এখানে
প্রশ্ন
জাগতে
পারে,
নামাজ
বা
হজ
কি
আল্লাহর
জন্য
নয়?
অবশ্যই
সবকিছু
আল্লাহর
জন্য।
কোরআনে
এসেছে,
‘নিশ্চয়ই
আমার
নামাজ,
আমার
কোরবানি,
আমার
জীবন
ও
আমার
মৃত্যু
আল্লাহর
জন্য।’
(সুরা
আনআম,
আয়াত:
১৬২)
তবে
রোজা
কেন
আলাদা?
হাদিসবেত্তারা
এর
রহস্য
উদ্ঘাটনে
বলেন,
নামাজ,
জাকাত
বা
হজ—এগুলো
কোনোটিই
গোপন
আমল
নয়।
নামাজ
জামাতে
পড়তে
হয়,
জাকাত
প্রকাশ্যে
দেওয়া
সুন্নাত
যেন
অন্যরা
উৎসাহিত
হয়
এবং
হজের
জন্য
নির্দিষ্ট
পোশাক
(ইহরাম)
পরতে
হয়।
ফলে
এসব
ইবাদতের
কথা
মানুষ
জেনে
যায়
এবং
ইবাদতকারীর
‘নামাজি’
বা
‘হাজি’
হিসেবে
একটি
পরিচয়
তৈরি
হয়।
কিন্তু
রোজা
তেমন
নয়।
যে
রোজা
রাখে,
অন্য
কারও
তা
জানার
সুযোগ
নেই।
কেউ
যদি
সাহ্রি
ও
ইফতার
করে
মাঝখানে
গোপনে
কিছু
খেয়ে
ফেলে,
তবে
মানুষ
তা
বুঝতে
পারবে
না।
একজন
রোজাদার
তীব্র
ক্ষুধা
ও
তৃষ্ণা
থাকা
সত্ত্বেও
যে
কিছু
খান
না,
তা
একমাত্র
আল্লাহর
ভয়ের
কারণেই।
এটি
বান্দা
ও
আল্লাহর
মধ্যকার
একটি
গোপন
রাজ
বা
রহস্য।
যেহেতু
এখানে
লৌকিকতার
সুযোগ
নেই,
তাই
আল্লাহ
বলেছেন—‘রোজা
আমারই
জন্য
এবং
আমি
নিজেই
এর
প্রতিদান
দেব।’
যে
আমলের
প্রতিদান
আল্লাহ
নিজে
দেওয়ার
ঘোষণা
দিয়েছেন,
সেই
প্রতিদান
যে
কতটা
মহান
হতে
পারে,
তা
সহজেই
অনুমেয়।
ইলিয়াস
মশহুদ
:
লেখক
ও
অনুবাদক
এডমিন 














