চিঠিতে
যা
বলেছে
সরকার
নতুন
সরকার
এলডিসি
উত্তরণ
পিছিয়ে
দেওয়ার
চিঠিতে
যুক্তি
দিয়েছে,
সময়সীমা
বাড়ানো
হলে
সামষ্টিক
অর্থনীতিকে
স্থিতিশীল
করা,
চলমান
সংস্কারগুলো
সংহত
করা
এবং
স্মুথ
ট্রানজিশন
স্ট্র্যাটেজির
(এসটিএস)
অধীন
অগ্রাধিকারমূলক
কার্যক্রম
সম্পন্ন
করার
জন্য
প্রয়োজনীয়
নীতিগত
সুযোগ
পাওয়া
যাবে।
চিঠিতে
আরও
বলা
হয়েছে,
এলডিসি
উত্তরণে
পাঁচ
বছরের
প্রস্তুতি
সময়কাল
একের
পর
এক
দেশি
ও
আন্তর্জাতিক
সংকটে
‘গুরুতরভাবে
ব্যাহত’
হয়েছে।
বৈশ্বিক
সংকটের
মধ্যে
রয়েছে—কোভিড-১৯
মহামারির
দীর্ঘস্থায়ী
প্রভাব,
বৈশ্বিক
অর্থনৈতিক
পুনরুদ্ধারের
ধীরগতি,
রাশিয়া-ইউক্রেন
যুদ্ধ
ও
তার
প্রভাবে
জ্বালানি
ও
খাদ্যবাজারে
অস্থিরতা,
বৈশ্বিক
আর্থিক
ব্যবস্থার
কড়াকড়ি,
বাণিজ্য
পুনরুদ্ধারে
বিলম্ব,
মধ্যপ্রাচ্যে
অস্থিরতা
এবং
বৈশ্বিক
বাণিজ্য
ব্যবস্থায়
বাড়তে
থাকা
অনিশ্চয়তা।
আর
দেশি
সংকটের
মধ্যে
আর্থিক
খাতে
অনিয়ম,
২০২৪
সালের
গণ-অভ্যুত্থানে
রাজনৈতিক
পটপরিবর্তন
এবং
রোহিঙ্গাদের
মিয়ানমারে
প্রত্যাবাসন
এখনো
নিষ্পত্তি
না
হওয়ায়
মতো
বিষয়গুলোর
উল্লেখ
করা
হয়।
সরকারের
মতে,
এসব
অভিঘাতের
ফলে
সামষ্টিক
অর্থনৈতিক
অস্থিরতা
তৈরি
হয়েছে।
যেমন
জিডিপি
প্রবৃদ্ধি
হ্রাস,
মূল্যস্ফীতি
বৃদ্ধি,
বেসরকারি
ও
সরকারি
বিনিয়োগ
হ্রাস
এবং
কর-জিডিপি
অনুপাত
কমেছে।
তা
ছাড়া
বৈদেশিক
মুদ্রার
রিজার্ভে
চাপ
বৃদ্ধি,
মূলধনী
যন্ত্রপাতি
ও
কাঁচামালের
আমদানি
কম
এবং
কম
বিনিয়োগের
কারণে
নতৃন
সৃষ্টি
কমেছে।
শুধু
তাই
নয়,
সুশাসন
এবং
সামষ্টিক
অর্থনৈতিক
কারণে
দেশি
ব্যাংকিং
খাত
ও
পুঁজিবাজার
বড়
ধরনের
চ্যালেঞ্জের
সম্মুখীন
হয়।
আর্থিক
খাতের
এই
ধারাবাহিক
সংকট
ও
ভঙ্গুরতা
সরাসরি
দারিদ্র্য
বিমোচনের
ধারাকে
বিপরীতমুখী
করে।
এডমিন 














