ঈদের
আগের
দিনগুলোকে
আমরা
কার্ড
বানানোর
দিন
হিসেবে
ভাবতে
পারি,
যেখানে
প্রতিটি
কার্ডে
ছোট
গল্প,
কবিতা
বা
ব্যক্তিগত
অভিজ্ঞতা
লেখা
থাকতে
পারে।
এমন
ছোট
আয়োজন
শুধু
কার্ড
আদান-প্রদানের
আনন্দ
বাড়াবে
না,
বরং
সেই
পুরোনো
দিনের
স্মৃতি
ও
আবেগকে
আবার
জীবন্ত
করে
তুলবে।
ডিজিটাল
কার্ডের
ক্ষেত্রেও
আমরা
এই
অনুভূতিটিকে
সংযোজন
করতে
পারি।
হাতের
লেখা
স্ক্যান
করে
ব্যবহার
করা,
ছোট
ভিডিও
বা
অডিও
বার্তা
যুক্ত
করা,
যাতে
পাঠকের
কাছে
ব্যক্তিগত
স্পর্শ
বজায়
থাকে।
কার্ড
সংগ্রহ
করে
আলাদা
আলবাম
বা
বক্সে
রাখা
এবং
সঙ্গে
ছোট
নোটে
সেই
সময়ের
অনুভূতি
লিখে
রাখা,
স্মৃতিকে
সংরক্ষিত
রাখার
একটি
চমৎকার
উপায়।
পরিবারের
সবাইকে
এই
প্রথায়
উৎসাহিত
করলে
নতুন
প্রজন্মও
হাতে
লেখা
কার্ডের
আনন্দ
অনুভব
করতে
পারবে।
এডমিন 














