বিএনপির
চেয়ারম্যান
তারেক
রহমান
প্রধানমন্ত্রী
হিসেবে
শপথ
নিয়েছেন।
তাঁর
শপথের
পর
প্রথমে
নতুন
সরকারের
মন্ত্রী
এবং
পরে
প্রতিমন্ত্রীরা
শপথ
গ্রহণ
করেন।
আজ
বৃহস্পতিবার
বিকেলে
জাতীয়
সংসদ
ভবনের
দক্ষিণ
প্লাজায়
রাষ্ট্রপতি
মো.
সাহাবুদ্দিন
তাঁদের
শপথ
পড়ান।
এর
মধ্য
দিয়ে
প্রধানমন্ত্রী
তারেক
রহমানের
নেতৃত্বে
নতুন
সরকারের
যাত্রা
শুরু
হলো।
একই
সঙ্গে
প্রায়
দুই
যুগ
পর
বিএনপির
নেতৃত্বাধীন
সরকারের
যাত্রা
শুরু
হলো।
গত
বৃহস্পতিবার
অনুষ্ঠিত
জাতীয়
নির্বাচনে
বিএনপি
২০৯
আসনে
জয়ী
হয়।
বিএনপি
জোটের
শরিকেরা
৩টি
আসন
পায়।
বাসসের
খবরে
বলা
হয়,
বাংলাদেশের
ইতিহাসের
দীর্ঘ
ঐতিহ্য
ভেঙে
নতুন
সরকারের
শপথ
গ্রহণ
অনুষ্ঠান
রাষ্ট্রপতি
বঙ্গভবনের
পরিবর্তে
জাতীয়
সংসদ
ভবন
কমপ্লেক্সের
দক্ষিণ
প্লাজায়
অনুষ্ঠিত
হয়।
কূটনৈতিক
সূত্র
জানিয়েছে,
চীন,
ভারত,
পাকিস্তান,
সৌদি
আরব,
তুরস্ক,
সংযুক্ত
আরব
আমিরাত,
কাতার,
মালয়েশিয়া,
ব্রুনাই,
শ্রীলঙ্কা,
নেপাল,
মালদ্বীপ
এবং
ভুটানসহ
১৩টি
দেশের
বিশ্বনেতাদের
শপথ
গ্রহণ
অনুষ্ঠানে
যোগদানের
জন্য
আমন্ত্রণ
জানানো
হয়েছে।
আমন্ত্রিত
অতিথিদের
মধ্যে
ভারতের
লোকসভার
স্পিকার
ওম
বিড়লা
নয়াদিল্লির
প্রতিনিধিত্ব
করেছেন।
এ
ছাড়াও
বাংলাদেশ
সংসদ
কমপ্লেক্সের
জমকালো
দক্ষিণ
প্লাজায়
উপস্থিত
অতিথিদের
মধ্যে
ছিলেন
বিদায়ী
অন্তর্বর্তী
সরকারের
প্রধান
উপদেষ্টা
অধ্যাপক
মুহাম্মদ
ইউনূস
এবং
উপদেষ্টা
পরিষদের
সদস্যরা,
প্রধান
বিচারপতি
জুবায়ের
রহমান
চৌধুরী,
প্রধান
নির্বাচন
কমিশনার,
সুপ্রিম
কোর্টের
বিচারপতি,
সংসদ
সদস্য,
রাজনৈতিক
নেতা,
তিন
বাহিনীর
প্রধান,
কূটনৈতিক
কোরের
সদস্য,
জ্যেষ্ঠ
সাংবাদিক
এবং
উচ্চপদস্থ
বেসামরিক
ও
সামরিক
কর্মকর্তারা।
অনুষ্ঠানে
তারেক
রহমানের
স্ত্রী
জুবাইদা
রহমান
এবং
তাঁদের
মেয়ে
জাইমা
রহমান
এবং
পরিবারের
অন্যান্য
সদস্যরা
উপস্থিত
ছিলেন।
সাদা
জামা
ও
কোট-প্যান্ট
পরিহিত
তারেক
রহমানকে
এ
সময়
অত্যন্ত
আত্মবিশ্বাসী
এবং
প্রাণবন্ত
দেখাচ্ছিল।
তিনি
স্ত্রী
জুবাইদা
রহমান
ও
মেয়ে
জাইমা
রহমানকে
সঙ্গে
নিয়ে
বিকেল
৩টা
৫৮
মিনিটে
শপথগ্রহণ
অনুষ্ঠানে
প্রবেশ
করলে
দাঁড়িয়ে
করতালি
দিয়ে
অভ্যর্থনা
জানানো
হয়।
এর
কয়েক
মিনিট
পরে
রাষ্ট্রপতি
মো.
