০৫:০৬ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ৩০ মার্চ ২০২৬, ১৫ চৈত্র ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

অধ্যাপক সাখাওয়াত আলী খান চলে গেলেন

  • এডমিন
  • আপডেট সময়ঃ ১২:০৩:৩০ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ৯ মার্চ ২০২৬
  • 19

দেশের সাংবাদিকতা শিক্ষার অন্যতম পথিকৃৎ অধ্যাপক সাখাওয়াত আলী খান আর নেই (ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)।

রোববার (৮ মার্চ) রাতে রাজধানীর একটি বেসরকারি হাসপাতালে তিনি শেষ নিশ্বাস ত্যাগ করেন। তার বয়স হয়েছিল ৮৫ বছর।

সাখাওয়াত আলীর পরিবারের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, কিছুদিন আগে তিনি স্ট্রোক করেছিলেন। তখন কয়েক দিন হাসপাতালে চিকিৎসা নেওয়ার পর তাকে বাসায় নেওয়া হয়। রোববার রাতে হঠাৎ অসুস্থ হয়ে পড়লে তাকে দ্রুত হাসপাতালে নেওয়া হয়। পরে চিকিৎসকরা মৃত ঘোষণা করেন।

অধ্যাপক সাখাওয়াত আলী খান স্ত্রী, এক ছেলে, এক মেয়ে, দুই নাতিসহ অসংখ্য ছাত্রছাত্রী ও গুণগ্রাহী রেখে গেছেন।

১৯৪১ সালে নরসিংদীর শিবপুর উপজেলায় এক সম্ভ্রান্ত পরিবারে জন্মগ্রহণ করেন সাখাওয়াত আলী খান। শিক্ষকতা পেশায় আসার আগে প্রায় এক দশক তিনি বিভিন্ন জাতীয় দৈনিকে সাংবাদিকতা করেছেন। দীর্ঘ সময় ধরে তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা বিভাগে শিক্ষকতা করেন এবং ২০০৮ সালে সেখান থেকে অবসরে যান। পরে পাঁচ বছর তিনি একই বিভাগে সংখ্যাতিরিক্ত (সুপার নিউমারারি) অধ্যাপক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। মৃত্যুর আগ পর্যন্ত তিনি বিভাগটির অনারারি প্রফেসর ছিলেন।

এছাড়া তিনি ড্যাফোডিল ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটির সাংবাদিকতা বিভাগের খণ্ডকালীন উপদেষ্টা এবং ইউনিভার্সিটি অব লিবারেল আর্টস বাংলাদেশের সামাজিক বিজ্ঞান অনুষদের ডিন হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন।

অধ্যাপক সাখাওয়াত আলী খান কনজ্যুমার অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশের প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি এবং সোসাইটি ফর এনভায়রনমেন্ট অ্যান্ড সোশ্যাল ডেভেলপমেন্টের চেয়ারম্যান ছিলেন। সাংবাদিকতা ও রাজনীতির মিথস্ক্রিয়া ছিল তার গবেষণার অন্যতম প্রধান ক্ষেত্র।

তিনি বাংলাদেশ প্রেস কাউন্সিল এবং প্রেস ইনস্টিটিউট বাংলাদেশের ব্যবস্থাপনা বোর্ডের সদস্য হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন। তার লেখা ৩০টিরও বেশি গবেষণা প্রবন্ধ দেশি-বিদেশি জার্নালে প্রকাশিত হয়েছে।

এমকেআর

পাঠকপ্রিয় অনলাইন নিউজ পোর্টাল জাগোনিউজ২৪.কমে লিখতে পারেন আপনিও। লেখার বিষয় ফিচার, ভ্রমণ, লাইফস্টাইল, ক্যারিয়ার, তথ্যপ্রযুক্তি, ধর্ম, কৃষি ও প্রকৃতি। আজই আপনার লেখাটি পাঠিয়ে দিন [email protected] ঠিকানায়।

