০৫:৫৬ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৬ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ১৩ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

৩৫ বিলিয়ন ডলার ছাড়ালো রিজার্ভ

  • এডমিন
  • আপডেট সময়ঃ ০৬:০৩:৩৪ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৬
  • 3

দেশের বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ আরও বেড়েছে। বর্তমানে তা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৩৫ দশমিক ০৩ বিলিয়ন ডলার। আর আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিল (আইএমএফ) নির্ধারিত বিপিএম-৬ পদ্ধতিতে হিসাব করলে এর পরিমাণ প্রায় ৩০ দশমিক ২৮ বিলিয়ন ডলার।

বাংলাদেশ ব্যাংকের নির্বাহী পরিচালক ও মুখপাত্র আরিফ হোসেন খান এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন। তিনি বলেন, বুধবার (২৫ ফেব্রুয়ারি) দিন শেষ রিজার্ভ প্রায় ৩৫ দশমিক ০৩ বিলিয়ন ডলারে দাঁড়িয়েছে।

এর আগে গত ১৭ ফেব্রুয়ারি রিজার্ভ বেড়ে হয় প্রায় ৩৪ দশমিক ৫৪ বিলিয়ন ডলার। যা আইএমএফ নির্ধারিত বিপিএম-৬ পদ্ধতি মতে ছিল প্রায় ২৯ দশমিক ৮৬ বিলিয়ন ডলার।

মাসের শুরুতে ২ ফেব্রুয়ারি রিজার্ভ ছিল ৩৩ দশমিক ২৫ বিলিয়ন ডলার। আইএমএফের বিপিএম-৬ পদ্ধতিতে যার পরিমাণ ছিল প্রায় ২৮ দশমিক ৭৫ বিলিয়ন ডলার।

চলতি বছরের ১৫ জানুয়ারি রিজার্ভের পরিমাণ পৌঁছে ৩২ দশমিক ৩২ বিলিয়ন ডলারে। এর আগে ৮ জানুয়ারি তা ছিল ৩২ দশমিক ৪৪ বিলিয়ন ডলার। তবে এশিয়ান ক্লিয়ারিং ইউনিয়নের (আকু) দায় ১ দশমিক ৫৩ বিলিয়ন ডলার পরিশোধের পর তা কমতে যায়।

বাংলাদেশ ব্যাংকের মুখপাত্র বলেন, দেশের রিজার্ভ এখন ৩৫ বিলিয়ন ডলারের বেশি। বিপিএম-৬ হিসাব পদ্ধতি মতে এটি দাঁড়িয়েছে প্রায় ৩০ দশমিক ২৮ বিলিয়ন ডলারে।

ব্যাংক সংশ্লিষ্ট সূত্রগুলো জানিয়েছে, বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ বৃদ্ধিতে সবচেয়ে বড় অবদান রাখছে প্রবাসীদের পাঠানো রেমিট্যান্স। গত ডিসেম্বরের ধারাবাহিকতায় জানুয়ারিতেও প্রবাসীরা তিন বিলিয়ন ডলারের বেশি রেমিট্যান্স দেশে পাঠিয়েছেন।

চলতি মাস ফেব্রুয়ারির প্রথম তিন সপ্তাহে ২৩০ কোটি ৮০ লাখ ডলারের প্রবাসী আয় এসেছে দেশে। প্রতি ডলার ১২২ টাকা ধরে দেশীয় মুদ্রায় এর পরিমাণ ২৮ হাজার ১৫৭ কোটি ৬০ লাখ টাকা।

এটি গত বছরের একই সময়ের চেয়ে ৩৯ কোটি ৫০ লাখ ডলার বা ৪ হাজার ৮১৯ কোটি টাকা বেশি। গত বছরের ওই সময়ে এসেছিল ১৯১ কোটি ৩০ লাখ ডলার।

বিদায়ী জানুয়ারি মাসের পুরো সময়ে ৩১৭ কোটি ডলারের রেমিট্যান্স পাঠিয়েছেন বিভিন্ন দেশে বসবারত প্রবাসী বাংলাদেশিরা।

দেশের ইতিহাসে বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ সর্বোচ্চ ৪৮ বিলিয়ন ডলারে পৌঁছেছিল ২০২১ সালের আগস্টে। তবে অনিয়ন্ত্রিত অর্থ পাচারসহ বিভিন্ন কারণে তা কমে আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের সময় নেমে আসে ২০ দশমিক ৪৮ বিলিয়ন ডলারে। পরে অন্তর্বর্তী সরকার দায়িত্ব গ্রহণের পর তাদের নিযুক্ত গভর্নর রিজার্ভ থেকে এক ডলারও বিক্রি করেননি। পাশাপাশি এর বিনিময় হার ১২২ টাকার আশপাশে স্থিতিশীল রয়েছে। আমদানিতে ৬ শতাংশের বেশি প্রবৃদ্ধি হলেও বর্তমানে ডলার সংকট বা বাজারে কোনো হাহাকার নেই।

ইএআর/একিউএফ

পাঠকপ্রিয় অনলাইন নিউজ পোর্টাল জাগোনিউজ২৪.কমে লিখতে পারেন আপনিও। লেখার বিষয় ফিচার, ভ্রমণ, লাইফস্টাইল, ক্যারিয়ার, তথ্যপ্রযুক্তি, ধর্ম, কৃষি ও প্রকৃতি। আজই আপনার লেখাটি পাঠিয়ে দিন [email protected] ঠিকানায়।

