ট্রাম্পের
সাম্প্রতিক
কর্মকাণ্ডের
তালিকা
দীর্ঘ।
তিনি
ভেনেজুয়েলার
প্রেসিডেন্টকে
অপহরণ
করেছেন।
বিশ্বস্ত
ন্যাটো
মিত্রের
সার্বভৌম
অঞ্চল
গ্রিনল্যান্ড
দখলের
হুমকি
দিয়েছেন।
ইরানের
কল্পিত
পারমাণবিক
অস্ত্র
নিয়ে
চিৎকার
করতে
করতে
নিজে
যুক্তরাষ্ট্রের
পারমাণবিক
অস্ত্রভান্ডার
আধুনিকীকরণ
করেছেন।
জলবায়ু
ইস্যুতে
জাতিসংঘের
উদ্যোগকে
বাধাগ্রস্ত
করেছেন।
বিশ্বজুড়ে
কঠোর
বাণিজ্য
শুল্ক
আরোপ
করেছেন।
ইউরোপের
কট্টর
ডানপন্থী
দলগুলো
এবং
যুক্তরাজ্যের
রিফর্ম
ইউকে-কে
প্রকাশ্যে
সমর্থন
দিয়েছেন।
আর
সবচেয়ে
বেদনাদায়ক,
ইউক্রেনকে
বিশ্বাসঘাতকতার
মতো
ছেড়ে
দিয়ে
রাশিয়ার
প্রতি
আপসের
নীতি
নিয়েছেন।
এসব
পদক্ষেপই
ব্রিটিশ
জনগণ
এবং
ব্রিটিশ
রাষ্ট্রের
জন্য
ক্ষতিকর।
অনেকে
বলেন,
ব্রিটেন
প্রতিরক্ষা,
নিরাপত্তা
ও
গোয়েন্দা
সহযোগিতার
ক্ষেত্রে
যুক্তরাষ্ট্রের
সঙ্গে
এত
গভীরভাবে
জড়িয়ে
আছে
যে
ইরান
প্রশ্নে
তাদের
সঙ্গে
বিচ্ছেদ
ঘটানো
সম্ভব
নয়।
কিন্তু
এটি
পরাজয়ের
মানসিকতা
ছাড়া
আর
কিছু
নয়।
ইতিহাসের
অধিকাংশ
সময়ই
ব্রিটেন
মার্কিন
সহায়তা
ছাড়া
চলেছে।
ভবিষ্যতেও
চলতে
পারবে—যদিও
শুরুতে
কিছুটা
কষ্ট
হতে
পারে।
বরং
যুক্তরাষ্ট্রের
প্রযুক্তির
ওপর
নির্ভরশীল
ব্যয়বহুল
ও
অপ্রয়োজনীয়
ট্রাইডেন্ট
পারমাণবিক
ক্ষেপণাস্ত্রবাহী
সাবমেরিন
কর্মসূচি
বাতিল
করা
হলে
সেটি
ইতিবাচক
পদক্ষেপই
হবে।
ব্রিটেনের
প্রধানমন্ত্রী
কিয়ার
স্টারমারের
জন্য
এটাই
এই
যুদ্ধের
সবচেয়ে
বড়
শিক্ষা—যুদ্ধের
প্রথম
পাঠ:
শত্রুকে
চেনো
এবং
সে
অনুযায়ী
ব্যবস্থা
নাও।
এটি
ট্রাম্পের
পছন্দের
যুদ্ধ।
কিন্তু
ব্রিটেনেরও
নিজের
সিদ্ধান্ত
নেওয়ার
সুযোগ
আছে।
আমেরিকার
উপনিবেশগুলো
যেদিন
ব্রিটিশ
সাম্রাজ্য
থেকে
স্বাধীনতা
ঘোষণা
করেছিল,
তার
আড়াই
শতাব্দী
পরে
এবার
হয়তো
ব্রিটেনেরই
আমেরিকার
কাছ
থেকে
স্বাধীনতার
ঘোষণা
দেওয়ার
সময়
এসেছে।
-
সাইমন
টিসডাল
দ্য
গার্ডিয়ান–এর
পররাষ্ট্রবিষয়ক
বিশ্লেষক
দ্য
গার্ডিয়ান
থেকে
নেওয়া,
অনুবাদ:
সারফুদ্দিন
আহমেদ
এডমিন 














