২০২৪
সালের
গণ–অভ্যুত্থানের
পর
দেশ
ছেড়ে
পালিয়ে
যাওয়া
শেখ
হাসিনা
ও
আওয়ামী
লীগের
কয়েকজন
জ্যেষ্ঠ
নেতাকে
হস্তান্তরের
জন্য
বারবার
ভারতের
কাছে
অনুরোধ
জানিয়েছে
বাংলাদেশের
অন্তর্বর্তী
সরকার।
তবে
গত
১৭
মাসে
ভারত
এসব
অনুরোধের
জবাব
দেয়নি।
মির্জা
ফখরুল
বলেন,
অভ্যুত্থানের
সময়
হত্যা
ও
অপরাধমূলক
কর্মকাণ্ডের
অভিযোগে
অভিযুক্ত
শেখ
হাসিনা
এবং
তাঁর
মন্ত্রী
ও
আমলাদের
বিরুদ্ধে
আইনি
প্রক্রিয়া
চলছে।
সেই
প্রক্রিয়া
চলবে।
মির্জা
ফখরুল
বলেন,
ভারত-বাংলাদেশ
সম্পর্কের
কিছু
জটিল
বিষয়
রয়েছে,
যা
সমাধান
করা
প্রয়োজন।
তবে
সেগুলো
সহযোগিতার
ক্ষেত্রগুলোকে
ছাপিয়ে
যাওয়া
উচিত
নয়।
তিনি
বলেন,
‘যুক্তরাষ্ট্র
ও
চীনের
দ্বিপক্ষীয়
সম্পর্কে
অনেক
সমস্যা
রয়েছে।
তবু
তারা
একে
অপরের
সঙ্গে
কাজ
করছে।
শুধু
একটি
ইস্যুতে
আমাদের
বাংলাদেশ–ভারত
সম্পর্ককে
আটকে
রাখা
উচিত
হবে
না।’
বাংলাদেশের
রাজনীতিতে
বিএনপির
ঐতিহাসিক
ভূমিকার
কথা
তুলে
ধরেন
মির্জা
ফখরুল।
তিনি
স্মরণ
করিয়ে
দেন—১৯৭৫
সালের
আগস্টে
শেখ
মুজিবুর
রহমানকে
হত্যার
পর
যখন
শেখ
হাসিনা
ও
তাঁর
পরিবারের
অন্যান্য
সদস্য
ভারতে
ছিলেন,
তখন
বিএনপির
প্রতিষ্ঠাতা
রাষ্ট্রপতি
জিয়াউর
রহমান
ভারত
সফর
করেছিলেন
এবং
ঢাকায়
প্রধানমন্ত্রী
মোরারজি
দেশাইকে
আতিথেয়তা
দিয়েছিলেন।
মির্জা
ফখরুল
আরও
স্মরণ
করিয়ে
দেন
যে
১৯৮০
সালের
জানুয়ারি
মাসে
জিয়াউর
রহমান
যখন
দিল্লি
সফরে
গিয়ে
ইন্দিরা
গান্ধীর
সঙ্গে
সাক্ষাৎ
করেছিলেন,
তখন
শেখ
হাসিনা
রাজনৈতিক
জীবন
শুরুর
জন্য
বাংলাদেশে
ফেরার
প্রস্তুতি
নিচ্ছিলেন।
তিনি
বলেন,
‘এটাই
রাষ্ট্রনায়কের
মতো
দৃষ্টিভঙ্গি।’
এডমিন 