সাহাবুদ্দিন
বিকেল
৪টা
৪
মিনিটে
প্রধানমন্ত্রীর
শপথগ্রহণ
অনুষ্ঠানস্থলে
প্রবেশ
করেন।
পবিত্র
কোরআন
তেলাওয়াতের
মাধ্যমে
অনুষ্ঠান
শুরু
হয়।
এরপর
প্রথমে
তারেক
রহমান
প্রধানমন্ত্রী
হিসেবে
শপথগ্রহণ
করেন।
বাসস
জানায়,
পূর্ণমন্ত্রী
হিসেবে
শপথ
নেন
মির্জা
ফখরুল
ইসলাম
আলমগীর,
আমীর
খসরু
মাহমুদ
চৌধুরী,
সালাহউদ্দিন
আহমদ,
ইকবাল
হাসান
মাহমুদ
(টুকু),
মেজর
(অব.)
হাফিজ
উদ্দিন
আহমদ
বীর
বিক্রম,
এ
জেড
এম
জাহিদ
হোসেন,
খলিলুর
রহমান
(টেকনোক্র্যাট),
আবদুল
আউয়াল
মিন্টু,
কাজী
শাহ
মোফাজ্জল
হোসেন
কায়কোবাদ,
মিজানুর
রহমান
মিনু,
নিতাই
রায়
চৌধুরী,
খন্দকার
আবদুল
মুক্তাদীর,
আরিফুল
হক
চৌধুরী,
জহির
উদ্দিন
স্বপন,
মোহাম্মদ
আমিন
উর
রশীদ
(টেকনোক্র্যাট),
আফরোজা
খানম,
শহীদ
উদ্দীন
চৌধুরী
এ্যানি,
আসাদুল
হাবিব
দুলু,
মো.
আসাদুজ্জামান,
জাকারিয়া
তাহের,
দীপেন
দেওয়ান,
আ
ন
ম
এহছানুল
হক
মিলন,
সরদার
মো.
সাখাওয়াত
হোসেন,
ফকির
মাহবুব
আনাম
ও
শেখ
রবিউল
আলম।
মন্ত্রীদের
শপথের
পর
প্রতিমন্ত্রী
হিসেবে
শপথ
নেন
এম
রশিদুজ্জামান
মিল্লাত,
অনিন্দ্য
ইসলাম
অমিত,
মো.
শরিফুল
আলম,
শামা
ওবায়েদ
ইসলাম,
সুলতান
সালাউদ্দিন
টুকু,
কায়সার
কামাল,
ফরহাদ
হোসেন
আজাদ,
আমিনুল
হক
(টেকনোক্র্যাট),
মীর
মোহাম্মদ
হেলাল
উদ্দিন,
হাবিবুর
রশীদ,
মো.
রাজিব
আহসান,
মো.
আব্দুল
বারী,
মীর
শাহে
আলম,
জোনায়েদ
আব্দুর
রহিম
সাকি,
ইশরাক
হোসেন,
ফারজানা
শারমিন,
শেখ
ফরিদুল
ইসলাম,
নুরুল
হক
নুর,
ইয়াসের
খান
চৌধুরী,
এম
ইকবাল
হোসেইন,
এম
এ
মুহিত,
আহম্মদ
সোহেল
মঞ্জুর,
ববি
হাজ্জাজ
ও
আলী
নেওয়াজ
মাহমুদ
খৈয়াম।
এডমিন 














