০৩:২৪ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৯ মার্চ ২০২৬, ১৫ চৈত্র ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

ঈদের তাৎপর্য ও শাওয়াল মাসের ছয় রোজার মাহাত্ম্য

  • এডমিন
  • আপডেট সময়ঃ ১২:০৪:০২ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২০ মার্চ ২০২৬
  • 5

শাওয়াল
মাসের
ছয়টি
রোজা
রাখা
রমজানের
রোজা
কবুল
হওয়ার
একটি
লক্ষণ।
আল্লাহ–তাআলা
কোনো
বান্দার
আমল
কবুল
করলে
তাকে
অনুরূপ
আরও
আমল
করার
তওফিক
দান
করেন।
নেক
আমলের
প্রতিদানের
একটি
রূপ
হলো
আবার
আরও
নেক
আমল
করার
সৌভাগ্য
অর্জন
করা।

শাওয়াল
মাসের
যেকোনো
সময়

ছয়টি
রোজা
আদায়
করা
যায়।
ধারাবাহিকভাবে
বা
মাঝে
বিরতি
দিয়েও
তা
রাখা
যায়।
উল্লেখ্য,
রমজান
মাসে
ফরজ
রোজা
ছাড়া
অন্যান্য
রোজার
নিয়ত
সাহ্‌রির
সময়ের
মধ্যেই
করতে
হবে।
এর
আগে,
অর্থাৎ
ঘুমানোর
আগে
বা
তারও
আগে
যদি
রোজার
দৃঢ়সংকল্প
থাকে,
তবে
তা
নিয়ত
হিসেবে
গণ্য
হবে
এবং
সাহ্‌রি
না
খেলেও
রোজা
রাখা
যাবে।
(শামি)

যদি
রমজানের
কাজা
রোজা
বাকি
থাকে,
তবে
তা
পরবর্তী
রমজানের
আগপর্যন্ত
যেকোনো
সময়ে
আদায়
করা
যাবে।
সময়
স্বল্প
হলে
কাজা
রোজার
আগে
নফল
রোজা
রাখা
বৈধ

শুদ্ধ।
তবে
শাওয়ালের

ছয়টি
রোজা

মাসের
পর
আদায়
করার
সুযোগ
নেই;
কিন্তু
কাজা
রোজা
পরে
আদায়
করা
যায়।
সম্ভব
হলে
আগে
কাজা
রোজা
আদায়
করাই
উত্তম।
(ফাতাওয়া
ইসলামিয়্যাহ,
খণ্ড:
২,
পৃষ্ঠা:
১৬৬)

ট্যাগঃ
জনপ্রিয় খবর

ঈদের তাৎপর্য ও শাওয়াল মাসের ছয় রোজার মাহাত্ম্য

আপডেট সময়ঃ ১২:০৪:০২ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২০ মার্চ ২০২৬

শাওয়াল
মাসের
ছয়টি
রোজা
রাখা
রমজানের
রোজা
কবুল
হওয়ার
একটি
লক্ষণ।
আল্লাহ–তাআলা
কোনো
বান্দার
আমল
কবুল
করলে
তাকে
অনুরূপ
আরও
আমল
করার
তওফিক
দান
করেন।
নেক
আমলের
প্রতিদানের
একটি
রূপ
হলো
আবার
আরও
নেক
আমল
করার
সৌভাগ্য
অর্জন
করা।

শাওয়াল
মাসের
যেকোনো
সময়

ছয়টি
রোজা
আদায়
করা
যায়।
ধারাবাহিকভাবে
বা
মাঝে
বিরতি
দিয়েও
তা
রাখা
যায়।
উল্লেখ্য,
রমজান
মাসে
ফরজ
রোজা
ছাড়া
অন্যান্য
রোজার
নিয়ত
সাহ্‌রির
সময়ের
মধ্যেই
করতে
হবে।
এর
আগে,
অর্থাৎ
ঘুমানোর
আগে
বা
তারও
আগে
যদি
রোজার
দৃঢ়সংকল্প
থাকে,
তবে
তা
নিয়ত
হিসেবে
গণ্য
হবে
এবং
সাহ্‌রি
না
খেলেও
রোজা
রাখা
যাবে।
(শামি)

যদি
রমজানের
কাজা
রোজা
বাকি
থাকে,
তবে
তা
পরবর্তী
রমজানের
আগপর্যন্ত
যেকোনো
সময়ে
আদায়
করা
যাবে।
সময়
স্বল্প
হলে
কাজা
রোজার
আগে
নফল
রোজা
রাখা
বৈধ

শুদ্ধ।
তবে
শাওয়ালের

ছয়টি
রোজা

মাসের
পর
আদায়
করার
সুযোগ
নেই;
কিন্তু
কাজা
রোজা
পরে
আদায়
করা
যায়।
সম্ভব
হলে
আগে
কাজা
রোজা
আদায়
করাই
উত্তম।
(ফাতাওয়া
ইসলামিয়্যাহ,
খণ্ড:
২,
পৃষ্ঠা:
১৬৬)