০৫:৪৭ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ৩১ মার্চ ২০২৬, ১৬ চৈত্র ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

দাউদ-ই-তায়ির জীবনী

  • এডমিন
  • আপডেট সময়ঃ ১২:০৩:১৮ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ২৭ ফেব্রুয়ারী ২০২৬
  • 16

বলা
হয়ে
থাকে,
প্রকাণ্ড
এক
প্রাসাদ
ছিল
দাউদের,
যার
ছিল
অগণন
কুঠুরি।
তিনি
সে
পর্যন্তই
একটা
কুঠুরিতে
থাকতেন,
যে
পর্যন্ত
না
সেটা
জীর্ণ
হয়ে
ভেঙে
পড়ত।
এরপর
তিনি
চলে
যেতেন
অন্য
কোনো
কুঠুরিতে।
‘আপনি
কুঠুরিটা
ঠিকঠাক
করছেন
না
কেন?’
তাঁর
কাছে
জানতে
চাওয়া
হয়।
‘আমি
আল্লাহর
সঙ্গে
চুক্তি
করেছি,
এই
পৃথিবীকে
আর
মেরামত
না
করার,’
জবাবে
তিনি
বললেন।
ধীরে
ধীরে
পুরো
প্রাসাদই
একটা
সময়
ধসে
পড়ল।
শুধু
প্রবেশপথের
বারান্দা
ছাড়া
আর
কিছু
অবশিষ্ট
থাকল
না।
যে
রাত্রে
দাউদ
মারা
গেলেন,
সেদিন
ওই
বারান্দাটাও
পড়ে
গেল।
‘এই
কুঠুরির
ছাদে
তো
ফাটল
ধরেছে’,
আরেক
দর্শনার্থী
একবার
মন্তব্য
করলেন।
‘এটা
এক্ষুনি
ভেঙে
পড়বে।’
‘গত
২০
বছর
আমি
এর
ছাদের
দিকে
তাকাইনি’,
দাউদ
উত্তর
দিলেন।

‘আপনি
বিয়ে
করছেন
না
কেন?’
দাউদকে
জিজ্ঞাসা
করা
হয়।
‘কোনো
বিশ্বাসী
নারীকে
আমি
ঠকাতে
পারব
না’,
জবাবে
তিনি
বললেন।
‘সেটা
কী
রকম?’
‘যদি
কোনো
নারীকে
আমি
বিয়ের
প্রস্তাব
দিই,
তার
মানে
হলো
এই—আমি
তার
জীবনের
সব
দায়িত্ব
গ্রহণ
করছি।
যেহেতু
আমি
আমার
ধর্মীয়
কর্তব্য
আর
পার্থিব
কাজ,
একসঙ্গে
দুই
দিকে
মনোযোগ
দিতে
পারব
না,
সুতরাং
এর
অর্থ
হলো
আমি
তার
সঙ্গে
প্রতারণা
করব’,
দাউদ
বুঝিয়ে
বললেন।
‘বেশ,
অন্তত
আপনার
দাড়িটা
তো
আঁচড়ে
নিন’,
তাঁরা
বললেন।
‘এর
মানে
হলো
এই
কাজ
করার
মতো
অবসর
আমার
আছে’,
উত্তরে
তিনি
বললেন।

এক
জ্যোৎস্না
রাতে
দাউদ
তাঁর
প্রাসাদের
ছাদে
উঠলেন
আর
তাকালেন
আকাশের
দিকে।
আল্লাহর
রাজ্যের
শ্রেষ্ঠত্বের
কথা
চিন্তা
করে
তিনি
ধ্যানমগ্ন
হয়ে
পড়লেন,
আর
কাঁদতে
কাঁদতে
অজ্ঞান
হয়ে
গেলেন।
তাঁর
ছাদ
থেকে
ছিটকে
পড়লেন
প্রতিবেশীর
ছাদে।
প্রতিবেশী
ভাবলেন,
তাঁর
ছাদে
হয়তো
কোনো
চোর
এসে
পড়েছে।
তাই
তিনি
তলোয়ার
হাতে
ছুটে
এলেন।
দাউদকে
সেখানে
দেখতে
পেয়ে
তাঁর
হাত
ধরলেন
আর
জানতে
চাইলেন,
‘কে
আপনাকে
এখানে
ছুড়ে
ফেলেছে?’
‘আমি
তো
সেটা
জানি
না’,
দাউদ
জবাব
দিলেন।
‘আমি
একটা
ঘোরের
মধ্যে
ছিলাম,
একটুও
ধারণা
আমার
নেই।’

একবার
দাউদকে
দেখা
গেল
তড়িঘড়ি
করে
তিনি
নামাজে
যাচ্ছেন।
‘এত
তটস্থ
কী
কারণে?’
তাঁকে
জিজ্ঞাসা
করা
হয়।
‘শহরের
প্রবেশপথে
যে
সেনাবাহিনী
অপেক্ষা
করে
আছে,
তাদের
কারণে,’
উত্তরে
তিনি
বললেন।
‘ওরা
আমার
জন্য
প্রতীক্ষায়
আছে।’
‘কোন
সেনাবাহিনী?’
বিস্ময়ে
তাঁরা
বলে
উঠলেন।
‘কবরস্থানের
অধিবাসীরা’,
দাউদ
উত্তর
দিলেন।

