০৭:১৮ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ০২ এপ্রিল ২০২৬, ১৯ চৈত্র ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

প্রথম ভিডিওতে এমপিকে কটূক্তি, আরেকটিতে হাত জোড় করে ক্ষমাপ্রার্থনা

  • এডমিন
  • আপডেট সময়ঃ ১২:০৩:২৩ অপরাহ্ন, বুধবার, ১ এপ্রিল ২০২৬
  • 6

স্থানীয়
সূত্রে
জানা
গেছে,
সাম্প্রতিক
বৃষ্টিতে
সৃষ্ট
জলাবদ্ধতায়
টাঙ্গুয়ার
হাওরের
বিভিন্ন
এলাকার
ফসল
ক্ষতিগ্রস্ত
হয়েছে।
এতে
কৃষকদের
মধ্যে
ক্ষোভ
তৈরি
হয়।
তবে
একজন
এমপিকে
এভাবে
কটূক্তি
করা
ঠিক
হয়নি,
এমন
মতও
দিয়েছেন
অনেক
বাসিন্দা।
আবার
কেউ
কেউ
ধারণা
করছেন,
কৃষকদের
দিয়ে
উদ্দেশ্যমূলকভাবে
ভিডিওটি
তৈরি
করানো
হয়ে
থাকতে
পারে।

লামাগাঁও
গ্রামের
বাসিন্দা

শ্রীপুর
দক্ষিণ
ইউনিয়ন
পরিষদের
(ইউপি)
ওয়ার্ড
সদস্য
মিসবাহ
উদ্দিন
বলেন,
টাঙ্গুয়ার
হাওরের
নজরখালি
এলাকায়
পানি
ঢুকে
ফসলের
ক্ষতি
হয়েছে।

কারণে
কৃষকেরা
ক্ষুব্ধ।
পাশের
কলমার
হাওরের
বাঁধে
ঝুঁকি
দেখা
দিলে
কয়েক
দিন
আগে
গ্রামবাসী
এমপির
সঙ্গে
দেখা
করেন।
তখন
জরুরি
ভিত্তিতে
বাঁধ
মেরামতের
জন্য
দেড়
লাখ
টাকা
দেওয়ার
ঘোষণা
দেন
তিনি।
পরে
স্থানীয়
লোকজন
কাজ
করে
ওই
হাওরের
ফসল
রক্ষা
করেন।

মিসবাহ
উদ্দিন
আরও
বলেন,
প্রথম
ভিডিওটি
প্রকাশ
পাওয়ার
পর
গ্রামবাসীর
মধ্যে
ক্ষোভ
তৈরি
হয়।
একপর্যায়ে
সংশ্লিষ্ট
কৃষকেরাই
এমপির
কাছে
ক্ষমা
চাইতে
আগ্রহ
প্রকাশ
করেন।
পরে
তাঁদের
ক্ষমা
চাওয়ার
ভিডিওটি
ধারণ
করা
হয়।

ট্যাগঃ
জনপ্রিয় খবর

প্রথম ভিডিওতে এমপিকে কটূক্তি, আরেকটিতে হাত জোড় করে ক্ষমাপ্রার্থনা

আপডেট সময়ঃ ১২:০৩:২৩ অপরাহ্ন, বুধবার, ১ এপ্রিল ২০২৬

স্থানীয়
সূত্রে
জানা
গেছে,
সাম্প্রতিক
বৃষ্টিতে
সৃষ্ট
জলাবদ্ধতায়
টাঙ্গুয়ার
হাওরের
বিভিন্ন
এলাকার
ফসল
ক্ষতিগ্রস্ত
হয়েছে।
এতে
কৃষকদের
মধ্যে
ক্ষোভ
তৈরি
হয়।
তবে
একজন
এমপিকে
এভাবে
কটূক্তি
করা
ঠিক
হয়নি,
এমন
মতও
দিয়েছেন
অনেক
বাসিন্দা।
আবার
কেউ
কেউ
ধারণা
করছেন,
কৃষকদের
দিয়ে
উদ্দেশ্যমূলকভাবে
ভিডিওটি
তৈরি
করানো
হয়ে
থাকতে
পারে।

লামাগাঁও
গ্রামের
বাসিন্দা

শ্রীপুর
দক্ষিণ
ইউনিয়ন
পরিষদের
(ইউপি)
ওয়ার্ড
সদস্য
মিসবাহ
উদ্দিন
বলেন,
টাঙ্গুয়ার
হাওরের
নজরখালি
এলাকায়
পানি
ঢুকে
ফসলের
ক্ষতি
হয়েছে।

কারণে
কৃষকেরা
ক্ষুব্ধ।
পাশের
কলমার
হাওরের
বাঁধে
ঝুঁকি
দেখা
দিলে
কয়েক
দিন
আগে
গ্রামবাসী
এমপির
সঙ্গে
দেখা
করেন।
তখন
জরুরি
ভিত্তিতে
বাঁধ
মেরামতের
জন্য
দেড়
লাখ
টাকা
দেওয়ার
ঘোষণা
দেন
তিনি।
পরে
স্থানীয়
লোকজন
কাজ
করে
ওই
হাওরের
ফসল
রক্ষা
করেন।

মিসবাহ
উদ্দিন
আরও
বলেন,
প্রথম
ভিডিওটি
প্রকাশ
পাওয়ার
পর
গ্রামবাসীর
মধ্যে
ক্ষোভ
তৈরি
হয়।
একপর্যায়ে
সংশ্লিষ্ট
কৃষকেরাই
এমপির
কাছে
ক্ষমা
চাইতে
আগ্রহ
প্রকাশ
করেন।
পরে
তাঁদের
ক্ষমা
চাওয়ার
ভিডিওটি
ধারণ
করা
হয়।