রাজবাড়ীর দৌলতদিয়া ফেরিঘাটে ডুবে যাওয়া বাসে অন্তত ৩৬ জনের মরদেহ থাকবে পারে বলে জানিয়েছে ফায়ারসার্ভিস। বুধবার (২৫ মার্চ) রাত সাড়ে ১০টার দিকে ফরিদপুর ফায়ার সার্ভিসের কমান্ডার মো. বেলাল উদ্দিন জাগো নিউজকে এ তথ্য জানান।
তিনি বলেন, এখন পর্যন্ত ফায়ার সার্ভিসের ডুবুরি দল তিনজনকে উদ্ধার করেছে। এদের মধ্যে দুজনের মরদেহ ও একজনকে জীবিত উদ্ধার করা হয়। ফায়ার সার্ভিসের দুজন ডুবুরি ও দুজন সহকারী ডুবুরি উদ্ধারকাজে অংশ নিয়েছেন। পাশাপাশি বিভিন্ন স্থান থেকে আগত ফায়ার সার্ভিসের সদস্যরা উদ্ধারকাজে অংশ নিয়েছেন। প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে বাসে ৩৬ জনের মতো যাত্রীর মরদেহ পানির নিচে রয়েছে।
এদিকে রাজবাড়ীর সিভিল সার্জন ডা. এস এম মাসুদ জানিয়েছেন, ফেরিঘাট থেকে যাত্রীবাহী বাস পদ্মা নদীতে পড়ে যাওয়ার ঘটনায় এখন পর্যন্ত দুজনের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। তিনি বলেন, দুই নারীর মরদেহ উদ্ধার করে গোয়ালন্দ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে রাখা হয়েছে।
স্থানীয়রা জানায়, বাসটিতে ৫০ জনের মতো যাত্রী ছিলেন। দুর্ঘটনার পরপরই ১১ জন যাত্রী সাঁতরে তীরে উঠতে সক্ষম হন। তবে বাসে থাকা অন্য যাত্রীদের বিষয়ে এখনও নিশ্চিত কোনো তথ্য পাওয়া যায়নি।
দৌলতদিয়া নৌপুলিশ ফাঁড়ির কর্মকর্তারা জানান, দুর্ঘটনার খবর পেয়ে দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে উদ্ধারকারী জাহাজ ‘হামজা’ অভিযান শুরু করে। পাশাপাশি ফায়ার সার্ভিস ও পুলিশ সদস্যরাও উদ্ধারকাজে অংশ নিয়েছেন।
বুধবার বিকেল সাড়ে ৫টার দিকে সৌহার্দ্য পরিবহনের একটি বাস ৩ নম্বর ফেরিঘাট এলাকায় নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে ৫০ জন যাত্রী নিয়ে পদ্মায় পড়ে যায়। মুহূর্তে বাসটি পানিতে তলিয়ে যায়। এখন পর্যন্ত দুজনের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। একজনকে জীবিত উদ্ধার করা হয়েছে।
এন কে বি নয়ন/আরএইচ
এডমিন 


















