০৩:৩৮ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২৩ মার্চ ২০২৬, ৮ চৈত্র ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

গ্যালারিতে দর্শক ছাড়াই মাঠে গড়াবে এবারের পিএসএল

  • এডমিন
  • আপডেট সময়ঃ ১২:০৩:১০ অপরাহ্ন, রবিবার, ২২ মার্চ ২০২৬
  • 2

মধ্যপ্রাচে যুদ্ধের ফলে সৃষ্ট তীব্র তেল সংকটের কারণে পাকিস্তান সুপার লিগের (পিএসএল) এবারের আসর নিয়ে এক নজিরবিহীন সিদ্ধান্ত নিয়েছে পাকিস্তান ক্রিকেট বোর্ড (পিসিবি)। টুর্নামেন্টের সব ম্যাচ দর্শকহীন গ্যালারিতে বা খালি স্টেডিয়ামে আয়োজনের ঘোষণা দিয়েছে তারা। নিরাপত্তার ঝুঁকি এবং জ্বালানি সাশ্রয়ের কথা মাথায় রেখে এবারের আসরটি কেবল লাহোর ও করাচি—এই দুই শহরে সীমাবদ্ধ রাখা হয়েছে। উদ্ভূত পরিস্থিতিতে টুর্নামেন্টের জাঁকজমকপূর্ণ উদ্বোধনী অনুষ্ঠানটিও বাতিল করা হয়েছে।

পিসিবি চেয়ারম্যান মহসিন নাকভী পরিস্থিতির গুরুত্ব তুলে ধরে সংবাদমাধ্যমকে বলেন, ‘নিরাপত্তা এবং চলমান সংকটের কথা মাথায় রেখে আমরা সিদ্ধান্ত নিয়েছি খেলা অনুষ্ঠিত হবে, কিন্তু দর্শক ছাড়া। উদ্বোধনী অনুষ্ঠানও বাতিল করা হয়েছে।’ তবে পরিস্থিতি খুব দ্রুত বদলে যেতে পারে বলেও ইঙ্গিত দিয়েছেন তিনি। টুর্নামেন্টের মাঝপথে গ্যালারিতে দর্শক ফেরানোর আশা জাগিয়ে তিনি আরও বলেন, ‘সম্ভবত ১০ দিন, সম্ভবত ১৫ দিন—এ পরিস্থিতি শেষ হবে। তবে এখন পর্যন্ত আমরা দর্শক ছাড়া খেলার সিদ্ধান্ত নিয়েছি।’

মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধের প্রভাবে পাকিস্তানে বর্তমানে জ্বালানি তেলের তীব্র সংকট চলছে, যা সাধারণ মানুষের জীবনযাত্রায় বড় প্রভাব ফেলেছে। পরিস্থিতি সামাল দিতে সরকারের নেওয়া বিভিন্ন পদক্ষেপের কথা উল্লেখ করে নাকভী বলেন, ‘প্রধানমন্ত্রী পুরো দেশকে সীমিত চলাচলের জন্য অনুরোধ করেছেন। স্কুল বন্ধ রাখা হয়েছে, বাড়িতে কাজের ব্যবস্থা করা হয়েছে এবং ঈদের ছুটি বাড়ানো হয়েছে। এই পরিস্থিতিতে আমরা মানুষকে স্টেডিয়ামে নিয়ে আসার কথা ভাবতে পারি না।’

দর্শক না থাকায় ফ্র্যাঞ্চাইজিগুলো যে বড় ধরনের আর্থিক ক্ষতির মুখে পড়বে, সেটিও মাথায় রেখেছে বোর্ড। মহসিন নাকভী আশ্বস্ত করেছেন যে, খালি স্টেডিয়ামের কারণে দলগুলোর কোনো লস হলে তা পিসিবি নিজে পূরণ করবে এবং ইতিমধ্যে যারা টিকিট কিনেছেন তাদের পুরো টাকা ফেরত দেওয়া হবে। শুরুতে ছয়টি শহরে ম্যাচ আয়োজনের পরিকল্পনা থাকলেও পরিস্থিতির কারণে পেশোয়ার ও মুলতানের মতো শহরগুলোকে সূচি থেকে বাদ দেওয়া হয়েছে। এই প্রসঙ্গে নাকভী জানান, ‘যেহেতু দর্শক থাকবে না, তাই সেই শহরগুলোতে যাওয়ার প্রয়োজন ছিল না। আমরা আশা করি আগামী বছরে আরও শহরে খেলা অনুষ্ঠিত হবে।’

এসকেডি/এএসএম

পাঠকপ্রিয় অনলাইন নিউজ পোর্টাল জাগোনিউজ২৪.কমে লিখতে পারেন আপনিও। লেখার বিষয় ফিচার, ভ্রমণ, লাইফস্টাইল, ক্যারিয়ার, তথ্যপ্রযুক্তি, ধর্ম, কৃষি ও প্রকৃতি। আজই আপনার লেখাটি পাঠিয়ে দিন [email protected] ঠিকানায়।