ট্যাগঃ
জনপ্রিয় খবর

৩৫ বিলিয়ন ডলার ছাড়ালো রিজার্ভ

আপডেট সময়ঃ ০৬:০৩:৩৪ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

দেশের বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ আরও বেড়েছে। বর্তমানে তা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৩৫ দশমিক ০৩ বিলিয়ন ডলার। আর আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিল (আইএমএফ) নির্ধারিত বিপিএম-৬ পদ্ধতিতে হিসাব করলে এর পরিমাণ প্রায় ৩০ দশমিক ২৮ বিলিয়ন ডলার।

বাংলাদেশ ব্যাংকের নির্বাহী পরিচালক ও মুখপাত্র আরিফ হোসেন খান এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন। তিনি বলেন, বুধবার (২৫ ফেব্রুয়ারি) দিন শেষ রিজার্ভ প্রায় ৩৫ দশমিক ০৩ বিলিয়ন ডলারে দাঁড়িয়েছে।

এর আগে গত ১৭ ফেব্রুয়ারি রিজার্ভ বেড়ে হয় প্রায় ৩৪ দশমিক ৫৪ বিলিয়ন ডলার। যা আইএমএফ নির্ধারিত বিপিএম-৬ পদ্ধতি মতে ছিল প্রায় ২৯ দশমিক ৮৬ বিলিয়ন ডলার।

মাসের শুরুতে ২ ফেব্রুয়ারি রিজার্ভ ছিল ৩৩ দশমিক ২৫ বিলিয়ন ডলার। আইএমএফের বিপিএম-৬ পদ্ধতিতে যার পরিমাণ ছিল প্রায় ২৮ দশমিক ৭৫ বিলিয়ন ডলার।

চলতি বছরের ১৫ জানুয়ারি রিজার্ভের পরিমাণ পৌঁছে ৩২ দশমিক ৩২ বিলিয়ন ডলারে। এর আগে ৮ জানুয়ারি তা ছিল ৩২ দশমিক ৪৪ বিলিয়ন ডলার। তবে এশিয়ান ক্লিয়ারিং ইউনিয়নের (আকু) দায় ১ দশমিক ৫৩ বিলিয়ন ডলার পরিশোধের পর তা কমতে যায়।

বাংলাদেশ ব্যাংকের মুখপাত্র বলেন, দেশের রিজার্ভ এখন ৩৫ বিলিয়ন ডলারের বেশি। বিপিএম-৬ হিসাব পদ্ধতি মতে এটি দাঁড়িয়েছে প্রায় ৩০ দশমিক ২৮ বিলিয়ন ডলারে।

ব্যাংক সংশ্লিষ্ট সূত্রগুলো জানিয়েছে, বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ বৃদ্ধিতে সবচেয়ে বড় অবদান রাখছে প্রবাসীদের পাঠানো রেমিট্যান্স। গত ডিসেম্বরের ধারাবাহিকতায় জানুয়ারিতেও প্রবাসীরা তিন বিলিয়ন ডলারের বেশি রেমিট্যান্স দেশে পাঠিয়েছেন।

চলতি মাস ফেব্রুয়ারির প্রথম তিন সপ্তাহে ২৩০ কোটি ৮০ লাখ ডলারের প্রবাসী আয় এসেছে দেশে। প্রতি ডলার ১২২ টাকা ধরে দেশীয় মুদ্রায় এর পরিমাণ ২৮ হাজার ১৫৭ কোটি ৬০ লাখ টাকা।

এটি গত বছরের একই সময়ের চেয়ে ৩৯ কোটি ৫০ লাখ ডলার বা ৪ হাজার ৮১৯ কোটি টাকা বেশি। গত বছরের ওই সময়ে এসেছিল ১৯১ কোটি ৩০ লাখ ডলার।

বিদায়ী জানুয়ারি মাসের পুরো সময়ে ৩১৭ কোটি ডলারের রেমিট্যান্স পাঠিয়েছেন বিভিন্ন দেশে বসবারত প্রবাসী বাংলাদেশিরা।

দেশের ইতিহাসে বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ সর্বোচ্চ ৪৮ বিলিয়ন ডলারে পৌঁছেছিল ২০২১ সালের আগস্টে। তবে অনিয়ন্ত্রিত অর্থ পাচারসহ বিভিন্ন কারণে তা কমে আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের সময় নেমে আসে ২০ দশমিক ৪৮ বিলিয়ন ডলারে। পরে অন্তর্বর্তী সরকার দায়িত্ব গ্রহণের পর তাদের নিযুক্ত গভর্নর রিজার্ভ থেকে এক ডলারও বিক্রি করেননি। পাশাপাশি এর বিনিময় হার ১২২ টাকার আশপাশে স্থিতিশীল রয়েছে। আমদানিতে ৬ শতাংশের বেশি প্রবৃদ্ধি হলেও বর্তমানে ডলার সংকট বা বাজারে কোনো হাহাকার নেই।

ইএআর/একিউএফ

পাঠকপ্রিয় অনলাইন নিউজ পোর্টাল জাগোনিউজ২৪.কমে লিখতে পারেন আপনিও। লেখার বিষয় ফিচার, ভ্রমণ, লাইফস্টাইল, ক্যারিয়ার, তথ্যপ্রযুক্তি, ধর্ম, কৃষি ও প্রকৃতি। আজই আপনার লেখাটি পাঠিয়ে দিন [email protected] ঠিকানায়।