১০:০৬ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ০১ এপ্রিল ২০২৬, ১৮ চৈত্র ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

মশা মারার বৈদ্যুতিক ব্যাট

  • এডমিন
  • আপডেট সময়ঃ ১২:০৩:৪৬ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৬
  • 22

টেনিস
র‍্যাকেটের
মতো
দেখতে
বৈদ্যুতিক
ব্যাটের
হ্যান্ডল
বা
হাতলে
থাকে
ব্যাটারিচালিত
একটি
হাই
ভোল্টেজ
জেনারেটর।
এর
সার্কিটটি
বেশ
চমৎকার।
এটি
একটি
মিনিমালিস্ট
সেলফ-অসিলেটিং
ভোল্টেজ
বুস্টার।
একে
বিজ্ঞানীদের
ভাষায়
জুল
থিফ
সার্কিট
বলা
হয়।
এই
সার্কিটের
বৈশিষ্ট্য
হলো,
এটি
আকারে
ছোট,
তৈরিতে
খরচ
কম
এবং
ব্যাটারির
ভোল্টেজ
অনেক
কমে
গেলেও
এটি
কাজ
চালিয়ে
যেতে
পারে।
তাই
যখন
আপনি
ব্যাটের
সুইচটি
চেপে
ধরেন,
তখন
এর
জালের
ওপর
৫০০
থেকে

হাজার
ভোল্ট
পর্যন্ত
বিদ্যুৎ
উৎপন্ন
হয়।
ব্যাটের
জালের
ইলেকট্রোডগুলোর
মাঝখানে
যখন
কোনো
মশা
বা
মাছি
এসে
পড়ে,
তখন
তাদের
শরীরের
মাধ্যমেই
সার্কিটটি
পূর্ণ
হয়
এবং
বিদ্যুৎ
প্রবাহিত
হয়।
ব্যাটের
সঙ্গে
সংযুক্ত
একটি
ক্যাপাসিটর
সেই
মুহূর্তে
চার্জ
ছেড়ে
দেয়,
যার
ফলে
একটি
স্পার্ক
বা
স্ফুলিঙ্গ
তৈরি
হয়।
এই
প্রাথমিক
ধাক্কাটিই
মশা
বা
মাছিকে
মেরে
ফেলার
জন্য
যথেষ্ট।
তবে
আপনি
যদি
সুইচটি
চেপে
ধরে
রাখেন,
তবে
অবিরত
বিদ্যুৎপ্রবাহে
ছোট
পতঙ্গগুলো
মুহূর্তেই
ভস্মীভূত
হয়ে
যায়।

ট্যাগঃ

সংবিধানের অনেক কিছু ছাড়াই আমরা এ পর্যন্ত এসেছি: শফিকুর রহমান

মশা মারার বৈদ্যুতিক ব্যাট

আপডেট সময়ঃ ১২:০৩:৪৬ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

টেনিস
র‍্যাকেটের
মতো
দেখতে
বৈদ্যুতিক
ব্যাটের
হ্যান্ডল
বা
হাতলে
থাকে
ব্যাটারিচালিত
একটি
হাই
ভোল্টেজ
জেনারেটর।
এর
সার্কিটটি
বেশ
চমৎকার।
এটি
একটি
মিনিমালিস্ট
সেলফ-অসিলেটিং
ভোল্টেজ
বুস্টার।
একে
বিজ্ঞানীদের
ভাষায়
জুল
থিফ
সার্কিট
বলা
হয়।
এই
সার্কিটের
বৈশিষ্ট্য
হলো,
এটি
আকারে
ছোট,
তৈরিতে
খরচ
কম
এবং
ব্যাটারির
ভোল্টেজ
অনেক
কমে
গেলেও
এটি
কাজ
চালিয়ে
যেতে
পারে।
তাই
যখন
আপনি
ব্যাটের
সুইচটি
চেপে
ধরেন,
তখন
এর
জালের
ওপর
৫০০
থেকে

হাজার
ভোল্ট
পর্যন্ত
বিদ্যুৎ
উৎপন্ন
হয়।
ব্যাটের
জালের
ইলেকট্রোডগুলোর
মাঝখানে
যখন
কোনো
মশা
বা
মাছি
এসে
পড়ে,
তখন
তাদের
শরীরের
মাধ্যমেই
সার্কিটটি
পূর্ণ
হয়
এবং
বিদ্যুৎ
প্রবাহিত
হয়।
ব্যাটের
সঙ্গে
সংযুক্ত
একটি
ক্যাপাসিটর
সেই
মুহূর্তে
চার্জ
ছেড়ে
দেয়,
যার
ফলে
একটি
স্পার্ক
বা
স্ফুলিঙ্গ
তৈরি
হয়।
এই
প্রাথমিক
ধাক্কাটিই
মশা
বা
মাছিকে
মেরে
ফেলার
জন্য
যথেষ্ট।
তবে
আপনি
যদি
সুইচটি
চেপে
ধরে
রাখেন,
তবে
অবিরত
বিদ্যুৎপ্রবাহে
ছোট
পতঙ্গগুলো
মুহূর্তেই
ভস্মীভূত
হয়ে
যায়।