মিফতাহুলের
বাবা
সাদেকুল
ইসলাম
তখন
বলেছিলেন,
‘ঘটনার
দিন
বিকেলে
আমার
ছেলেকে
বাসা
থেকে
ডেকে
নিয়ে
যায়
তার
সহপাঠীরা।
স্কুলের
ভেতরে
কথা–কাটাকাটির
এক
পর্যায়ে
ছুরিকাঘাত
করে।
যারা
ছুরিকাঘাত
করে,
তারা
সবাই
মাদকাসক্ত।
আমার
ছেলেকে
তাদের
দলে
নিতে
চেয়েছিল।
সে
যেতে
রাজি
না
হওয়ায়
ছুরিকাঘাত
করা
হয়।
আমি
এর
বিচার
চাই।’
স্থানীয়
লোকজন
জানান,
বিভিন্ন
শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের
উঠতি
বয়সী
শিক্ষার্থীরা
দল
বেঁধে
গ্যাং
কালচারে
জড়িয়ে
পড়ছে।
মাদকের
সঙ্গেও
জড়াচ্ছে।
এক
দল
আরেক
দলের
সঙ্গে
মারধর,
ছিনতাই—এসব
ঘটনা
প্রায়ই
ঘটছে।
কিন্তু
এসব
রোধে
কার্যকর
ব্যবস্থা
নেওয়া
হচ্ছে
না।
ময়মনসিংহের
অতিরিক্ত
পুলিশ
সুপার
(প্রশাসন)
আবদুল্লাহ
আল
মামুন
বলেন,
‘কিশোর
দলটি
নিজেদের
এলাকায়
সন্ধ্যার
দিকে
যারা
ঘুরতে
যায়,
তাদের
“ঠেক”
দিত।
তারা
সবাই
অপ্রাপ্তবয়স্ক
এবং
বিভিন্ন
শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের
শিক্ষার্থী।
ঘটনার
পর
থেকে
দলটিকে
পাওয়া
যাচ্ছে
না।
তারা
মুঠোফোনও
ব্যবহার
করে
না।
পরিবারগুলোও
খুবই
দরিদ্র।
একজনকে
ধরে
কিশোর
সংশোধনাগারে
পাঠানো
হয়েছে।
রিমান্ড
হলে
বিস্তারিত
জানতে
পারতাম।
কিন্তু
অপ্রাপ্তবয়স্ক
হওয়ায়
সেই
সুযোগ
নেই।
অন্যদের
ধরতে
পারলে
হয়তো
বিস্তারিত
জানা
যাবে,
আসলে
কী
ঘটেছিল।’
এডমিন 
