ট্যাগঃ
জনপ্রিয় খবর

ঈদের ছুটিতে কুয়াকাটায় পর্যটকদের ঢল

গ্যালারিতে দর্শক ছাড়াই মাঠে গড়াবে এবারের পিএসএল

আপডেট সময়ঃ ১২:০৩:১০ অপরাহ্ন, রবিবার, ২২ মার্চ ২০২৬

মধ্যপ্রাচে যুদ্ধের ফলে সৃষ্ট তীব্র তেল সংকটের কারণে পাকিস্তান সুপার লিগের (পিএসএল) এবারের আসর নিয়ে এক নজিরবিহীন সিদ্ধান্ত নিয়েছে পাকিস্তান ক্রিকেট বোর্ড (পিসিবি)। টুর্নামেন্টের সব ম্যাচ দর্শকহীন গ্যালারিতে বা খালি স্টেডিয়ামে আয়োজনের ঘোষণা দিয়েছে তারা। নিরাপত্তার ঝুঁকি এবং জ্বালানি সাশ্রয়ের কথা মাথায় রেখে এবারের আসরটি কেবল লাহোর ও করাচি—এই দুই শহরে সীমাবদ্ধ রাখা হয়েছে। উদ্ভূত পরিস্থিতিতে টুর্নামেন্টের জাঁকজমকপূর্ণ উদ্বোধনী অনুষ্ঠানটিও বাতিল করা হয়েছে।

পিসিবি চেয়ারম্যান মহসিন নাকভী পরিস্থিতির গুরুত্ব তুলে ধরে সংবাদমাধ্যমকে বলেন, ‘নিরাপত্তা এবং চলমান সংকটের কথা মাথায় রেখে আমরা সিদ্ধান্ত নিয়েছি খেলা অনুষ্ঠিত হবে, কিন্তু দর্শক ছাড়া। উদ্বোধনী অনুষ্ঠানও বাতিল করা হয়েছে।’ তবে পরিস্থিতি খুব দ্রুত বদলে যেতে পারে বলেও ইঙ্গিত দিয়েছেন তিনি। টুর্নামেন্টের মাঝপথে গ্যালারিতে দর্শক ফেরানোর আশা জাগিয়ে তিনি আরও বলেন, ‘সম্ভবত ১০ দিন, সম্ভবত ১৫ দিন—এ পরিস্থিতি শেষ হবে। তবে এখন পর্যন্ত আমরা দর্শক ছাড়া খেলার সিদ্ধান্ত নিয়েছি।’

মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধের প্রভাবে পাকিস্তানে বর্তমানে জ্বালানি তেলের তীব্র সংকট চলছে, যা সাধারণ মানুষের জীবনযাত্রায় বড় প্রভাব ফেলেছে। পরিস্থিতি সামাল দিতে সরকারের নেওয়া বিভিন্ন পদক্ষেপের কথা উল্লেখ করে নাকভী বলেন, ‘প্রধানমন্ত্রী পুরো দেশকে সীমিত চলাচলের জন্য অনুরোধ করেছেন। স্কুল বন্ধ রাখা হয়েছে, বাড়িতে কাজের ব্যবস্থা করা হয়েছে এবং ঈদের ছুটি বাড়ানো হয়েছে। এই পরিস্থিতিতে আমরা মানুষকে স্টেডিয়ামে নিয়ে আসার কথা ভাবতে পারি না।’

দর্শক না থাকায় ফ্র্যাঞ্চাইজিগুলো যে বড় ধরনের আর্থিক ক্ষতির মুখে পড়বে, সেটিও মাথায় রেখেছে বোর্ড। মহসিন নাকভী আশ্বস্ত করেছেন যে, খালি স্টেডিয়ামের কারণে দলগুলোর কোনো লস হলে তা পিসিবি নিজে পূরণ করবে এবং ইতিমধ্যে যারা টিকিট কিনেছেন তাদের পুরো টাকা ফেরত দেওয়া হবে। শুরুতে ছয়টি শহরে ম্যাচ আয়োজনের পরিকল্পনা থাকলেও পরিস্থিতির কারণে পেশোয়ার ও মুলতানের মতো শহরগুলোকে সূচি থেকে বাদ দেওয়া হয়েছে। এই প্রসঙ্গে নাকভী জানান, ‘যেহেতু দর্শক থাকবে না, তাই সেই শহরগুলোতে যাওয়ার প্রয়োজন ছিল না। আমরা আশা করি আগামী বছরে আরও শহরে খেলা অনুষ্ঠিত হবে।’

এসকেডি/এএসএম

পাঠকপ্রিয় অনলাইন নিউজ পোর্টাল জাগোনিউজ২৪.কমে লিখতে পারেন আপনিও। লেখার বিষয় ফিচার, ভ্রমণ, লাইফস্টাইল, ক্যারিয়ার, তথ্যপ্রযুক্তি, ধর্ম, কৃষি ও প্রকৃতি। আজই আপনার লেখাটি পাঠিয়ে দিন [email protected] ঠিকানায়।