ইতিহাসের
দিকে
তাকালে
অবশ্য
যুক্তরাষ্ট্রের
ভূমিকা
অসংলগ্ন
মনে
হবে
না।
দ্বিতীয়
বিশ্বযুদ্ধের
পর
গত
কয়েক
দশকে
গণহত্যা,
ধ্বংসযজ্ঞের
ইতিহাস
দেখলে
ঘাতক
বা
ধ্বংসকারী
হিসেবে
এই
রাষ্ট্রের
চেহারাই
সবচেয়ে
ভয়ংকর
দেখা
যায়।
মানব
ইতিহাসে
প্রথম
যুক্তরাষ্ট্র
কর্তৃক
পারমাণবিক
বোমা
বিস্ফোরণের
কারণে
মুহূর্তের
মধ্যে
হিরোশিমা
ও
নাগাসাকিতে
লক্ষাধিক
মানুষ
নিহত
হয়েছিলেন।
এরপরও
ভিয়েতনাম,
ইন্দোনেশিয়া,
নিকারাগুয়া,
ইরাকসহ
বহু
দেশে
লাখ
লাখ
মানুষ
হত্যা,
একের
পর
এক
জনপদ
ধ্বংস
করায়,
বহু
দেশের
সম্ভাবনা
বিনাশে
তাদের
ভূমিকাই
প্রধান।
২০০১
সালের
১১
সেপ্টেম্বরের
পরে
আফগানিস্তানে
সামরিক
অভিযান
চালানো
হয়।
মার্কিন
সেনা
ও
গোয়েন্দা
কর্মকর্তাদের
কথাবার্তার
মধ্যে
তখনই
ছিল
এরপর
ইরাক,
লিবিয়া,
সিরিয়া
এবং
ইরান
দখলের
পরিকল্পনা।
২০০৩
সালের
মার্চ
মাসে
এর
আগেই
অবরোধে
বিপর্যস্ত
ইরাক
আক্রমণ
ও
দখল
করে
মার্কিন
প্রশাসন।
যৌক্তিকতা
তৈরির
জন্য
সাজানো
হয়
মানববিধ্বংসী
অস্ত্রের
মিথ্যা
গালগল্প।
যথারীতি
দখলকার্য
সম্পন্ন
হওয়ার
পর
এর
কোনো
সন্ধান
কেউ
পায়নি।
অর্থাৎ
বছরের
পর
বছর
ধরে
যে
বিষয়
প্রচার
করে
সাধারণ
মানুষকে
আতঙ্কিত
এবং
বিদ্বেষী
করে
তোলা
হলো,
বিপুল
সম্পদ
শিক্ষা
ও
স্বাস্থ্য
খাত
থেকে
উঠিয়ে
নিয়ে
যুদ্ধ
আয়োজনে
লাগানো
হলো,
যে
অজুহাত
ধরে
জাতিসংঘের
সদস্য
সার্বভৌম
রাষ্ট্রের
ওপর
একতরফা
হামলা,
গণহত্যা
ও
ধ্বংসযজ্ঞ
চালানো
হলো
এবং
সবশেষে
ঔপনিবেশিক
দখলদারত্ব
কায়েম
করা
হলো,
সেই
পুরো
ব্যাপারটাই
জালিয়াতি,
প্রতারণা
এবং
পুরোপুরি
মিথ্যাচার।
কিন্তু
এর
জন্য
দায়ী
মার্কিন
প্রশাসন,
বিশেষত
একাধিক
প্রেসিডেন্টকে
কোনো
জবাবদিহি
করতে
হয়নি,
যুদ্ধাপরাধের
দায়ে
যাঁদের
দণ্ডিত
হওয়ার
কথা।
এডমিন 
















