গণপ্রজাতন্ত্রী
বাংলাদেশ
সংবিধানের
১৪৮(২)
অনুচ্ছেদে
বলা
আছে
যে
‘এই
সংবিধানের
অধীন
নির্দিষ্ট
কোনো
ব্যক্তির
শপথ
গ্রহণ
আবশ্যক
হইলে
অনুরূপ
ব্যক্তি
যেরূপ
ব্যক্তি
ও
স্থান
নির্ধারণ
করিবেন,
সেইরূপ
ব্যক্তির
নিকট
সেইরূপ
স্থানে
শপথ
গ্রহণ
করা
যাইবে।’
সংবিধানের
তৃতীয়
তফসিলে
সংসদ
সদস্যদের
স্পিকার
কর্তৃক
লিখিত
ফরমে
শপথের
বিষয়টি
উল্লেখ
আছে।
কিন্তু
গণ–অভ্যুত্থানের
পর
যেহেতু
জাতীয়
সংসদের
স্পিকার
পলাতক
রয়েছেন
এবং
ডেপুটি
স্পিকার
কারাগারে,
সেহেতু
কর্তৃক
নির্ধারিত
কোনো
ব্যক্তি
যিনি
সংসদ
সদস্যদের
শপথ
পড়াবেন।
এ
পরিপ্রেক্ষিতেই
বিতর্ক
দেখা
দিয়েছে
যে
তাহলে
সংসদ
সদস্যদের
শপথ
কীভাবে
হবে
বা
কে
শপথ
পড়াবেন।
এর
সমাধান
আমাদের
সংবিধানেই
আছে।
২০০৪
সনে
সংবিধান
(চতুর্দশ
সংশোধন)
আইন
দ্বারা
সংবিধানে
১৪৮
[২
(ক)]
অনুচ্ছেদ
সন্নিবেশিত
করা
হয়েছে।
উক্ত
অনুচ্ছেদের
বিধান
নিম্নরূপ:
‘১২৩
অনুচ্ছেদের
(৩)
দফার
অধীন
অনুষ্ঠিত
সংসদ
সদস্যদের
সাধারণ
নির্বাচনের
ফলাফল
সরকারি
গেজেটে
প্রজ্ঞাপিত
হইবার
তারিখ
হইতে
পরবর্তী
তিন
দিনের
মধ্যে
এই
সংবিধানের
অধীন
এতদুদ্দেশ্যে
নির্দিষ্ট
ব্যক্তি
বা
তদুদ্দেশ্যে
অনুরূপ
ব্যক্তি
কর্তৃক
নির্ধারিত
অন্য
কোনো
ব্যক্তি
যেকোনো
কারণে
নির্বাচিত
সদস্যদের
শপথ
পাঠ
পরিচালনা
করিতে
ব্যর্থ
হইলে
বা
না
করিলে,
প্রধান
নির্বাচন
কমিশনার
উহার
পরবর্তী
তিন
দিনের
মধ্যে
উক্ত
শপথ
পাঠ
পরিচালনা
করিবেন,
যেন
এই
সংবিধানের
অধীন
তিনিই
ইহার
জন্য
নির্দিষ্ট
ব্যক্তি।’
এই
দফা
স্পষ্টভাবে
নির্দেশ
করে
যে
গেজেট
প্রকাশের
তিন
দিনের
মধ্যে
স্পিকার
বা
তাঁর
মনোনীত
ব্যক্তি
শপথ
না
করালে
পরবর্তী
তিন
দিনে
সিইসিকে
এটি
করতে
হবে।
অনুচ্ছেদ
১৪৮(৩)-এ
বলা
হয়েছে,
শপথ
গ্রহণের
অব্যবহিত
পর
ব্যক্তি
কার্যভার
গ্রহণ
করেছেন
বলে
গণ্য
হবেন।
সিইসি
কর্তৃক
শপথের
পর
এমপিরা
অবিলম্বে
ত্রয়োদশ
সংসদের
সদস্য
হয়ে
উঠবেন।
এডমিন 














