১০:২৩ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ২১ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ৯ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

আয়েশা (রা.)-এর ঘর ও সংসার

  • এডমিন
  • আপডেট সময়ঃ ১২:০৪:০০ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ২১ ফেব্রুয়ারী ২০২৬
  • 2

নবীজির
পারিবারিক
জীবনে
সময়
বণ্টন
ছিল
ন্যায়

ভারসাম্যের
এক
অনুপম
দৃষ্টান্ত।
প্রথম
দিকে
যখন
তাঁর
স্ত্রী
ছিলেন
কেবল
সাওদা

আয়েশা,
তখন
এক
রাত
পর
পর
আয়েশার
কাছে
থাকতেন।
পরে
অন্যান্য
স্ত্রীদের
সঙ্গে
বিবাহ
হলে
সবার
জন্য
একদিন
করে
নির্ধারিত
থাকত।

তবে
আয়েশার
ক্ষেত্রে
থাকতেন
দুইদিন—একদিন
তার
নিজের
অধিকার,
আরেক
দিন
হজরত
সাওদা
রা.–এর
দান
করা
দিন।
এতে
আয়েশার
প্রতি
নবীজির
বিশেষ
স্নেহ
যেমন
ফুটে
ওঠে,
তেমনি
অন্য
স্ত্রীর
উদারতা

পারস্পরিক
ভালোবাসার
চিত্রও
স্পষ্ট
হয়।
(সহিহ
বুখারি,
হাদিস
:২৫৯৪,
সহিহ
মুসলিম,
হাদিস
:
১৬৬৩)

এই
ঘরে
সাংসারিক
প্রাচুর্য
বা
ভোগবিলাসের
কোনো
স্থান
ছিল
না।
নবীজির
প্রয়োজন
ছিল
অল্প,
আর
সেই
অল্পেই
ছিল
পরিতৃপ্তি।
আয়েশা
(রা.)
বলেন,
নবীজির
জীবদ্দশায়
এমন
কোনো
সময়
আসেনি,
যখন
একাধারে
তিন
দিন
তাদের
পরিবার
রুটি

তরকারি
খেয়ে
তৃপ্ত
হতে
পেরেছে।

কখনো
কখনো
এমন
মাস
পার
হয়ে
যেত,
যখন
ঘরে
রুটি
বানানো
বা
ডেগভর্তি
কিছু
রান্নার
সুযোগই
হতো
না।
আবার
এমন
মাসও
যেত,
যখন
কোনো
ঘর
থেকে
ধোঁয়া
উঠতে
দেখা
যেত
না—শুধু
খেজুর

পানি
খেয়েই
দিন
কাটত
তাদের।
(সহিহ
বুখারি,
হাদিস
:
৫৪২৩,
সুনানে
নাসায়ি,
হাদিস
:
৪৪৩২
)

ট্যাগঃ
জনপ্রিয় খবর

আয়েশা (রা.)-এর ঘর ও সংসার

আপডেট সময়ঃ ১২:০৪:০০ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ২১ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

নবীজির
পারিবারিক
জীবনে
সময়
বণ্টন
ছিল
ন্যায়

ভারসাম্যের
এক
অনুপম
দৃষ্টান্ত।
প্রথম
দিকে
যখন
তাঁর
স্ত্রী
ছিলেন
কেবল
সাওদা

আয়েশা,
তখন
এক
রাত
পর
পর
আয়েশার
কাছে
থাকতেন।
পরে
অন্যান্য
স্ত্রীদের
সঙ্গে
বিবাহ
হলে
সবার
জন্য
একদিন
করে
নির্ধারিত
থাকত।

তবে
আয়েশার
ক্ষেত্রে
থাকতেন
দুইদিন—একদিন
তার
নিজের
অধিকার,
আরেক
দিন
হজরত
সাওদা
রা.–এর
দান
করা
দিন।
এতে
আয়েশার
প্রতি
নবীজির
বিশেষ
স্নেহ
যেমন
ফুটে
ওঠে,
তেমনি
অন্য
স্ত্রীর
উদারতা

পারস্পরিক
ভালোবাসার
চিত্রও
স্পষ্ট
হয়।
(সহিহ
বুখারি,
হাদিস
:২৫৯৪,
সহিহ
মুসলিম,
হাদিস
:
১৬৬৩)

এই
ঘরে
সাংসারিক
প্রাচুর্য
বা
ভোগবিলাসের
কোনো
স্থান
ছিল
না।
নবীজির
প্রয়োজন
ছিল
অল্প,
আর
সেই
অল্পেই
ছিল
পরিতৃপ্তি।
আয়েশা
(রা.)
বলেন,
নবীজির
জীবদ্দশায়
এমন
কোনো
সময়
আসেনি,
যখন
একাধারে
তিন
দিন
তাদের
পরিবার
রুটি

তরকারি
খেয়ে
তৃপ্ত
হতে
পেরেছে।

কখনো
কখনো
এমন
মাস
পার
হয়ে
যেত,
যখন
ঘরে
রুটি
বানানো
বা
ডেগভর্তি
কিছু
রান্নার
সুযোগই
হতো
না।
আবার
এমন
মাসও
যেত,
যখন
কোনো
ঘর
থেকে
ধোঁয়া
উঠতে
দেখা
যেত
না—শুধু
খেজুর

পানি
খেয়েই
দিন
কাটত
তাদের।
(সহিহ
বুখারি,
হাদিস
:
৫৪২৩,
সুনানে
নাসায়ি,
হাদিস
:
৪৪৩২
)