শুক্রবার
দুপুরে
মসজিদটি
ঘুরে
দেখা
গেছে,
বড়
আকৃতির
এক
গম্বুজের
একটি
মসজিদ।
গম্বুজটি
কালো
রং
করা।
এক
গম্বুজ
ঘিরে
আছে
আরও
ছোট
ছোট
গম্বুজ।
ভেতরে
ও
বাইরে
নানা
কারুকার্য।
অনেক
কারুকাজ
নষ্ট
হয়ে
যাওয়ায়
দুই
দশক
আগে
সংস্কার
করে
রং
করা
হয়।
ভেতরে
বেশি
লোক
নামাজ
পড়তে
না
পারায়
বাইরে
কিছু
অংশ
বাড়ানো
হয়েছে।
মসজিদের
সামনে
কথা
হয়
সত্তরোর্ধ্ব
মো.
আজিজুল
হকের
সঙ্গে।
তিনি
বলেন,
‘আমার
বাপ-দাদারা
বলেছে
মসজিদটি
৫০০
বছরের
পুরোনো
হবে।
তারাও
মারা
গেছে
প্রায়
১০০
বছর।
বাঘেরগাঁও,
কান্দিপাড়া,
তেরশ্রী,
নাগারকান্দি
ও
নূরাপাড়া
গ্রামের
মানুষের
জন্য
মসজিদটি
ছিল।
পরে
আয়তন
বাড়িয়ে
এখন
১০০
জনের
মতো
নামাজ
পড়তে
পারে।’
তাঁর
দাবি,
মসজিদটি
মোগল
আমলে
তৈরি
হয়েছে।
দক্ষিণ
গফরগাঁওয়ে
এমন
পুরোনো
ও
সুন্দর
মসজিদ
আর
নেই।
এডমিন 















