানের
শত্রুদের
সঙ্গে
সমন্বয়
করে
কাজ
করছেন।
বিক্ষোভকারীরা
যুক্তরাষ্ট্র

ইসরায়েলের
হয়ে
কাজ
করছেন।’

বিক্ষোভ
দমনে
ইরান
সরকার
কঠোর
বলপ্রয়োগ
করেছিল।
পশ্চিমা
বিশ্বভিত্তিক
মানবাধিকার
সংস্থাগুলোর
দাবি,
বিক্ষোভে
ছয়
হাজারের
বেশি
মানুষ
নিহত
হয়েছেন।
নিহত
ব্যক্তিদের
মধ্যে
অন্তত
১৫০
শিশুও
রয়েছে।