ট্যাগঃ
জনপ্রিয় খবর

সরকারি রাস্তার বরাদ্দের ইট দিয়ে নিজ বাড়ির রাস্তা করলেন ইউপি সদস্য

অধ্যাপক সাখাওয়াত আলী খান চলে গেলেন

আপডেট সময়ঃ ১২:০৩:৩০ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ৯ মার্চ ২০২৬

দেশের সাংবাদিকতা শিক্ষার অন্যতম পথিকৃৎ অধ্যাপক সাখাওয়াত আলী খান আর নেই (ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)।

রোববার (৮ মার্চ) রাতে রাজধানীর একটি বেসরকারি হাসপাতালে তিনি শেষ নিশ্বাস ত্যাগ করেন। তার বয়স হয়েছিল ৮৫ বছর।

সাখাওয়াত আলীর পরিবারের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, কিছুদিন আগে তিনি স্ট্রোক করেছিলেন। তখন কয়েক দিন হাসপাতালে চিকিৎসা নেওয়ার পর তাকে বাসায় নেওয়া হয়। রোববার রাতে হঠাৎ অসুস্থ হয়ে পড়লে তাকে দ্রুত হাসপাতালে নেওয়া হয়। পরে চিকিৎসকরা মৃত ঘোষণা করেন।

অধ্যাপক সাখাওয়াত আলী খান স্ত্রী, এক ছেলে, এক মেয়ে, দুই নাতিসহ অসংখ্য ছাত্রছাত্রী ও গুণগ্রাহী রেখে গেছেন।

১৯৪১ সালে নরসিংদীর শিবপুর উপজেলায় এক সম্ভ্রান্ত পরিবারে জন্মগ্রহণ করেন সাখাওয়াত আলী খান। শিক্ষকতা পেশায় আসার আগে প্রায় এক দশক তিনি বিভিন্ন জাতীয় দৈনিকে সাংবাদিকতা করেছেন। দীর্ঘ সময় ধরে তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা বিভাগে শিক্ষকতা করেন এবং ২০০৮ সালে সেখান থেকে অবসরে যান। পরে পাঁচ বছর তিনি একই বিভাগে সংখ্যাতিরিক্ত (সুপার নিউমারারি) অধ্যাপক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। মৃত্যুর আগ পর্যন্ত তিনি বিভাগটির অনারারি প্রফেসর ছিলেন।

এছাড়া তিনি ড্যাফোডিল ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটির সাংবাদিকতা বিভাগের খণ্ডকালীন উপদেষ্টা এবং ইউনিভার্সিটি অব লিবারেল আর্টস বাংলাদেশের সামাজিক বিজ্ঞান অনুষদের ডিন হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন।

অধ্যাপক সাখাওয়াত আলী খান কনজ্যুমার অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশের প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি এবং সোসাইটি ফর এনভায়রনমেন্ট অ্যান্ড সোশ্যাল ডেভেলপমেন্টের চেয়ারম্যান ছিলেন। সাংবাদিকতা ও রাজনীতির মিথস্ক্রিয়া ছিল তার গবেষণার অন্যতম প্রধান ক্ষেত্র।

তিনি বাংলাদেশ প্রেস কাউন্সিল এবং প্রেস ইনস্টিটিউট বাংলাদেশের ব্যবস্থাপনা বোর্ডের সদস্য হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন। তার লেখা ৩০টিরও বেশি গবেষণা প্রবন্ধ দেশি-বিদেশি জার্নালে প্রকাশিত হয়েছে।

এমকেআর

পাঠকপ্রিয় অনলাইন নিউজ পোর্টাল জাগোনিউজ২৪.কমে লিখতে পারেন আপনিও। লেখার বিষয় ফিচার, ভ্রমণ, লাইফস্টাইল, ক্যারিয়ার, তথ্যপ্রযুক্তি, ধর্ম, কৃষি ও প্রকৃতি। আজই আপনার লেখাটি পাঠিয়ে দিন [email protected] ঠিকানায়।