বড়
মসজিদের
ইমাম
মো.
নুরুননবী
মিয়া
প্রথম
আলোকে
বলেন,
বড়
মসজিদেই
মূলত
পাঁচ
ওয়াক্ত
ও
জুমার
নামাজ
আদায়
করা
হয়।
ছোট
মসজিদে
নিয়মিত
নামাজ
পড়া
হয়
না।
একসঙ্গে
চার
থেকে
পাঁচজন
নামাজ
পড়তে
পারেন।
মাঝেমধ্যে
দূরদূরান্তের
লোকজন
এসে
নিয়ত
করে
ছোট
মসজিদে
নামাজ
আদায়
করেন।
সরেজমিনে
দেখা
গেছে,
প্রাচীন
স্থাপত্য
নকশায়
তৈরি
মসজিদের
দরজা
লোহার
তৈরি
করা।
দরজার
ওপরে
দৃষ্টিকাড়া
নকশা।
ভেতরে
আরবি
হরফ।
এক
পাশেই
বড়
মসজিদ।
এলাকার
প্রবীণ
বাসিন্দারা
জানান,
মসজিদটি
নিয়ে
মানুষের
আগ্রহের
শেষ
নেই।
মসজিদটি
ঠিক
কবে,
কখন
নির্মাণ
করা
হয়েছে,
সে
ব্যাপারে
বিভিন্ন
জনশ্রুতি
আছে।
আনুমানিক
২০০
বছর
আগে
এক
রাতে
অলৌকিকভাবে
মসজিদটি
তৈরি
হয়
বলেও
আলোচনা
আছে।
এডমিন 


