ট্যাগঃ
জনপ্রিয় খবর

ডিএমপির গুলশান ও ক্যান্টনমেন্ট থানার ওসি রদবদল

দাউদ-ই-তায়ির জীবনী

আপডেট সময়ঃ ১২:০৩:১৮ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ২৭ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

বলা
হয়ে
থাকে,
প্রকাণ্ড
এক
প্রাসাদ
ছিল
দাউদের,
যার
ছিল
অগণন
কুঠুরি।
তিনি
সে
পর্যন্তই
একটা
কুঠুরিতে
থাকতেন,
যে
পর্যন্ত
না
সেটা
জীর্ণ
হয়ে
ভেঙে
পড়ত।
এরপর
তিনি
চলে
যেতেন
অন্য
কোনো
কুঠুরিতে।
‘আপনি
কুঠুরিটা
ঠিকঠাক
করছেন
না
কেন?’
তাঁর
কাছে
জানতে
চাওয়া
হয়।
‘আমি
আল্লাহর
সঙ্গে
চুক্তি
করেছি,
এই
পৃথিবীকে
আর
মেরামত
না
করার,’
জবাবে
তিনি
বললেন।
ধীরে
ধীরে
পুরো
প্রাসাদই
একটা
সময়
ধসে
পড়ল।
শুধু
প্রবেশপথের
বারান্দা
ছাড়া
আর
কিছু
অবশিষ্ট
থাকল
না।
যে
রাত্রে
দাউদ
মারা
গেলেন,
সেদিন
ওই
বারান্দাটাও
পড়ে
গেল।
‘এই
কুঠুরির
ছাদে
তো
ফাটল
ধরেছে’,
আরেক
দর্শনার্থী
একবার
মন্তব্য
করলেন।
‘এটা
এক্ষুনি
ভেঙে
পড়বে।’
‘গত
২০
বছর
আমি
এর
ছাদের
দিকে
তাকাইনি’,
দাউদ
উত্তর
দিলেন।

‘আপনি
বিয়ে
করছেন
না
কেন?’
দাউদকে
জিজ্ঞাসা
করা
হয়।
‘কোনো
বিশ্বাসী
নারীকে
আমি
ঠকাতে
পারব
না’,
জবাবে
তিনি
বললেন।
‘সেটা
কী
রকম?’
‘যদি
কোনো
নারীকে
আমি
বিয়ের
প্রস্তাব
দিই,
তার
মানে
হলো
এই—আমি
তার
জীবনের
সব
দায়িত্ব
গ্রহণ
করছি।
যেহেতু
আমি
আমার
ধর্মীয়
কর্তব্য
আর
পার্থিব
কাজ,
একসঙ্গে
দুই
দিকে
মনোযোগ
দিতে
পারব
না,
সুতরাং
এর
অর্থ
হলো
আমি
তার
সঙ্গে
প্রতারণা
করব’,
দাউদ
বুঝিয়ে
বললেন।
‘বেশ,
অন্তত
আপনার
দাড়িটা
তো
আঁচড়ে
নিন’,
তাঁরা
বললেন।
‘এর
মানে
হলো
এই
কাজ
করার
মতো
অবসর
আমার
আছে’,
উত্তরে
তিনি
বললেন।

এক
জ্যোৎস্না
রাতে
দাউদ
তাঁর
প্রাসাদের
ছাদে
উঠলেন
আর
তাকালেন
আকাশের
দিকে।
আল্লাহর
রাজ্যের
শ্রেষ্ঠত্বের
কথা
চিন্তা
করে
তিনি
ধ্যানমগ্ন
হয়ে
পড়লেন,
আর
কাঁদতে
কাঁদতে
অজ্ঞান
হয়ে
গেলেন।
তাঁর
ছাদ
থেকে
ছিটকে
পড়লেন
প্রতিবেশীর
ছাদে।
প্রতিবেশী
ভাবলেন,
তাঁর
ছাদে
হয়তো
কোনো
চোর
এসে
পড়েছে।
তাই
তিনি
তলোয়ার
হাতে
ছুটে
এলেন।
দাউদকে
সেখানে
দেখতে
পেয়ে
তাঁর
হাত
ধরলেন
আর
জানতে
চাইলেন,
‘কে
আপনাকে
এখানে
ছুড়ে
ফেলেছে?’
‘আমি
তো
সেটা
জানি
না’,
দাউদ
জবাব
দিলেন।
‘আমি
একটা
ঘোরের
মধ্যে
ছিলাম,
একটুও
ধারণা
আমার
নেই।’

একবার
দাউদকে
দেখা
গেল
তড়িঘড়ি
করে
তিনি
নামাজে
যাচ্ছেন।
‘এত
তটস্থ
কী
কারণে?’
তাঁকে
জিজ্ঞাসা
করা
হয়।
‘শহরের
প্রবেশপথে
যে
সেনাবাহিনী
অপেক্ষা
করে
আছে,
তাদের
কারণে,’
উত্তরে
তিনি
বললেন।
‘ওরা
আমার
জন্য
প্রতীক্ষায়
আছে।’
‘কোন
সেনাবাহিনী?’
বিস্ময়ে
তাঁরা
বলে
উঠলেন।
‘কবরস্থানের
অধিবাসীরা’,
দাউদ
উত্তর
দিলেন।