০২:৩৮ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ১৫ মার্চ ২০২৬, ৩০ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

খার্গ দ্বীপে ৯০টির বেশি সামরিক স্থাপনা ধ্বংসের দাবি

  • এডমিন
  • আপডেট সময়ঃ ১১:৫৬:৩৩ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১৪ মার্চ ২০২৬
  • 3

ইরানের খার্গ দ্বীপে বড় ধরনের নির্ভুল সামরিক হামলা চালিয়ে ৯০টির বেশি সামরিক লক্ষ্যবস্তু ধ্বংস করা হয়েছে বলে দাবি করেছে যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক বাহিনী। খবর- আলজাজিরা।

শনিবার সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে দেওয়া এক সংক্ষিপ্ত বিবৃতিতে United States Central Command (সেন্টকম) জানায়, আগের রাতে ইরানের Kharg Island-এ একটি “বৃহৎ পরিসরের নির্ভুল হামলা” পরিচালনা করা হয়েছে।

বিবৃতিতে বলা হয়, এই হামলায় নৌ-মাইন সংরক্ষণাগার, ক্ষেপণাস্ত্র সংরক্ষণ বাঙ্কারসহ একাধিক সামরিক স্থাপনা ধ্বংস করা হয়েছে। সেন্টকমের দাবি, অভিযানে ইরানের ৯০টিরও বেশি সামরিক লক্ষ্যবস্তুতে আঘাত হানা হয়েছে।

তবে যুক্তরাষ্ট্রের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, হামলার সময় দ্বীপটির তেল অবকাঠামো অক্ষত রাখা হয়েছে।

এর আগে এক ইরানি কর্মকর্তা দাবি করেন, খার্গ দ্বীপ থেকে তেল রপ্তানি স্বাভাবিকভাবেই চলছে এবং সেখানে তেল কোম্পানিগুলোর কার্যক্রম অব্যাহত রয়েছে।

মধ্যপ্রাচ্যে চলমান উত্তেজনার মধ্যে এই হামলাকে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে চলমান সামরিক সংঘাতের নতুন একটি গুরুত্বপূর্ণ ঘটনা হিসেবে দেখা হচ্ছে।

সাজু/নিএ

ট্যাগঃ

ঢাবি ভিসি ভদ্র-যোগ্য, তাকে কাজে লাগানোর সুযোগ আছে: শিক্ষামন্ত্রী

খার্গ দ্বীপে ৯০টির বেশি সামরিক স্থাপনা ধ্বংসের দাবি

আপডেট সময়ঃ ১১:৫৬:৩৩ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১৪ মার্চ ২০২৬

ইরানের খার্গ দ্বীপে বড় ধরনের নির্ভুল সামরিক হামলা চালিয়ে ৯০টির বেশি সামরিক লক্ষ্যবস্তু ধ্বংস করা হয়েছে বলে দাবি করেছে যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক বাহিনী। খবর- আলজাজিরা।

শনিবার সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে দেওয়া এক সংক্ষিপ্ত বিবৃতিতে United States Central Command (সেন্টকম) জানায়, আগের রাতে ইরানের Kharg Island-এ একটি “বৃহৎ পরিসরের নির্ভুল হামলা” পরিচালনা করা হয়েছে।

বিবৃতিতে বলা হয়, এই হামলায় নৌ-মাইন সংরক্ষণাগার, ক্ষেপণাস্ত্র সংরক্ষণ বাঙ্কারসহ একাধিক সামরিক স্থাপনা ধ্বংস করা হয়েছে। সেন্টকমের দাবি, অভিযানে ইরানের ৯০টিরও বেশি সামরিক লক্ষ্যবস্তুতে আঘাত হানা হয়েছে।

তবে যুক্তরাষ্ট্রের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, হামলার সময় দ্বীপটির তেল অবকাঠামো অক্ষত রাখা হয়েছে।

এর আগে এক ইরানি কর্মকর্তা দাবি করেন, খার্গ দ্বীপ থেকে তেল রপ্তানি স্বাভাবিকভাবেই চলছে এবং সেখানে তেল কোম্পানিগুলোর কার্যক্রম অব্যাহত রয়েছে।

মধ্যপ্রাচ্যে চলমান উত্তেজনার মধ্যে এই হামলাকে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে চলমান সামরিক সংঘাতের নতুন একটি গুরুত্বপূর্ণ ঘটনা হিসেবে দেখা হচ্ছে।

সাজু/নিএ