০২:৫২ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৭ মার্চ ২০২৬, ২ চৈত্র ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

কৃষিকে শক্তিশালী ভিত্তি হিসেবে গড়ে তুলতে সরকার কাজ করছে: প্রধানমন্ত্রী

  • এডমিন
  • আপডেট সময়ঃ ১২:০০:০৫ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৬ মার্চ ২০২৬
  • 4

উত্তরাঞ্চলে কৃষিনির্ভর শিল্প গড়ে তোলার প্রতিশ্রুতি দিয়ে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেছেন, কৃষি খাতকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে শক্ত ভিত্তির ওপর দাঁড় করাতে কাজ করছে সরকার।

সোমবার (১৬ মার্চ) দিনাজপুরের কাহারোল উপজেলার সাহাপাড়া খাল খনন কর্মসূচির উদ্বোধন শেষে আয়োজিত এক সমাবেশে তিনি এসব কথা বলেন।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, কৃষক ও কৃষাণিরা ভালো থাকলে পুরো দেশই ভালো থাকবে। তাই তাদের কল্যাণে সরকার বিভিন্ন উদ্যোগ গ্রহণ করেছে।

তিনি বলেন, “আমাদের লক্ষ্য কৃষকের পাশে থাকা। শহীদ জিয়া ও খালেদা জিয়া কৃষকের বন্ধু ছিলেন। আপনাদের নির্বাচিত বর্তমান বিএনপি সরকারও কৃষকের বন্ধু। আমরা কৃষিকে একটি শক্ত ভিত্তির ওপর দাঁড় করাতে চাই।”

উত্তরাঞ্চলে কৃষিনির্ভর শিল্প গড়ে তোলার পরিকল্পনার কথা তুলে ধরে তারেক রহমান বলেন, দিনাজপুর, রংপুর, ঠাকুরগাঁও ও পঞ্চগড় কৃষিপ্রধান জেলা। এসব অঞ্চলের কৃষিজাত পণ্য নিয়ে কাজ করা বড় বড় কোম্পানির সঙ্গে ইতোমধ্যে আলোচনা হয়েছে। ঈদের পর তাদের সঙ্গে বসে এখানে কী ধরনের কৃষিনির্ভর শিল্প কারখানা গড়ে তোলা যায়, সে বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে, যাতে স্থানীয় বেকার যুবক ও নারীদের কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি হয়।

বিএনপির রাজনীতির মূল লক্ষ্য মানুষের জীবনমান উন্নয়ন করা উল্লেখ করে তিনি বলেন, “আজ যে ব্যক্তি মাসে পাঁচ হাজার টাকা আয় করে, আমরা চাই আগামী দুই থেকে চার বছরের মধ্যে তার আয় যেন দশ হাজার টাকায় পৌঁছে যায়। এমন নীতি গ্রহণ করতে চাই, যাতে মানুষের আয় দ্বিগুণ হয়। এটাই শহীদ জিয়া ও খালেদা জিয়ার রাজনীতি এবং আপনাদের নির্বাচিত বিএনপি সরকারের রাজনীতি।”

মধ্যপ্রাচ্যে চলমান যুদ্ধ পরিস্থিতির কারণে দেশের অর্থনীতিতে কিছু চাপ থাকলেও সরকার ধীরে ধীরে নির্বাচনী ইশতেহারের প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়নে কাজ করবে বলেও জানান তিনি।

তারেক রহমান বলেন, “এই দেশের মানুষ ১৯৭১ সালে যুদ্ধ করে স্বাধীনতা অর্জন করেছে। ২০২৪ সালে ছাত্র-জনতার আন্দোলনের মাধ্যমে স্বৈরাচারকে বিদায় দিয়েছে। শহীদ জিয়ার আমলে খাল খননের মাধ্যমে খাদ্য উৎপাদন দ্বিগুণ হয়েছিল এবং বিদেশে রপ্তানিও করা হয়েছিল। এ দেশের মানুষ এত কিছু করতে পারলে, আপনারাই আগামী দিনের সমৃদ্ধ বাংলাদেশ গড়ে তুলতে পারবেন।”

তবে দেশের উন্নয়ন ও অগ্রগতির পথে বাধা সৃষ্টিকারীদের ব্যাপারে সতর্ক থাকারও আহ্বান জানিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, অনেকেই মিষ্টি কথায় বিভ্রান্ত করতে চায়। যারা দেশে বিশৃঙ্খলা তৈরি করতে চায়, তাদের বিরুদ্ধে সজাগ থাকতে হবে।
 
তারেক রহমান বলেন, ‘আমাদের রাজনীতি হচ্ছে কৃষকের উপকার করা, মা-বোনদের স্বাবলম্বী করা, সাধারণ মানুষের জন্য ভালো চিকিৎসার ব্যবস্থা করা এবং ভবিষ্যৎ প্রজন্ম যাতে লেখাপড়া করে মানুষ হতে পারে, সেই ব্যবস্থা গড়ে তোলা।’

