০৩:৩৪ অপরাহ্ন, শনিবার, ০৪ এপ্রিল ২০২৬, ২১ চৈত্র ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

কাজা রোজা আদায়ে কত দিন দেরি করা যাবে

  • এডমিন
  • আপডেট সময়ঃ ১২:০৩:২৬ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২ এপ্রিল ২০২৬
  • 6

যদি
এক
রমজানের
কাজা
শেষ
হওয়ার
আগেই
পরবর্তী
রমজান
চলে
আসে,
তবে
বিধান
কী
হবে?

বিষয়ে
ফকিহ
বা
ইসলামি
আইনবিদদের
মধ্যে
দুটি
প্রধান
অভিমত
পাওয়া
যায়:

১.

হানাফি
মত:

ইমাম
আবু
হানিফা
এবং
তাঁর
অনুসারীদের
মতে,
বিলম্বের
কারণ
যা-ই
হোক
না
কেন,
কেবল
কাজা
আদায়
করাই
যথেষ্ট।
অতিরিক্ত
কোনো
কাফফারা
বা
জরিমানা
(ফিদইয়া)
দেওয়ার
প্রয়োজন
নেই।

আল্লাহ–তাআলা
পবিত্র
কোরআনে
বলেছেন,
“যে
অসুস্থ
থাকে
কিংবা
সফরে
থাকে,
সে
অন্য
দিনগুলোতে
এই
সংখ্যা
পূরণ
করে
নেবে।”
(সুরা
বাকারা,
আয়াত:
১৮৫)

এখানে
আল্লাহ
কেবল
অন্য
দিনে
রোজা
রাখার
কথা
বলেছেন,
এর
সঙ্গে
কোনো
অর্থদণ্ড
বা
খাবারের
কথা
উল্লেখ
করেননি।


২.
তিন
ইমামের
মত:

ইমাম
মালেক,
শাফেয়ি

আহমদের
(রহ.)
এই
তিন
ইমামের
মতে,
যদি
কেউ
বিনা
ওজরে
কাজা
আদায়ে
বিলম্ব
করে
পরবর্তী
রমজানে
পৌঁছে
যায়,
তবে
তাঁকে
কাজা
আদায়ের
পাশাপাশি
প্রতিটি
রোজার
বদলে
একজন
মিসকিনকে
খাবার
(ফিদইয়া)
দিতে
হবে।

তাঁরা
সাহাবি
আবু
হোরাইরা
(রা.)

ইবনে
আব্বাস
(রা.)-এর
কিছু
বর্ণনাকে
এর
স্বপক্ষে
দলিল
হিসেবে
পেশ
করেন।

শাইখ
ইবনে
উসাইমিন
(রহ.)
মনে
করেন,
কোরআনের
স্পষ্ট
নির্দেশের
বাইরে
সাহাবিদের
ব্যক্তিগত
মতের
ভিত্তিতে
আর্থিক
দণ্ড
বাধ্যতামূলক
করা
কঠিন।
তাই
সতর্কতামূলকভাবে
কেউ
যদি
ফিদইয়া
দেন
তবে
তা
উত্তম,
কিন্তু
কেবল
কাজা
আদায়
করলেই
দায়ভার
পূরণ
হবে।
(আশ-শারহুল
মুমতি
আলা
জাদিল
মুস্তাকনি,

৬/৪৪৫,
দার
ইবনুল
জাওজি)

ট্যাগঃ

কাজা রোজা আদায়ে কত দিন দেরি করা যাবে

আপডেট সময়ঃ ১২:০৩:২৬ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২ এপ্রিল ২০২৬

যদি
এক
রমজানের
কাজা
শেষ
হওয়ার
আগেই
পরবর্তী
রমজান
চলে
আসে,
তবে
বিধান
কী
হবে?

বিষয়ে
ফকিহ
বা
ইসলামি
আইনবিদদের
মধ্যে
দুটি
প্রধান
অভিমত
পাওয়া
যায়:

১.

হানাফি
মত:

ইমাম
আবু
হানিফা
এবং
তাঁর
অনুসারীদের
মতে,
বিলম্বের
কারণ
যা-ই
হোক
না
কেন,
কেবল
কাজা
আদায়
করাই
যথেষ্ট।
অতিরিক্ত
কোনো
কাফফারা
বা
জরিমানা
(ফিদইয়া)
দেওয়ার
প্রয়োজন
নেই।

আল্লাহ–তাআলা
পবিত্র
কোরআনে
বলেছেন,
“যে
অসুস্থ
থাকে
কিংবা
সফরে
থাকে,
সে
অন্য
দিনগুলোতে
এই
সংখ্যা
পূরণ
করে
নেবে।”
(সুরা
বাকারা,
আয়াত:
১৮৫)

এখানে
আল্লাহ
কেবল
অন্য
দিনে
রোজা
রাখার
কথা
বলেছেন,
এর
সঙ্গে
কোনো
অর্থদণ্ড
বা
খাবারের
কথা
উল্লেখ
করেননি।


২.
তিন
ইমামের
মত:

ইমাম
মালেক,
শাফেয়ি

আহমদের
(রহ.)
এই
তিন
ইমামের
মতে,
যদি
কেউ
বিনা
ওজরে
কাজা
আদায়ে
বিলম্ব
করে
পরবর্তী
রমজানে
পৌঁছে
যায়,
তবে
তাঁকে
কাজা
আদায়ের
পাশাপাশি
প্রতিটি
রোজার
বদলে
একজন
মিসকিনকে
খাবার
(ফিদইয়া)
দিতে
হবে।

তাঁরা
সাহাবি
আবু
হোরাইরা
(রা.)

ইবনে
আব্বাস
(রা.)-এর
কিছু
বর্ণনাকে
এর
স্বপক্ষে
দলিল
হিসেবে
পেশ
করেন।

শাইখ
ইবনে
উসাইমিন
(রহ.)
মনে
করেন,
কোরআনের
স্পষ্ট
নির্দেশের
বাইরে
সাহাবিদের
ব্যক্তিগত
মতের
ভিত্তিতে
আর্থিক
দণ্ড
বাধ্যতামূলক
করা
কঠিন।
তাই
সতর্কতামূলকভাবে
কেউ
যদি
ফিদইয়া
দেন
তবে
তা
উত্তম,
কিন্তু
কেবল
কাজা
আদায়
করলেই
দায়ভার
পূরণ
হবে।
(আশ-শারহুল
মুমতি
আলা
জাদিল
মুস্তাকনি,

৬/৪৪৫,
দার
ইবনুল
জাওজি)