মূলত
এই
জালগুলো
ড্রোনের
প্রপেলার
বা
পাখা
আটকে
দেয়।
ফলে
ড্রোনগুলো
মূল্যবান
সামরিক
সরঞ্জাম,
সেনাসদস্য
বা
বেসামরিক
লক্ষ্যবস্তুতে
পৌঁছানোর
আগেই
অকার্যকর
হয়ে
পড়ে।
টেলিগ্রাম
অ্যাপে
দেওয়া
এক
বার্তায়
ফেদোরভ
বলেন,
‘জানুয়ারি
মাসে
আমরা
দৈনিক
৫
কিলোমিটার
করে
কাজ
করছিলাম,
ফেব্রুয়ারিতে
তা
বাড়িয়ে
১২
কিলোমিটারে
উন্নীত
করেছি।
এতে
সামরিক
যাতায়াতব্যবস্থা
আরও
নিরাপদ
হয়েছে
এবং
সম্মুখসারির
এলাকাগুলোর
স্বাভাবিক
কার্যক্রম
নিশ্চিত
করা
সম্ভব
হচ্ছে।’
এডমিন 


















