বাংলাদেশের
একটি
বেসরকারি
হেলথ
ফাউন্ডেশনের
জরিপে
দেখা
গেছে,
যাঁরা
ইফতারে
নিয়মিত
টক
দই
বা
প্রোবায়োটিক
পানীয়
গ্রহণ
করেন,
তাঁদের
মধ্যে
রমজানের
শেষার্ধে
ক্লান্তি
ও
অ্যাসিডিটির
হার
অন্যদের
তুলনায়
অনেক
কম।
এ
ছাড়া
অ্যাডভান্স
রিসার্চ
বলছে,
প্রোবায়োটিক
শরীরের
রোগ
প্রতিরোধক্ষমতা
বা
ইমিউন
সিস্টেমের
৭০-৮০
শতাংশ
নিয়ন্ত্রণ
করে,
যা
দীর্ঘ
রোজার
ক্লান্তি
মোকাবিলায়
সহায়ক।
তাই
ইফতার
ও
সাহ্রিতে
প্রোবায়োটিকের
সঠিক
সমন্বয়
করা
খুব
জরুরি।
ইফতারের
শুরুতে
ভাজাপোড়া
খাওয়ার
আগে
প্রোবায়োটিক
গ্রহণ
করা
সবচেয়ে
বুদ্ধিমানের
কাজ।
যেমন—
টক
দই
ও
লাচ্ছি:
চিনি
ছাড়া
টক
দই
বা
পাতলা
লাচ্ছি
অন্ত্রের
অ্যাসিডিটিকে
প্রশমিত
করে।
ইফতারে
শরবত
না
খেয়ে
পান
করতে
পারেন
চিনিবিহীন
এক
গ্লাস
লাচ্ছি।
ঘোল:
দেশীয়
ঘোল
প্রোবায়োটিকের
চমৎকার
উৎস।
এটি
ইলেকট্রোলাইটের
ব্যালান্স
ঠিক
রাখে।
আবার
সাহ্রির
শেষ
দিকে
প্রোবায়োটিক
গ্রহণ
করলে
সারা
দিন
অন্ত্র
শান্ত
থাকে।
যেমন—
ফল
ও
টক
দইয়ের
মিশ্রণ:
কলা
বা
আপেলের
সঙ্গে
টক
দই
মিশিয়ে
খেলে
‘প্রোবায়োটিক’
ও
‘প্রিবায়োটিক’-এর
সমন্বয়
তৈরি
হয়,
যা
দীর্ঘক্ষণ
পেট
ভরা
রাখে
এবং
হজম
সহজ
করে।
পান্তা
ভাত:
যদিও
এটি
ঐতিহ্যগত,
তবে
বৈজ্ঞানিকভাবে
পান্তা
ভাতে
প্রচুর
ল্যাকটোব্যাসিলাস
থাকে,
যা
অন্ত্রের
জন্য
মহৌষধ।
তাই
যাঁদের
হজমজনিত
সমস্যা
বেশি,
তাঁরা
সাহ্রিতে
পান্তাভাত
রাখার
চেষ্টা
করুন।
শুধু
প্রোবায়োটিক
খেলেই
হবে
না,
তাদেরও
খাবার
দিতে
হবে।
এই
খাবারকে
বলা
হয়
প্রিবায়োটিক।
এডমিন 

