কুশল/সাএ

ট্যাগঃ
জনপ্রিয় খবর

কৃষিকে শক্তিশালী ভিত্তি হিসেবে গড়ে তুলতে সরকার কাজ করছে: প্রধানমন্ত্রী

আপডেট সময়ঃ ১২:০০:০৫ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৬ মার্চ ২০২৬

উত্তরাঞ্চলে কৃষিনির্ভর শিল্প গড়ে তোলার প্রতিশ্রুতি দিয়ে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেছেন, কৃষি খাতকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে শক্ত ভিত্তির ওপর দাঁড় করাতে কাজ করছে সরকার।

সোমবার (১৬ মার্চ) দিনাজপুরের কাহারোল উপজেলার সাহাপাড়া খাল খনন কর্মসূচির উদ্বোধন শেষে আয়োজিত এক সমাবেশে তিনি এসব কথা বলেন।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, কৃষক ও কৃষাণিরা ভালো থাকলে পুরো দেশই ভালো থাকবে। তাই তাদের কল্যাণে সরকার বিভিন্ন উদ্যোগ গ্রহণ করেছে।

তিনি বলেন, “আমাদের লক্ষ্য কৃষকের পাশে থাকা। শহীদ জিয়া ও খালেদা জিয়া কৃষকের বন্ধু ছিলেন। আপনাদের নির্বাচিত বর্তমান বিএনপি সরকারও কৃষকের বন্ধু। আমরা কৃষিকে একটি শক্ত ভিত্তির ওপর দাঁড় করাতে চাই।”

উত্তরাঞ্চলে কৃষিনির্ভর শিল্প গড়ে তোলার পরিকল্পনার কথা তুলে ধরে তারেক রহমান বলেন, দিনাজপুর, রংপুর, ঠাকুরগাঁও ও পঞ্চগড় কৃষিপ্রধান জেলা। এসব অঞ্চলের কৃষিজাত পণ্য নিয়ে কাজ করা বড় বড় কোম্পানির সঙ্গে ইতোমধ্যে আলোচনা হয়েছে। ঈদের পর তাদের সঙ্গে বসে এখানে কী ধরনের কৃষিনির্ভর শিল্প কারখানা গড়ে তোলা যায়, সে বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে, যাতে স্থানীয় বেকার যুবক ও নারীদের কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি হয়।

বিএনপির রাজনীতির মূল লক্ষ্য মানুষের জীবনমান উন্নয়ন করা উল্লেখ করে তিনি বলেন, “আজ যে ব্যক্তি মাসে পাঁচ হাজার টাকা আয় করে, আমরা চাই আগামী দুই থেকে চার বছরের মধ্যে তার আয় যেন দশ হাজার টাকায় পৌঁছে যায়। এমন নীতি গ্রহণ করতে চাই, যাতে মানুষের আয় দ্বিগুণ হয়। এটাই শহীদ জিয়া ও খালেদা জিয়ার রাজনীতি এবং আপনাদের নির্বাচিত বিএনপি সরকারের রাজনীতি।”

মধ্যপ্রাচ্যে চলমান যুদ্ধ পরিস্থিতির কারণে দেশের অর্থনীতিতে কিছু চাপ থাকলেও সরকার ধীরে ধীরে নির্বাচনী ইশতেহারের প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়নে কাজ করবে বলেও জানান তিনি।

তারেক রহমান বলেন, “এই দেশের মানুষ ১৯৭১ সালে যুদ্ধ করে স্বাধীনতা অর্জন করেছে। ২০২৪ সালে ছাত্র-জনতার আন্দোলনের মাধ্যমে স্বৈরাচারকে বিদায় দিয়েছে। শহীদ জিয়ার আমলে খাল খননের মাধ্যমে খাদ্য উৎপাদন দ্বিগুণ হয়েছিল এবং বিদেশে রপ্তানিও করা হয়েছিল। এ দেশের মানুষ এত কিছু করতে পারলে, আপনারাই আগামী দিনের সমৃদ্ধ বাংলাদেশ গড়ে তুলতে পারবেন।”

তবে দেশের উন্নয়ন ও অগ্রগতির পথে বাধা সৃষ্টিকারীদের ব্যাপারে সতর্ক থাকারও আহ্বান জানিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, অনেকেই মিষ্টি কথায় বিভ্রান্ত করতে চায়। যারা দেশে বিশৃঙ্খলা তৈরি করতে চায়, তাদের বিরুদ্ধে সজাগ থাকতে হবে।
 
তারেক রহমান বলেন, ‘আমাদের রাজনীতি হচ্ছে কৃষকের উপকার করা, মা-বোনদের স্বাবলম্বী করা, সাধারণ মানুষের জন্য ভালো চিকিৎসার ব্যবস্থা করা এবং ভবিষ্যৎ প্রজন্ম যাতে লেখাপড়া করে মানুষ হতে পারে, সেই ব্যবস্থা গড়ে তোলা।’

কুশল/সাএ